কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ এ ০৭:৩৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ইউনিয়ন পরিষদ অপারেশনাল ম্যানুয়েল
স্থানীয় সরকার বিভাগ
স্থানীয় সরকার, পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
ইউনিয়ন পরিষদ অপারেশনাল ম্যানুয়েল
স্বত্ব :
স্থানীয় সরকার বিভাগ
সম্পাদনা:
সরদার সরাফত আলী, প্রকল্প পরিচালক, এলজিএসপি-৩
মোহাম্মদ এমদাদ উলস্নাহ মিয়ান, যুগ্মসচিব (ইউপি) স্থানীয় সরকার বিভাগ
সার্বিক তত্ত্বাবধান :
ইকরামুল হক
অতিরিক্ত সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ
প্রকাশকাল :
সহায়তা :
দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি: ২)
স্থানীয় সরকার বিভাগ
কম্পিউটার কম্পোজ :
প্রথম মুদ্রণ: আগষ্ট ২০১২ (৬,৫০০ কপি)
দ্বিতীয় মুদ্রণ: এপ্রিল ২০১৩ (৬৩,৫০০ কপি)
তৃতীয় মুদ্রণ:--------------------------
মুদ্রণ : ----------------------------
---------------------------
ISBN: 978-984-33-5560-7
সাংবিধানিক অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়ন প্রশাসনে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাচীনতম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী ও কার্যকর সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপামত্মরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ মনে করে এ জন্য শুধু দায়িত্ব প্রদানই যথেষ্ট নয় বরং দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতা ও আর্থিক স্বাধীনতা প্রদান, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাসত্মবায়নে সকল পর্যায়ে জনঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ জুলাই ২০০৬ হতে জুন ২০১১ পর্যমত্ম ‘‘লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি)’’ এবং জুলাই ২০১১ থেকে ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যমত্ম ‘‘দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি:২)’’ সফলভাবে বাসত্মবায়ন করেছে। এ প্রকল্পের সাফল্য টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘‘তৃতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি - ৩) বাসত্মবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে । এ প্রকল্প হতে ইউনিয়ন পরিষদসমূহের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি থোক বরাদ্দ স্থানামত্মর করা হবে, যা দিয়ে স্থানীয় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের অগ্রাধিকার অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, বাসত্মবায়ন ও তদারকির ব্যবস্থা রয়েছে।
নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এ প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে যে বরাদ্দ স্থানামত্মর করা হচ্ছে তার ৩০% অর্থ মহিলাদের দ্বারা অগ্রাধিকার প্রাপ্ত স্কিম বাসত্মবায়নে ব্যয় করতে হবে। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অমত্মত তিনটি ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যদের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এলজিএসপি - ৩-এ ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা প্রণয়ন, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে স্কিম গ্রহণ, বাসত্মবায়ন এবং মাঠপর্যায়ে প্রতিবেদন তৈরির কৌশল ইত্যাদি বিষয়গুলো সহজতর করার সঙ্গে সঙ্গে থোক বরাদ্দের পরিমাণও বৃদ্ধি করবে। বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, সম্পদের এ ক্রমবর্ধিত বিসত্মার এবং সামাজিক পর্যবেক্ষণ শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া প্রকল্পের লাগসই পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাসত্মবায়ন সহজতর করবে। একই সঙ্গে স্কিম বাসত্মবায়নে ব্যয় ও সময় কমিয়ে ইউপিসমূহের দায়িত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।
মাঠপর্যায়ে এ প্রকল্পের কার্যক্রম সুচারম্নরূপে বাসত্মবায়ন এবং সহজে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ কার্যাবলি সম্পাদন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ অপারেশনাল ম্যানুয়েল প্রণয়ন করা হয়েছে। এই অপারেশনাল ম্যানুয়েল পদ্ধতিগত কাঠামোর তথ্য সংবলিত যা ইউপিসমূহকে মৌলিক থোক বরাদ্দ তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং সংশিস্নষ্ট কার্যাবলির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত দৈনন্দিন কাজ পরিচালনায় সহায়তা করবে। এ নির্দেশিকাতে স্কিমসমূহ নির্বাচন, অনুমোদন, বাসত্মবায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি সেবা ও মালামাল ক্রয় সংক্রামত্ম বিষয়াবলির ক্ষেত্রে ইউপিসমূহের অবশ্য পালনীয় বিষয়সমূহের বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
এ অপারেশনাল ম্যানুয়েলের কোনো বিবরণ/ শব্দের অর্থ, অনুবাদ অথবা ব্যাখ্যা, ভাবগত প্রকাশ অথবা কোনো শর্ত নিয়ে বিরোধের উৎপত্তি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধামত্মই চূড়ামত্ম বলে বিবেচিত হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ সময় সময় এ নির্দেশিকার প্রয়োজনীয় পরিবর্ধন অথবা সংস্কার করতে পারবে। উলেস্নখ্য উক্ত পরিবর্ধন অথবা সংস্কারসমূহ লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট:৩-এর উন্নয়ন সহযোগীর সঙ্গে আলোচনা এবং মতৈক্য সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
ড. জাফর আহমেদ খান
সিনিয়র সচিব
সূচিপত্র
| ক্রমিক নং | বিষয় | পৃষ্ঠা |
ঈড়হঃবহঃং
১. ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ কার্য পদ্ধতি ও কার্যাবলি ১
১.১. ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদ গঠন ১
১.২. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্পর্কে বিধানাবলি ১
১.২.১. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের শপথ বা ঘোষণা ১
১.২.২. পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের কার্যকাল ১
১.৩.১. ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্মুক্ত সভা ২
১.৩.২. ওয়ার্ড সভার ক্ষমতা ও কর্মপরিধি ২
১.৪. ইউনিয়ন পরিষদের সভা, ক্ষমতা এবং কার্যাবলি ৫
১.৪.১. পরিষদের সভা ও তলবি সভা ৫
১.৪.২. স্থায়ী কমিটি গঠন ও এর কার্যাবলি ৬
১.৪.৩. পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা ৮
১.৫. ইউনিয়ন পরিষদের পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বিষয়ক কার্যাবলি ১০
১.৬. ইউনিয়ন পরিষদের প্রতি সরকার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণের দায়িত্ব ১০
১.৬.২. স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণের দায়িত্ব ১১
১.৭. ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সমন্বয় ১৩
১.৭.১. ন্যসত্মকৃত সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের তালিকা: ১৪
১.৭.২. ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি (UDCC)র গঠন ১৫
১.৭.৩. ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির কার্যাবলি ১৬
২. পরিষদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সম্পত্তি ও তহবিল ১৭
২.১.১. পরিষদের সম্পত্তি অর্জন, দখলে রাখা ও নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা ১৭
২.১.২. পরিষদে সম্পদ হসত্মামত্মর ১৮
২.১.৫. পরিষদের তহবিল সংরক্ষণ বা বিনিয়োগ এবং বিশেষ তহবিল গঠন ১৯
২.২. সম্পদ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ২০
২.২.২. স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ২১
২.২.৫. দলিল পত্রাদি সংরক্ষণ ২২
২.২.৬. স্থায়ী সম্পত্তি বিলিবন্দেজ করা ২৩
২.২.৭. স্থায়ী সম্পত্তি প্রত্যক্ষ পরিদর্শন ২৩
২.৩.১. ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব উৎস থেকে রাজস্ব আয় ২৩
২.৩.২. ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আদায় সংক্রামত্ম দায়িত্ব ও কর্তব্য ২৪
৩.১.৩. মতবিনিময় ও অগ্রাধিকার নিরূপণ ২৭
৩.১.৪. অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়সমূহ ২৮
৩.২. বাজেট (স্থানীয় সরকার (ইউপি) আইন ২০০৯-এর ধারা ৫৭) ৩১
৩.২.৪. বাজেট প্রণয়নে গুরম্নত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়সমূহ ৩৩
৩.২.৫. ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বাজেট অনুমোদন ৩৪
৩.২.৬. বাজেট বাসত্মবায়নও মনিটরিং ৩৪
৩.২.৭. ওয়ার্ড সভায় চাহিদাভিত্তিক স্কিমের তালিকা তৈরি ও অগ্রাধিকারকরণ ৩৬
৩.৩.২. অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি ৩৮
৩.৩.৩. এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় নিরীক্ষক নিয়োগ ৩৯
৩.৩.৪. এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় অডিট ৩৯
৩.৩.৫. অডিট মতামতের বিরম্নদ্ধে আপিল পদ্ধতি ৪০
৪.১. ক্রয় সম্পর্কিত মৌলিক ধারণা ৪০
৪.১.১. ক্রয় ব্যবস্থাপনার ভূমিকা ৪০
৪.১.২. ক্রয় ব্যবস্থাপনা বলতে কী বুঝায় ৪১
৪.১.৩. ক্রয় ব্যবস্থাপনা সংক্রামত্ম প্রয়োজনীয় সংজ্ঞাসমূহ ৪১
৪.২. এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় গ্রহণযোগ্য ক্রয় ৪৩
৪.২.১. ক্রয় ও চুক্তিতে চেয়ারম্যান, সচিব ও সদস্যগণের ভূমিকা ৪৩
৪.২.২. এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় গঠিত ক্রয় সংশিস্নষ্ট কমিটিসমূহ ৪৩
৪.২.৩. কমিটি গঠনের নীতিমালা ও গুরম্নত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ৪৪
৪.২.৪. ওয়ার্ড কমিটি (ডবিস্নউসি) গঠন পদ্ধতি ৪৪
৪.২.৫. ওয়ার্ড কমিটির দায়িত্বসমূহ ৪৫
৪.২.৬. ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয় ও সংগ্রহ সংক্রামত্ম বিষয়ে নিম্নের কমিটিসমূহের কার্যপরিধি ৪৫
৪.৩. লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্টের আওতায় ক্রয় পদ্ধতি ৪৭
৪.৩.১. ক্রয়-পদ্ধতি বলতে কি বোঝায় ৪৭
৪.৩.২. পদ্ধতি অনুসরণের গুরম্নত্ব ৪৭
৪.৩.৩. এলজিএসপি - ৩-এর ক্রয়পদ্ধতি ৪৭
৪.৩.৫. কমিউনিটি ক্রয়-পদ্ধতি ৪৯
৪.৩.৭. উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি ৬২
৪.৩.৮. ক্রয় সংক্রামত্ম দলিলাদি নথিপত্রে সংরক্ষণ ৭১
৪.৩.৯. ক্রয় প্রক্রিয়া বাসত্মবায়নে করণীয় ও বিবেচ্য বিষয়সমূহ ৭২
৪.৪. ক্রয় সম্পর্কিত রিপোর্ট প্রকাশ, অভিযোগ নিষ্পত্তি, ত্রম্নটিপূর্ণ ক্রয় নিরীক্ষা ৭২
৪.৪.১. ক্রয় ও স্কিম বাসত্মবায়নসংক্রামত্ম প্রতিবেদন ৭২
৪.৪.২. ক্রয় সম্পর্কিত তথ্যাদি জনসমক্ষে প্রকাশ ৭৪
৪.৪.৩. ক্রয়সম্পর্কিত অভিযোগ ও নিষ্পত্তিকরণ ৭৫
৪.৪.৪. ক্রয় প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা ৭৫
৪.৪.৫. বিশ্বব্যাংক কর্তৃক ক্রয়োত্তর অডিট (পর্যালোচনা) ৭৬
৪.৪.৭. ক্রয়সংশিস্নষ্ট বিষয়ে করণীয় ও নিষেধাজ্ঞা ৭৬
৫. ৫. তথ্য প্রকাশ ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ৭৯
৫.১. সিটিজেন চার্টার প্রকাশ ৭৯
৫.২. সুশাসনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ৭৯
৫.৩. উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কিত তথ্যাদি ৮০
৬. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, গ্রাম আদালত এবং অন্যান্য সেবাসমূহ ৮১
৬.১. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রক্রিয়া ৮১
৬.২. বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো দায়িত্ব পালন। ৮২
৬.২.১. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গুরম্নত্ব ৮২
৬.২.২. জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কিত তথ্য প্রদানের জন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ৮৩
৬.২.৩. রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া এবং সনদ প্রদান ৮৪
৬.২.৪. জাতীয়তা এবং চারিত্রিক সনদপত্র ৮৪
৬.৩.১. গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য ৮৫
৬.৩.২. গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন ৮৫
৬.৩.৪. নাকচ আবেদন না-মঞ্জুরের আদেশসহ আবেদনকারীকে ফেরত প্রদান ৮৬
৬.৩.৫. আবেদন না-মঞ্জুরের আদেশের বিরম্নদ্ধে রিভিশন/আপিল ৮৬
৬.৩.৬. আবেদনে কী কী তথ্য থাকতে হবে? ৮৬
৭.১. ইউনিয়ন পরিষদের ষান্মাসিক মনিটরিং প্রতিবেদন ৯০
৭.২. ইউনিয়ন পরিষদ ষান্মাসিক মনিটরিং রিপোর্ট ফরম (এলজিএসপি:৩) ৯০
৭.৩. ইউপি/ওয়ার্ড পর্যায়ের সভা সংক্রামত্ম তথ্য: ৯১
৭.৪. ন্যূনতম শর্তাবলি/দক্ষতাসূচক সংক্রামত্ম তথ্যাবলি ৯১
৭.৫. ইউপি উন্মুক্ত বাজেট সভা সংক্রামত্ম তথ্য ৯২
৭.৬. ইউপি বাজেট অনুমোদন সংক্রামত্ম তথ্য ৯২
৭.৮. ইউপি নিরীক্ষা সংক্রামত্ম তথ্য ৯৪
৭.৯. ইউপি থোক বরাদ্দ সংক্রামত্ম তথ্য ৯৪
৭.১০. স্কিম সংক্রামত্ম তথ্য ৯৫
৭.১১. বিগত ছয়মাসে স্থায়ী কমিটির ভূমিকা সম্পর্কিত তথ্য ৯৬
৭.১৩. সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষা সংক্রামত্ম তথ্য ৯৭
৭.১৪. সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রামত্ম তথ্য ৯৮
৭.১৫. আইইসি সংক্রামত্ম তথ্য ৯৮
৭.১৬. গ্রাম-আদালতের ষান্মাসিক প্রতিবেদন ৯৯
৮. লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট - ৩ (এলজিএসপি - ৩) ৯৯
৮.২. এলজিএসপি - ৩ উদ্দেশ্য ও প্রধান কার্যক্রম ১০১
৮.৪. এলজিএসপি - ৩ - কম্পোনেন্টসমূহ ১০৪
৮.৪.১. কম্পোনেন্ট ১: ইউনিয়ন পরিষদ ফিস্ক্যাল ট্র্যান্সফার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ১০৪
৮.৪.২. মৌলিক থোক বরাদ্দ (বিবিজি) নির্ধারণ ও বিতরণ ১০৫
৮.৪.৪. দক্ষতা ভিত্তিক অনুদান (পিবিজি) নির্ধারণ ও বিতরণ ১০৭
৮.৪.৫. এলজিএসপি’র দক্ষতা মূল্যায়নের ন্যূনতম শর্ত, সূচক এবং স্কোর ১০৭
৮.৫. এলজিএসপি - ৩ এর আওতায় গ্রহণযোগ্য ও অগ্রহণযোগ্য স্কিম ১০৯
৮.৫.১. এলজিএসপি - ৩-এর অর্থ দ্বারা যেসব স্কিম গ্রহণ করা যাবে ১০৯
৮.৫.২. এলজিএসপি - ৩-এর অর্থ যেসব ক্ষেত্রে ব্যয় করা যাবে না ১১০
৮.৬. ইউপির মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রতিষ্ঠানিকীকরণ ১১০
৮.৭. কম্পোনেন্ট ২: অডিট ও কর্মদÿতা মূল্যায়ন এবং তথ্য পদ্ধতি ব্যবস্থাপনা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ১১১
৮.৮ কম্পোনেন্ট ৩: পাইলট পৌরসভায় সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ (ইবিজি) ১২০
৮.৯ কম্পোনেন্ট ৪: সÿমতা বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাসত্মবায়ন ১২০
৮.১০ এলজিএসপি - ৩ এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং বাসত্মবায়নব্যবস্থা ১২৪
৮.১০.১ জাতীয় পর্যায়: প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটি (পিএসসি) ১২৪
৮.১০.২ জেলা পর্যায়: জেলা সমন্বয় কমিটি (ডিসিসি) ১২৪
৮.১০.৪ উপজেলা পর্যায়: বস্নক গ্রান্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটি (বিজিসিসি) ১২৬
৮.১০.৫ ওয়ার্ড কমিটি (ডবিস্নউসি) ১২৭
৮.১০.৬ স্কিম সুপারভিশন কমিটির (এসএসসি) গঠন ও কার্যাবলি ১২৯
৮.১১ আপত্তি বা অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা ১৩০
৮.১১.১ আভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ কমিটি (জিআরসি): ১৩১
৮.১১.২ আপত্তি/অভিযোগের সংজ্ঞা ১৩১
৮.১১.৩ আপত্তি/অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া ১৩১
৮.১১.৪ আপত্তি/অভিযোগ নিষ্পত্তির নীতিমালা ১৩২
৮.১১.৫ প্রতিবেদন প্রস্ত্তত ও নথিভুক্তকরণ ১৩৩
৮.১২ স্কিম বাছাই, বাসত্মবায়ন, তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ প্রক্রিয়া ১৩৩
৮.১৩ স্কিম বাসত্মবায়ন ব্যবস্থাপনা ১৩৫
৯ নারীর অধিকার সুরÿা ও উন্নয়ন ১৩৭
৯.২ উপজেলা মহিলা উন্নয়ন ফোরাম ১৩৮
১০. পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়াবলি ১৩৯
১০.১ পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা যাচাই প্রক্রিয়া ১৩৯
১০.২ অংশগ্রহণমূলক স্কিমের নির্বাচন প্রক্রিয়া: ১৪১
১০.৩ ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অধ্যুসিত ১৪৬
১০.৫ পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষার যাচাইকরন ১৪৯
১০.৫.১ ফর্ম-এ ‘‘পরিবেশ ও সামাজিক প্রভার যাচাই’’ ১৪৯
১০.৫.২ ফর্ম-বি ‘‘স্কিমের বাসত্মবায়ন পর্যালোচনা ফরম ১৫৫
১০.৫.৩ ফরম-সি ’’ স্কিমের বাসত্মবায়ন সম্পন্নকরন রেকর্ড’’ ১৫৯
১০.৬ সরকারী ও বেসরকারী জমি ব্যবহারের নির্দেশনাবলী ১৬৩
১১.১. ছক : Standard বাজেট ফরম (নমুনা ছক) ১৬৯
১১.২. ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় ছক (নমুনা) ১৮০
১১.৩ অর্থ বছরের আর্থিক বিবরণী (এফ এস) ছক ১৮১
১১.৪ স্থায়ী সম্পদ এবং অবকাঠামো রেজিষ্টার ১৮৬
১১.৫ এলজিএসপি’র দক্ষতা মূল্যায়ন সূচকসমূহ ১৮৭
১১.৬ সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব ও তা নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা ১৮৮
ইউনিয়ন পরিষদ এ উপমহাদেশের প্রাচীনতম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। গ্রাম-চৌকিদারি আইন ১৮৭০-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের নাম এবং কার্যাবলি সময়ে সময়ে নেতৃত্ব বা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে পরিবর্তিত হয়েছে। এক সময় এর নাম ছিল পঞ্চায়েত। প্রাথমিকভাবে পঞ্চায়েতের কাজ ছিল গ্রামের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য চৌকিদার নিয়োগ প্রদান করা। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট পঞ্চায়েত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মনোনীত হতেন। উপনিবেশিক শাসনামলে কেবল রাজস্ব আদায় দিয়ে কার্যক্রম শুরম্ন হলেও কালক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রকল্প বাসত্মবায়ন, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি সমন্বয় সাধন এবং জনগণকে কিছু মৌলিক সেবা প্রদান ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত হয়। ২০০৬ সালে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট বাসত্মবায়নে সহায়তা করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রথম একটি অপারেশনাল ম্যানুয়েল প্রস্ত্তত করা হয়েছিল। যার মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ক্রয়, উন্নয়ন, স্কিম বাসত্মবায়ন এবং রিপোর্টিং ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা ছিল। পরবর্তীতে ২০১২ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর আলোকে অপারেশনাল ম্যানুয়েলটি পরিবর্তিত আকারে প্রকাশ করা হয় যা ‘‘দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-২) বাসত্মবায়নে সহায়তা করেছে।
বর্তমান অপারেশনাল ম্যানুয়েলটি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯, ইউনিয়ন পরিষদ (উন্নয়ন পরিকল্পনা) বিধিমালা ২০১৩, ইউনিয়ন পরিষদ (হিসাব রÿণ ও নীরিÿা) বিধিমালা ২০১২, ইউনিয়ন পরিষদ (সম্পত্তি) বিধিমালা ২০১২, ইউনিয়ন পরিষদ আদর্শকর তফসিল, ২০১২, ইউনিয়ন পরিষদ (বাজেট প্রনয়ন ও অনুমোদন এবং এতদসংক্রামত্ম অন্যান্য বিষয়) বিধিমালা ২০১৬, গণক্রয় আইন ২০০৬, সরকারী ব্যয় ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারিকৃত বিভিন্ন নির্দেশিকা, পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে। অপারেশনাল ম্যানুয়েলটিতে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাসত্মবায়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ক্রয় ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, অডিট, অন্যান্য সেবা কার্যক্রম, আর্থিক ও উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রস্ত্তত ইত্যাদি বিষয় সর্ম্পকে আলোকপাত করা হয়েছে। ম্যানুয়েলটি এলজিএসপি-৩ বাসত্মবায়ন সংক্রামত্ম বিভিন্ন কর্মপ্রক্রিয়া ও বাসত্মবায়নের নির্দেশাবলি সমৃদ্ধ। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর আলোকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় ফরম্যাট সমূহ সংযোজন করা হয়েছে।
এছাড়াও বর্তমান ম্যানুয়েলটিতে এলজিএসপি-৩ এর ৪ টি কম্পোনেন্ট (ক) ইউনিয়ন পরিষদের ফিস্ক্যাল ট্র্যান্সফার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, (খ) অডিট এবং পারফরমেন্স মূল্যায়ন, এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম, (গ) পৌরসভার জন্য পাইলট ভিত্তিতে সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দের প্রবর্তন ও (ঘ) দÿতা উন্নয়ন ও প্রকল্প বাসত্মবায়ন, এ বিষয়গুলোর সংÿÿপ্ত বর্ণনা রয়েছে। আশা করা যায় ম্যানুয়েলটি ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ জনঅংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প বাসত্মবায়ন করতে পারবে ।
সামগ্রিকভাবে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাসত্মবায়নের অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তিত চাহিদার আলোকে এই অপারেশনাল ম্যানুয়েলটিতে নতুন কোন বিষয় সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন, পরিমার্জন ও হালনাগাদ করার সুযোগ থাকবে।
সরদার সরাফত আলী
প্রকল্প পরিচালক
এলজিএসপি-৩
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ এক জন চেয়ারম্যান ও ১২ (বার) জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে, যার মধ্যে নয় জন সাধারণ আসনের সদস্য ও তিনজন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য। চেয়ারম্যান ও সাধারণ আসনের সদস্যগণ প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য তিনটি আসন সংরক্ষিত থাকবে যা সংরক্ষিত আসন বলে অভিহিত হবে এবং উক্ত সংরক্ষিত আসনের সদস্যগণও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন। নয়টি সাধারণ আসনের সদস্য নির্বাচনে মহিলা প্রার্থীগণও সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিষদের এক জন সদস্য বলে গণ্য হবেন। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সম্মানী পাবেন। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হবে।
জেলা প্রশাসক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কতকগুলি গ্রাম বা সংলগ্ন মৌজা বা গ্রামের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্ড এবং ৯ (নয়) টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি ইউনিয়ন ঘোষণা করবেন। ঘোষিত ইউনিয়ন জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত নামে অভিহিত হবে। ইউনিয়নের নামকরণ কোনো ব্যক্তির নামে হবে না। ইউনিয়নের ওয়ার্ডসমূহের ক্রমিক নম্বর এবং ওয়ার্ডের স্থানীয় সীমানা নির্দিষ্ট করতে হবে। সরকার প্রত্যেক ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের লোক সংখ্যা নির্ধারণ করবে। সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে একটি ইউনিয়নকে ৩ (তিন) টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করতে হবে।
চেয়ারম্যান ও প্রত্যেক সদস্য তার কার্যভার গ্রহণের পূর্বে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো ব্যক্তির সম্মুখে (সাধারণত জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার) নির্ধারিত ফরমে শপথ গ্রহণ করবেন এবং ঘোষণাপত্রে বা শপথপত্রে স্বাক্ষরদান করবেন। চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তিগণের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সরকার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যের শপথ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।
কোনো পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, সংশিস্নষ্ট পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠানের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বৎসর সময়ের জন্য উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবগঠিত পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত না হলে সরকার উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে সভা আহবানের জন্য দায়িত্ব অর্পণ করতে পারবেন। অনুরূপভাবে অনুষ্ঠিত সভা পরিষদের প্রথম সভা হিসেবে গণ্য হবে। পরিষদ গঠনের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন ঐ পরিষদের জন্য অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বৎসর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ (একশ আশি) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি ওয়ার্ড সভা গঠন করতে হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় অমত্মর্ভূক্ত ব্যক্তিগণের সমন্বয়ে ঐ ওয়ার্ডের ওয়ার্ড সভা গঠিত হবে।
(১) প্রত্যেক ওয়ার্ড সভা এর স্থানীয় সীমার মধ্যে বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) টি সভা করবে যার একটি হবে বাৎসরিক সভা।
(২) ওয়ার্ড সভার কোরাম হবে সর্বমোট ভোটার সংখ্যার বিশ ভাগের একভাগ (৫%) দ্বারা। মুলতবি সভার জন্য কোরাম আবশ্যক হবে না, যা সাত দিন পর একই সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।
(৩) ইউনিয়ন পরিষদ ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠানের কমপক্ষে সাতদিন পূর্বে যথাযথভাবে সহজ ও গ্রহণযোগ্য উপায়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে; মুলতবি সভার ক্ষেত্রেও অনুরূপ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।
(৪) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন এবং সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য সভাপতি হিসেবে উক্ত সভা পরিচালনা করবেন।
(৫) সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য ওয়ার্ড সভার উপদেষ্টা হবেন।
(৬) ওয়ার্ড সভায় ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমসহ অন্যান্য বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা হবে। বার্ষিক সভায় সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য বিগত বৎসরের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং আর্থিক সংশেস্নষসহ ওয়ার্ডের চলমান সকল উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করবেন। ওয়ার্ড সভার কোনো সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ন করা সম্ভব না হলে সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর যৌক্তিকতা ওয়ার্ড সভায় উপস্থাপন করবেন।
(১) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর বিধান সাপেক্ষে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওয়ার্ড সভার নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা, কার্যাবলি ও অধিকার থাকবে:
(ক) ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল তথ্যাদি সংগ্রহ ও বিন্যসত্মকরণে সহায়তা প্রদান। এ পরিকল্পনা পঞ্চবার্ষিক বা বার্ষিক হতে পারে।
(খ) ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রকল্প প্রসত্মাব প্রস্ত্তত এবং বাসত্মবায়নযোগ্য স্কিম ও উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রাধিকার নিরূপণ। এ সকল প্রকল্প বা স্কিম এলাকার ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে প্রসত্মাবিত ও অগ্রাধিকার নিরূপিত হতে হবে।
(গ) নির্ধারিত নির্ণায়কের ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি যেমন, ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ইত্যাদি উপকারভোগীদের চূড়ামত্ম অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্ত্তত ও ইউনিয়ন পরিষদের নিকট হসত্মামত্মর। এ তালিকা স্থানীয়ভাবে ওয়ার্ড সভায় আলোচনার মাধ্যমে চূড়ামত্ম করা বাঞ্চনীয়।
(ঘ) উন্নয়ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাসত্মবায়নের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান।
(ঙ) স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সেবামূলক কার্যক্রম বাসত্মবায়নে উৎসাহ প্রদান ও সহায়তাকরণ।
(চ) রাসত্মার বাতি, নিরাপদ পানির উৎস, জনস্বাস্থ্য ইউনিট, সেচ সুবিধাদি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্প স্থান বা এলাকা নির্ধারণের জন্য পরিষদকে পরামর্শ প্রদান।
(ছ) পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্নীতিসহ অন্যান্য সামাজিক অপকর্মের বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।
(জ) ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার লোকের মধ্যে ঐক্য ও সুসম্পর্ক সৃষ্টি করা, সংগঠন গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন প্রকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা।
(ঝ) ওয়ার্ডের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডেরসঙ্গে সম্পৃক্ত উপকারভোগী শ্রেণি বা গোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ, তদারক ও সহায়তা প্রদান।
(ঞ) সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচিভুক্ত (যেমন, বয়স্কভাতা, ভর্তুকি, ইত্যাদি) ব্যক্তিদের তালিকা যাচাই করা।
(ট) ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বাসত্মবায়নযোগ্য উন্নয়ন কাজের প্রাক্কলন সংক্রামত্ম বিভিন্ন তথ্যাদি সংরক্ষণ।
(ঠ) সম্পাদিতব্য কাজ ও সেবাসমূহের বিসত্মারিত তথ্য সরবরাহ।
(ড) পরিষদ কর্তৃক ওয়ার্ড সংক্রামত্ম বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধামত্মসমূহের যৌক্তিকতাসমূহ অবহিত হওয়া।
(ঢ) ওয়ার্ড সভা কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধামত্মসমূহের বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা এবং কোনো সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ননা হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা।
(ণ) জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম, বিশেষত বিভিন্ন প্রকার রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করা; স্যানিটেশন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণকে বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সহায়তা প্রদান।
(ত) ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ, রাসত্মা আলোকিতকরণ ও অন্যান্য সেবা প্রদানে ত্রম্নটি-বিচ্যুতিসমূহ চিহ্নিত করা এবং তা দূরীকরণের ব্যবস্থা করা।
(থ) ওয়ার্ডের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক-শিক্ষক সম্পর্ক উন্নয়ন।
(দ) যৌতুক, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও এসিড নিক্ষেপের মতো সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
(ধ) জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করা।
(ন) আত্ম কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকান্ড উৎসাহিত করা।
(প) সরকার বা পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব সম্পাদন।
(২) ওয়ার্ড সভা, সাধারণ বা বিশেষ সভায় প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে। বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের বাজেট বিভাজন, কর্মপরিকল্পনা, খাত ভিত্তিক অর্থ বরাদ্দ, প্রাক্কলন, সম্পাদিত ও সম্পাদিতব্য কাজের মালামাল ক্রয় বাবদ অর্থ ব্যয় ইত্যাদি বিষয়ে ওয়ার্ডের উন্মুক্ত দর্শনীয় স্থানে বোর্ডে লিখে টাঙ্গিয়ে জনগণকে অবহিত করতে হবে।
(৩) ওয়ার্ড সভায় অডিট রিপোর্ট উপস্থাপন ও আলোচনা করতে হবে এবং এ বিষয়ে সভার মতামত ও সুপারিশ পরিষদের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে হবে।
(৪) ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ওয়ার্ড সভায় উপস্থিত থেকে সভার কার্যবিবরণী তৈরি ও গৃহীত সিদ্ধামত্মসমূহ রেকর্ড করবেন এবং বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পরবর্তী পরিষদ ও ওয়ার্ড সভায় উপস্থাপন করবেন।
(৫) ওয়ার্ড সভা কোনো সাধারণ বা বিশেষ কার্যাদি সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে। উপ-কমিটির সদস্য সংখ্যা ১০ (দশ) জনের অধিক হবে না এবং এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ (তিন) জন মহিলা হবেন ।
(৬) সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে ওয়ার্ড সভার সিদ্ধামত্ম গৃহীত হবে, তবে যতদূর সম্ভব সাধারণ ঐকমত্যের এবং সভায় উপস্থিত মহিলাদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করা বাঞ্চনীয় হবে।
(৭) ওয়ার্ড সভা বিজ্ঞপ্তি আহবানের মাধ্যমে সম্ভাব্য উপকারভোগীদের নিকট হতে প্রাপ্ত দরখাসত্মসমূহ তদমত্ম করে যাচাই বাছাইয়ের জন্য সভায় উপস্থাপন করবে। সভায় যাচাই বাছাইয়ের পর নির্ধারিত নির্ণায়কের ভিত্তিতে উপকারভোগীদের চূড়ামত্ম অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্ত্তত করা হবে এবং তা পরিষদের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করতে হবে। কোনোরূপ অনিয়ম প্রমাণিত না হলে পরিষদ ওয়ার্ড সভা কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও প্রেরিত অগ্রাধিকার তালিকা পরিবর্তন করতে পারবে না।
(১) ওয়ার্ড সভা নিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করবে :
(ক) ওয়ার্ডের উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অন্যান্য তথ্যাদি সরবরাহ;
(খ) কৃষি, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও পশুপালন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, যোগাযোগ, যুব উন্নয়ন, ইত্যাদি বিষয়ক উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ;
(গ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ অত্যাবশ্যকীয় আর্থ-সামাজিক উপাত্ত সংগ্রহ;
(ঘ) বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখা;
(ঙ) নারী ও শিশু নির্যাতন, নারী ও শিশু পাচার এবং যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও এসিড নিক্ষেপ নিরোধ কার্যক্রম, দুর্নীতিসহ অন্যান্য সামাজিক অপকর্মের বিরম্নদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা;
(চ) ওয়ার্ডের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা;
(ছ) জনগণকে কর, ফি, রেইট ইত্যাদিসহ বিভিন্ন প্রকার ঋণ পরিশোধের জন্য উদ্বুদ্ধ করা;
(জ) স্থানীয় সম্পদের সংগ্রহ ও উন্নয়নের মাধ্যমে পরিষদের সম্পদের উন্নয়নে সহায়তা করা;
(ঝ) স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে উন্নয়নমূলক ও অন্যান্য সমাজগঠনমূলক কর্মসূচি বাসত্মবায়নে এবং সংগঠন তৈরিতে সহায়তা;
(ঞ) মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জরম্নরী ভিত্তিতে করণীয় নির্ধারণ।
রিপোর্ট প্রদান
ওয়ার্ড সভার কার্যাবলি ও দায়িত্ব সম্পর্কে পরিষদকে রিপোর্ট প্রদান।
বিশেষ সভা
ওয়ার্ড সভা ক্ষেত্র বিশেষে বিশেষ সভা আহবানের জন্য পরিষদকে অনুরোধ করতে পারবে।
ব্যয় অনুমোদন
ওয়ার্ড সভার অনুমোদনবিহীন কোনো ব্যয়, যার দায়িত্বে ব্যয়িত হবে, তা তার ব্যক্তিগত দায় হিসেবে গণ্য হবে।
(১) প্রত্যেক পরিষদ, পরিষদের কার্যালয়ে প্রতি মাসে ন্যূনতম একটি সভা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবে এবং উক্ত সভা অফিস সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
(২) পরিষদের ৫০% সদস্য তলবি সভা আহবানের জন্য চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অনুরোধ জানালে তিনি ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠেয় একটি সভার তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে সভা অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন পূর্বে পরিষদের সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান করবেন।
(৩) পরিষদের চেয়ারম্যান তলবি সভা আহবান করতে ব্যর্থ হলে প্যানেল চেয়ারম্যান (ক্রমানুসারে) ১০ (দশ) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠেয় সভা আহবান করে কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন পূর্বে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান করবেন। এরূপ সভা পরিষদের কার্যালয়ে নির্ধারিত তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
(৪) তলবি সভা পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক নিয়োগকৃত একজন কর্মকর্তা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারবেন, যিনি এরূপ তলবি সভা পরিচালনা ও সভায় গৃহীত সিদ্ধামেত্মর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত প্রতিবেদন সভা অনুষ্ঠানের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে দাখিল করবেন।
(৫) চেয়ারম্যান অথবা তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, প্রয়োজনে, যে কোনো সময় পরিষদের বিশেষ সভা আহবান করতে পারবেন।
(৬) সদস্যগণের মোট সংখ্যার এক তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে কোরাম হবে, তবে কোরামের অভাবে কোনো সভা মুলতবি হলে মুলতবি সভায় কোনো কোরামের প্রয়োজন হবে না।
(৭) পরিষদের সভায় সকল সিদ্ধামত্ম উপস্থিত সদস্যগণের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হবে।
(৮) প্রত্যেক সদস্যের একটি করে ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভাপতি একটি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করতে পারবেন।
(৯) পরিষদের সভায় চেয়ারম্যান অথবা তাঁর অনুপস্থিতিতে অগ্রাধিকারের ক্রমানুসারে চেয়ারম্যান প্যানেলের সদস্য অথবা উভয়ের অনুপস্থিতিতে, উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত কোনো সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
(১০) সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত কর্মকর্তাগণ পরিষদের আমন্ত্রণে পরিষদের সভায় যোগদান এবং সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন, তবে তাদের ভোটাধিকার থাকবে না।
(১১) কোন প্রসত্মাব সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হয়েছে বা হয় নাই তা সভাপতি উক্ত সভায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিবেন।
(১২) সভার আলোচ্যসূচিতে কারিগরি ও গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো বিশেষজ্ঞের মতামত প্রয়োজন হলে পরিষদ উক্ত বিষয় বা বিষয়সমূহের উপর মতামত প্রদানের জন্য এক বা একাধিক বিশেষজ্ঞকে সভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারবে।
ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলি সুচারম্নরূপে সম্পাদন করবার জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির প্রত্যেকটি সম্পর্কে একটি করে স্থায়ী কমিটি গঠন করবে।
(ক) অর্থ ও সংস্থাপন;
(খ) হিসাব নিরীক্ষা ও হিসাবরক্ষণ;
(গ) কর নিরূপণ ও আদায়;
(ঘ) শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা;
(ঙ) কৃষি, মৎস্য ও পশু সম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কাজ;
(চ) পলস্নী অবকাঠামো উন্নয়ন, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, ইত্যাদি;
(ছ) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা;
(জ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন;
(ঝ) স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন;
(ঞ) সমাজকল্যাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা;
(ট) পরিবেশ উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ;
(ঠ) পারিবারিক বিরোধ নিরসন, নারী ও শিশু কল্যাণ (পাবর্ত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য প্রযোজ্য হবে না);
(ড) সংস্কৃতি ও খেলাধুলা।
উলিস্নখিত স্থায়ী কমিটি ব্যতীত পরিষদ, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে, অতিরিক্ত স্থায়ী কমিটি গঠন করতে পারবে। স্থায়ী কমিটির সভাপতি কো-অপট সদস্য ব্যতীত পরিষদের সদস্যগণের মধ্য হতে নির্বাচিত হবেন এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন হতে নির্বাচিত সদস্যগণ অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকবেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুধুমাত্র আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভাপতি থাকবেন। স্থায়ী কমিটি পাঁচ থেকে সাত সদস্য বিশিষ্ট হবে এবং কমিটি প্রয়োজনে, বিশেষজ্ঞ কো-অপট করতে পারবে, তবে তাদের ভোটাধিকার থাকবে না। অন্যান্য সদস্য স্থানীয় জনসাধারণের মধ্য হতে সংশিস্নষ্ট কমিটিতে অবদান রাখার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্য হতে মনোনীত হবেন। স্থায়ী কমিটির সুপারিশ পরিষদের পরবর্তী সভায় বিবেচনার পর গৃহীত হবে। তবে কোনো সুপারিশ ইউনিয়ন পরিষদে গৃহীত না হলে তার যথার্থতা ও কারণ লিখিতভাবে স্থায়ী কমিটিকে জানাতে হবে। স্থায়ী কমিটির সকল কার্যধারা পরিষদের সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে চূড়ামত্ম হবে। নিম্নলিখিত কারণে পরিষদ কোনো স্থায়ী কমিটি ভেঙে দিতে পারবে।
(ক) বিধি মোতাবেক নিয়মিত সভা আহবান করতে না পারলে;
(খ) নির্ধারিত ক্ষেত্রে ক্রমাগতভাবে পরিষদকে পরামর্শ প্রদানে ব্যর্থ হলে; অথবা
(গ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ বা অন্য কোনো আইনের বিধান বহির্ভূত কোনো কাজ করলে।
প্রত্যেক স্থায়ী কমিটি প্রতি দুইমাস অমত্মর সভায় মিলিত হবে, তবে প্রয়োজনে অতিরিক্ত সভা করতে পারবে। স্থায়ী কমিটির কার্যাবলি প্রবিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে, তবে প্রবিধি প্রণীত না হওয়া পর্যমত্ম পরিষদের সাধারণ সভায় স্থায়ী কমিটির কার্যাবলি নিরূপণ করা যাবে। ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটিসমূহের মৌলিক কাজ হবে নিম্নরূপ হতে পারে:
(ক) কমিটির সাথে সংশিস্নষ্ট কার্যাবলি পর্যালোচনা করা এবং এতদ্সম্পর্কিত সেবা প্রদানকারীদের সাথে সমন্বয় সাধন করে জনসাধারণের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা।
(খ) সেবা সরবরাহকরীদের কার্যক্রম মনিটর করা এবং জনসাধারণের চাহিদা নিরূপণ করে এর ভিত্তিতে তাদেরকে ফিডব্যাক দেওয়া।
(গ) সেবা প্রদানকারীদের জনগণের চাহিদামত সেবা প্রদানের পরিকল্পনা প্রস্ত্ততে সহায়তা প্রদান এবং পরিকল্পনা বাসত্মবায়নকাজ তদারকি করা।
(ঘ) সংশিস্নষ্ট সেবা ও সরবরাহকারীদের কার্যক্রম ও সমস্যা সম্পর্কে ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করা।
(ঙ) কমিটির কার্যক্রম, তদারকি, সিদ্ধামত্মসমূহ এবং মনিটরিং তৎপরতার ফলাফল সম্পর্কে প্রতি দু’মাস অমত্মর নিয়মিত প্রতিবেদন প্রদান করা।
(চ) কোনো বিশেষ খাতের স্কিম বা প্রজেক্ট ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে প্রসত্মাবিত হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটিতে আলোচনার জন্য পেশ করা হলে এবং পরিষদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হলে তা পর্যালোচনা যাচাই বাছাই ও অগ্রাধিকার নিরূপণ করবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ উদ্দেশ্য সাধন এবং পরিষদের সভার সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়নকল্পে চেয়ারম্যান পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগসহ নিম্নরূপ দায়িত্বসমূহ পালন করবেন :
(ক) পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভা পরিচালনা করবেন।
(খ) পরিষদের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাজ-কর্ম তদারক, নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করবেন।
(গ) সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যয় সীমা পর্যমত্ম ব্যয় নির্বাহ করবেন।
(ঘ) পরিষদের সচিবের সাথে যৌথ স্বাক্ষরে পরিষদের হিসাব পরিচালনা করবেন।
(ঙ) পরিষদের ব্যয় মিটানো এবং পাওনা আদায়ের জন্য কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ক্ষমতা অর্পণ করবেন।
(চ) প্রয়োজনীয় সকল বিবরণী ও প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করবেন।
(ছ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ বা বিধি দ্বারা আরোপিত অন্যান্য ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।
চেয়ারম্যান, পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে, প্রচলিত আইন, অধ্যাদেশ বা বিধি-বিধান এর পরিপন্থি নয়, এরূপ জনস্বার্থ বা জনগুরম্নত্বপূর্ণ কোনো জরম্নরী কাজ সম্পাদন করতে নির্দেশ দিতে পারবেন, এবং এ ধরনের কাজ সম্পাদনের ব্যয়ভার পরিষদ তহবিল হতে বহনের নির্দেশ দিতে পারবেন। গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে চেয়ারম্যান পরিষদের পরবর্তী সভায় প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন এবং উক্ত প্রতিবেদন পরিষদের সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
বর্ণিত দায়িত্ব ছাড়াও পরিষদের চেয়ারম্যান নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন :
(ক) পরিষদের সভায় পরিষদের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন।
(খ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ বা এর অধীন প্রণীত বিধির পরিপন্থি এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণে সচিব এবং স্থানামত্মরিত অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতীত পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য কর্মচারীকে প্রয়োজনে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে সাময়িক বরখাসত্ম করতে পারবেন। তবে পরিষদের পরবর্তী সাধারণ সভায় এরূপ সাময়িক বরখাসত্ম অনুমোদিত হতে হবে অন্যথায় তা কার্যকর হবে না।
(গ) চেয়ারম্যান পরিষদের সচিবের নিকট হতে পরিষদের প্রশাসনিক বিষয় সংক্রামত্ম যে কোনো ক্লাসিফাইড রেকর্ড বা নথি লিখিতভাবে তলব করতে এবং আইন ও বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আদেশ প্রদান করতে পারবেন; তবে তিনি এরূপ কোনো ক্লাসিফাইড রেকর্ড বা নথি তলব করতে পারবেন না, যা সম্পূর্ণরূপে সচিব বা সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে থাকবে।
(ঘ) তিনি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ বা এর অধীন প্রণীত বিধির পরিপন্থি এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য কর্মচারীদের বিরম্নদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন প্রেরণ করতে পারবেন।
(ঙ) তার বিবেচনায় পরিষদের কোনো সিদ্ধামত্ম স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ বা অন্য কোনো আইন বা বিধি-বিধানের পরিপন্থি হলে, অথবা এরূপ সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়িত হলে তা জনস্বাস্থ্য, জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করবে বলে বিবেচিত হলে, তিনি তা সরকারের নিকট প্রেরণ করবেন।
পরিষদের নির্বাহী বা অন্য কোনো কার্য পরিষদের নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে এবং তা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রমাণকৃত হতে হবে। পরিষদের দৈনন্দিন সেবা প্রদানমূলক দায়িত্ব ত্বরান্বিত করবার লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের মধ্যে নির্বাহী ক্ষমতা বিভাজনের প্রসত্মাব পরিষদের সভায় অনুমোদিত হতে হবে এবং প্রয়োজনবোধে, সময়ে সময়ে তা সংশোধনের এখতিয়ার পরিষদের থাকবে।
পরিষদের প্রধান কার্যাবলি হবে নিম্নরূপ:
(ক) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিষয়াদি;
(খ) জনশৃঙ্খলা রক্ষা;
(গ) জনকল্যাণমূলক কার্য সম্পর্কিত সেবা; এবং
(ঘ) স্থানীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসত্মবায়ন।
সরকার সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিধি দ্বারা নির্ধারণ করতে পারবে।
সরকার, সময়ে সময়ে, চাহিদা মোতাবেক গ্রামীণ এলাকায় গ্রাম পুলিশ বাহিনী গঠন করতে পারবে এবং সরকার কর্তৃক উক্ত গ্রাম পুলিশ বাহিনী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা এবং চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণ করা হবে। সরকার যেরূপ নির্দেশ প্রদান করবে গ্রাম পুলিশ সেরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবে। জেলা প্রশাসকের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোনো ইউনিয়ন বা তার অংশ বিশেষে জননিরাপত্তা ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে সে ক্ষেত্রে উক্ত এলাকার প্রাপ্তবয়স্ক সক্ষম ব্যক্তিগণকে আদেশে উলিস্নখিত পদ্ধতিতে গণপাহারায় নিয়োজিত করতে পারবে। আদেশ জারি করা হলে ইউনিয়ন পরিষদ আদেশে উলিস্নখিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবে।
সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ সংক্রামত্ম নিম্নবর্ণিত অধ্যাদেশ, আইন, বিধি/প্রবিধি, সার্কুলার, পরিপত্র ইত্যাদি জারি করা।
যদি কোনো ইউনিয়ন জনস্বার্থ বিরোধী কাজ করে বা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে সরকার ঐ ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল করতে পারে।
(এলজিএসপি - ৩ বাসত্মবায়নের সাথে সংশিস্নষ্ট)
(এলজিএসপি - ৩ বাসত্মবায়নের সাথে সংশিস্নষ্ট)
(এলজিএসপি - ৩ বাসত্মবায়নের সাথে সংশিস্নষ্ট)
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর ধারা ৬৩ মোতাবেক সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের সরকার কর্তৃক পরিষদের অধীনে হসত্মামত্মর করার বিধান রয়েছে। হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ তাদের নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন। উক্ত আইনের তৃতীয় তফসিলে সে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তালিকা দেওয়া আছে।
| ক্রমিক নং | মন্ত্রণালয়/বিভাগের নাম |
| ইউনিয়ন পরিষদের নিকট ন্যসত্মকৃত সরকারের দপ্তর ও কার্যাবলি |
|---|---|---|---|
| ১। | স্থানীয় সরকার বিভাগ | ১. | স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ উপ-সহকারী প্রকৌশলী, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলি। |
| ২. | জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ টিউবওয়েল মেকানিক, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। | ||
| ২। | কৃষি মন্ত্রণালয় |
| কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনস্থ উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
| ৩। | স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় | ১. | স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
| ২. | পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনস্থ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক ও পরিবার কল্যাণ সহকারী, জনবল এবং তাদের কার্যাবলি। | ||
| ৪। | প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় |
| প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনস্থ সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
| ৫। | মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় |
| মৎস্য ও পশু সম্পদ অধিদপ্তরের অধীনস্থ ভেটেরেনারি ফিল্ড এসিসট্যান্ট এবং ভেটেরেনারি ফিল্ড এসিসট্যান্ট (কৃত্রিম প্রজনন), জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
| ৬। | সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় |
| সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনস্থ ইউনিয়ন সমাজকর্মী, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
| ৭। | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় |
| আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরের অধীনস্থ ইউনিয়ন দলনেতা, জনবল ও তাদের কার্যাবলি। |
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৯৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নরূপ ভাবে ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়:
| ১ | চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ | সভাপতি |
| ২ | ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য | সদস্য |
| ৩ | ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটিসমূহের সদস্যগণ | সদস্য |
| ৪ | উপ-সহকারী প্রকৈাশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর | সদস্য |
| ৫ | সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা | সদস্য |
| ৬ | উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর | সদস্য |
| ৭ | ভেটেরেনারি ফিল্ড এ্যাসিসট্যান্ট, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর | সদস্য |
| ৮ | ভেটেরেনারি ফিল্ড এ্যাসিসট্যান্ট (কৃত্রিম প্রজনন), প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর | সদস্য |
| ৯ | ফিল্ড এসিসট্যান্ট, মৎস্য অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১০ | উপ-সহকারী কমিউনিটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা; স্বাস্থ্য অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১১ | স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১২ | সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৩ | পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৪ | পরিবার কল্যাণ সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৫ | ইউনিয়ন সমাজকর্মী; সমাজসেবা অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৬ | ইউনিয়ন দলনেতা, আনসার ও ভিডিপি | সদস্য |
| ১৭ | টিউবওয়েল মেকানিক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৮ | কমিউনিটি অর্গানাইজার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর | সদস্য |
| ১৯ | মাঠ সংগঠক, বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ড | সদস্য |
| ২০ | ম্যারেজ রেজিস্ট্রার(কাজী) [আইন,বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত] | সদস্য |
| ২১ | বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ জন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ জন) | সদস্য |
| ২২ | ইউনিয়ন এলাকার মাঠ পর্যায়ে কর্মরত এনজিও প্রতিনিধি ( ১ জন) | সদস্য |
| ২৩ | স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠিত সমাজভিত্তিক (সমিতি, ক্লাব) সংগঠনের প্রতিনিধি (১ জন) | সদস্য |
| ২৪ | স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ( ১ জন) | সদস্য |
| ২৫ | ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রতিনিধি (১ জন) | সদস্য |
| ২৬ | নারী প্রতিনিধি (২ জন) | সদস্য |
| ২৭ | সচিব, ইউনিয়ন পরিষদ | সদস্য-সচিব |
উপজেলা পর্যায়ের দপ্তর প্রধানগণ ইউনিয়ন উন্নয়ন কমিটিতে ইউনিয়নওয়ারি সদস্য মনোনয়ন প্রদান করবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ সভায় আলোচনা করে সদস্য মনোনীত করবে। সকল সদস্য মনোনীত হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদ এ কমিটি সংক্রামত্ম একটি অফিস আদেশ জারি করবে এবং সংশিস্নষ্ট সকলকে অবহিত করবে। ন্যূনপক্ষে প্রতি দু’মাসে একবার ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা অনুষ্ঠানের ০৩ কার্যদিবসের মধ্যে সভার কার্যবিবরণী প্রস্ত্তত করতে হবে এবং ০৭ কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত কার্যবিবরণী উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশিস্নষ্ট সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।
কার্যবিবরণী প্রস্ত্ততে নিম্নোক্ত ‘‘ছক’’ ব্যবহার করা যেতে পারে:
| ক্রমিক নং | আলোচ্যসূচি | আলোচনা | সিদ্ধামত্ম | দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা/ব্যক্তি |
|
|
|
|
|
|
প্রতিটি সভার অমত্মত ০৭ কার্যদিবস পূর্বে বিগত সভার সিদ্ধামত্মসমূহের বাসত্মবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদনসহ সংশিস্নষ্ট সকলকে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা যেতে পারে। ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার সকল সিদ্ধামত্ম উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যগণের মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত হবে। প্রতি ০৩ টি সভার প্রধান প্রধান আলোচনা, সিদ্ধামত্মসমূহ এবং বাসত্মবায়ন অগ্রগতি সম্বলিত একটি প্রতিবেদন উপজেলা পর্যায়ের সকল অফিস প্রধান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
(১) ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি সাধারণভাবে ইউনিয়নের সকল আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাসত্মবায়ন ও সমন্বয় করবে;
(২) ইউনিয়নের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে;
(৩) ইউনিয়ন পর্যায়ে বাসত্মবায়নাধীন সকল বিভাগীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডের বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সুপারিশ প্রদান ও সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা প্রদান করবে;
(৪) সংশিস্নষ্ট ইউনিয়নে বিদ্যমান সেবা প্রদান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে; বাসত্মবভিত্তিক চাহিদা নিরূপণ বা ইউনিয়নে কর্মরত সকল উন্নয়ন সহযোগীর মাধ্যমে নিরূপিত চাহিদা পূরণে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও সমন্বয় সাধন করবে;
(৫) সংশিস্নষ্ট ইউনিয়নের জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সকল উন্নয়ন সহযোগী থেকে প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধন করবে;
(৬) স্থানীয় জনসাধারণের সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, সেবা সরবরাহ কেন্দ্র, উপজেলা পরিষদ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তিবর্গের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপন ও সমন্বয় সাধন করবে;
(৭) স্থানীয় সম্পদের সদ্ব্যবহারে বাসত্মব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে;
(৮) ইউনিয়ন এলাকায় কর্মরত বিভিন্ন সংস্থা/ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক সম্পাদিত কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে;
(৯) স্থানীয় উন্নয়নে উদাহরণ সৃষ্টিকারী ভাল শিক্ষণসমূহের তথ্য সংগ্রহ এবং নিজ এলাকায় বাসত্মবায়নযোগ্য শিক্ষণসমূহ অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই ও বাসত্মবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে; এবং
(১০) ইউনিয়নবাসীর জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(১) প্রত্যেক পরিষদের সম্পত্তি অর্জন, দখলে রাখা ও নিষ্পত্তি করা এবং চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ক্ষমতা থাকবে। তবে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে পরিষদকে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
(২) সরকার নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে:
(ক) পরিষদের মালিকানাধীন বা এর উপর ন্যসত্ম সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, হসত্মামত্মর নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন সংক্রামত্ম।
(খ) পরিষদের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ সংক্রামত্ম।
(৩) পরিষদ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে:
(ক) মালিকানাধীন বা তার উপর বা তার তত্ত্বাবধানে ন্যসত্ম যে কোনো সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিদর্শন ও উন্নয়ন করতে পারবে।
(খ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ বা বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্ত সম্পত্তি কাজে লাগাতে পারবে; এবং
(গ) দান, বিক্রয়, বন্ধক, ইজারা, বিনিময়ের মাধ্যমে যে কোনো সম্পত্তি বিধি অনুযায়ী অর্জন বা হসত্মামত্মর করতে পারবে।
(৪) পরিষদ যথাযথ জরিপের মাধ্যমে এর নিয়ন্ত্রণাধীন সকল সম্পত্তির বিবরণাদি প্রস্ত্তত করে প্রতি বৎসর তা হালনাগাদ করবে এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সম্পদের বিবরণী ও মানচিত্র প্রস্ত্তত করে এর একটি অনুলিপি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করবে।
(৫) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ আইন বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি উপেক্ষা বা লংঘন করে যদি সম্পত্তি অর্জন, দখল ও নিষ্পত্তি করা হয়, তাহলে, তা অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং সংশিস্নষ্ট সিদ্ধামত্ম গ্রহণ ও প্রদানকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ এ আইনের বিধান অনুযায়ী শাসিত্মপ্রাপ্ত হবেন।
সরকার, কোনো পরিষদ বা এর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে অবস্থিত কোনো সরকারি সম্পত্তি সংশিস্নষ্ট আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী উক্ত পরিষদকে হসত্মামত্মর করতে পারবে এবং এরূপ হসত্মামত্মরিত সম্পত্তি ঐ পরিষদের উপর বর্তাবে ও এর নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকবে।
(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সংশিস্নষ্ট পরিষদের নামে একটি তহবিল থাকবে।
(২) এভাবে গঠিত তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎসসমূহ থেকে প্রাপ্ত অর্থ জমা হবে :
(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান ও মঞ্জুরি।
(খ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর বিধান অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সকল স্থানীয় উৎস হতে আয়।
(গ) অন্য কোনো পরিষদ কিংবা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান ও মঞ্জুরি।
(ঘ) সরকার কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ঋণসমূহ (যদি থাকে)।
(ঙ) পরিষদ কর্তৃক, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আদায়কৃত সকল কর, রেইট, টোল, ফিস ও অন্যান্য দাবী বাবদ প্রাপ্ত অর্থ।
(চ) পরিষদের উপর ন্যসত্ম এবং পরিষদ কর্তৃক নির্মিত বা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত বিদ্যালয়, হাসপাতাল, ঔষধালয়, ভবন, প্রতিষ্ঠান বা পূর্তকাজ থেকে প্রাপ্ত সকল আয় বা মুনাফা।
(ছ) কোনো ট্রাস্টের নিকট থেকে উপঢৌকন বা অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত অর্থ।
(জ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর বিধান অনুযায়ী প্রাপ্ত জরিমানা ও অর্থদন্ডের অর্থ।
(ঝ) পরিষদ কর্তৃক প্রাপ্ত অন্য সকল প্রকার অর্থ।
(ঞ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ কার্যকর হওয়ার সময় সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সম্পূর্ণ এখতিয়ারে থাকা উদ্বৃত্ত তহবিল।
(১) তহবিলের অর্থ নিম্নলিখিত খাতসমূহে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যয় করতে হবে:
(ক) পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান;
(খ) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর অধীন তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়;
(গ) আইন বা অধ্যাদেশ দ্বারা ন্যসত্ম পরিষদের দায়িত্ব সম্পাদন ও কর্তব্য পালনের জন্য ব্যয়;
(ঘ) নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনক্রমে পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়; এবং
(ঙ) সরকার কর্তৃক পরিষদের উপর ঘোষিত দায়যুক্ত ব্যয়।
(২) স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিষদ যেরূপ উপযুক্ত মনে করবে পরিষদের তহবিল হতে সেরূপ অর্থ ব্যয় করার ক্ষমতা তার থাকবে।
(৩) তহবিলে জমা খাতে উদ্বৃত্ত অর্থ, সরকার সময়ে সময়ে যেরূপ নির্দেশ দিবে, সেরূপ খাতে ব্যয় হবে।
(৪) পরিষদের তহবিল পরিষদ চেয়ারম্যান ও সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
পরিষদের তহবিলে জমাকৃত অর্থ কোনো সরকারি ট্রেজারিতে বা সরকারি ট্রেজারির কার্য পরিচালনাকারী কোনো ব্যাংকে বা সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রাখতে হবে। পরিষদ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিষদের তহবিলের যে কোনো অংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে পৃথক তহবিল গঠন করতে পারবে যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
(১) পরিষদ তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয় নিম্নরূপ হবে:
(ক) পরিষদের চাকরিতে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে (প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত কিংবা নিজস্ব) বেতন ও ভাতা হিসেবে প্রদেয় সমুদয় অর্থ;
(খ) সরকার কর্তৃক নির্দেশিত পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা, হিসাব নিরীক্ষা বা সময়ে সময়ে সরকারের নির্দেশক্রমে অন্য কোনো বিষয়ের জন্য পরিষদ কর্তৃক প্রদেয় অর্থ;
(গ) কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক পরিষদের বিরম্নদ্ধে প্রদত্ত কোনো রায়, ডিক্রি বা রোয়েদাদ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ; এবং
(ঘ) সরকার কর্তৃক দায়যুক্ত বলে ঘোষিত অন্য যে কোনো ব্যয়।
(২) পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত কোনো ব্যয়ের খাতে যদি কোনো অর্থ অপরিশোধিত থাকে, তা হলে যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের হেফাজতে সংশিস্নষ্ট তহবিল থাকবে সে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে সরকার, আদেশ দ্বারা, উক্ত তহবিল হতে যতদূর সম্ভব সে অর্থ পরিশোধ করার নির্দেশ দিতে পারবে।
(১) ইউনিয়ন পরিষদের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফরমে সংরক্ষণ করতে হবে।
(২) প্রত্যেক অর্থ বৎসরের শেষে ইউনিয়ন পরিষদ উক্ত অর্থ বৎসরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব প্রস্ত্তত করবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সকল স্থায়ী কমিটি ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনে এ হিসাব পেশ করবে।
(৩) ইউনিয়ন পরিষদ পরবর্তী অর্থ বৎসরের ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে পরিষদের আয়-ব্যয়ের চূড়ামত্ম হিসাবের বিবরণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমন্বিত প্রতিবেদন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ছকে জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করবে এবং জেলা প্রশাসক সমন্বিত প্রতিবেদন নির্ধারিত ছকে সরকারের নিকট প্রেরণ করবে।
ইউনিয়ন পরিষদকে যথাসময়ে যথাযথ পদ্ধতি অনুসারে ইউনিয়নের আয় ও ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে। হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে:
যে সকল সম্পত্তি দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহারযোগ্য সেগুলো স্থাবর সম্পত্তি বলে গণ্য হয়। সাধারণ ভান্ডার বা গুদামে থাকা দ্রব্য এবং অফিস স্টেশনারি সামগ্রী অস্থাবর সম্পত্তি বলে গণ্য হয়।
স্থাবর সম্পত্তি:
ইউনিয়ন পরিষদকে তার সকল স্থাবর সম্পত্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সম্পত্তি সহজে চিহ্নিতকরণ, সম্পত্তি ব্যবহারের উপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও দ্বৈততা পরিহারের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নির্ধারণ করা উচিত। ৩১ অক্টোবর ২০১২-এর পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদ একটি নির্দিষ্ট ফরমে তার সকল স্থায়ী ও স্থাবর সম্পত্তির তালিকা প্রস্ত্তত করবে। ৩০ জুন ২০১৩-এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি রেজিস্ট্রার চূড়ামত্ম করা আবশ্যক। এতে ব্যর্থ হলে ইউনিয়ন পরিষদ বিবিজি (৭৫%) এবং পিবিজি বরাদ্দ পাওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবে।
সম্ভব হলে অমোচনীয় কালি দ্বারা প্রত্যেকটি সম্পত্তির একটি শনাক্তকরণ সংখ্যা দিতে হবে। শনাক্তকরণ সংখ্যা প্রদানের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইডি কোড সিস্টেম অনুসরণ করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ: একটি মাটির রাসত্মার নম্বর শনাক্তকরণ সংখ্যা হবে রামা ০৭-২০১৭-০০১ (প্রথম সংখ্যাটি হবে রাসত্মার অবস্থান সম্পর্কিত, দ্বিতীয় সংখ্যা সাল সম্পর্কিত, তৃতীয় সংখ্যাটি ক্রমিক সংখ্যা।
| সম্পত্তির বিবরণ/ সম্পত্তির ধরন | অবস্থান ওয়ার্ড | ক্রয়/ প্রাপ্তির সাল | সম্পত্তির ক্রমিক | শনাক্তকরণ সংখ্যা |
| মাটির রাসত্মা | ০৭ | ২০১৭ | ০০১ | রামা ০৭২০১৭০০১ |
| কম্পিউটার | ০০ | ২০১৭ | ০০২ | কম ০০২০১৭০০২ |
ইউনিয়ন পরিষদের একটি সম্পদ রেজিস্ট্রার থাকা আবশ্যক। ইউনিয়ন পরিষদের সকল স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি এ সম্পদ রেজিস্ট্রারে অমত্মর্ভূক্ত হওয়া সমীচীন। ইউনিয়ন পরিষদের মালিকানাধীন সকল বিষয় সম্পত্তি যেমন রাসত্মা, ব্রিজ, কালভার্ট, মার্কেট, পুকুর, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, ভবন ইত্যাদি সম্পদ রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত হবে। প্রত্যেকটি সম্পদ ক্রয়ের তারিখ, মূল্য, তহবিলের উৎস, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের তারিখ, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের উৎস ইত্যাদি সবই সম্পদ রেজিস্ট্রারে উলেস্নখ থাকবে। রেজিস্ট্রারটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। প্রতি বছরের সম্পদের সংখ্যা এবং পরিমাণ ঐ বছরের ক্রয়ের পরিমাণের সমান হবে। অডিট টিম দ্বারা প্রতি বছর সম্পদ অডিট হবে এবং তা ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হবে।
নিচে সম্পদ রেজিস্ট্রারের একটি নমুনা প্রদান করা হলো :
সম্পদ রেজিস্ট্রার
| ক্রমিক নং | সম্পদের নাম ও অবস্থান | নির্মাণ বা ক্রয়ের তারিখ | মূল্য | তহবিলের উৎস | সর্বশেষ রক্ষণাবেক্ষণের তারিখ | রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ | রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয়িত অর্থের উৎস | পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের তারিখ | মমত্মব্য |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ইউনিয়ন পরিষদের সকল সম্পত্তি ও দলিল পত্রাদি সংরক্ষণের বিষয়ে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসৃত হওয়া আবশ্যক:
ক) সকল সম্পত্তি সম্পদ রেজিস্ট্রারভুক্ত হবে।
খ) সকল দলিল/ডকুমেন্ট ধারাবাহিকভাবে সংশিস্নষ্ট ফাইলে সংরক্ষণ করতে হবে।
গ) সকল ডকুমেন্ট ফাইল, সম্পদ রেজিস্ট্রার অবশ্যই নিরাপদ হেফাজতে সংরক্ষণ করতে হবে। কেবল ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি অর্থাৎ চেয়ারম্যান বা তাঁর দেওয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উক্ত ডকুমেন্ট বা দলিলাদিতে প্রবেশাধিকার থাকবে।
ঘ) কোনো স্কিম বাসত্মবায়ন সমাপ্ত হওয়ার পর অমত্মত ৫(পাঁচ) বছর পর্যমত্ম এ সম্পর্কিত দলিলাদি সংরক্ষণ করতে হবে।
কোনো স্থায়ী সম্পত্তি বিলিবন্দেজ করা নির্ভর করে উক্ত সম্পত্তির অবস্থার উপর। এটা কেবল ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক যথাযথভাবে কর্তৃত্ব প্রদানের পরই হতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী সম্পত্তি নিম্নবর্ণিত দুটি উপায়ে বিলিবন্দেজ করা যেতে পারে:
উভয় ক্ষেত্রে সম্পত্তি বিলিবন্দেজ করার পূর্বে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরজমিনে সম্পত্তি পরিদর্শন করতে হবে। স্থাবর সম্পত্তি বিলিবন্দেজ করার আগে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:
ক) সম্পত্তি ব্যবহারকারী বা এর রক্ষাকর্তাকে উক্ত সম্পত্তি বিলিবন্দেজ করার অনুমতি চেয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিতভাবে অনুরোধ করতে হবে।
খ) অনুরোধ পত্রটি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পর্যালোচনার পর অনুমোদিত হতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন সকল স্থাবর সম্পত্তি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গঠিত কোনো উপযুক্ত কমিটি কর্তৃক প্রত্যক্ষভাবে পরিদর্শন করতে হবে। এ কমিটির সভাপতি হবেন একজন ইউপি সদস্য এবং ইউপি সচিব এর সদস্য সচিব হবেন। উপজেলা পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী বা ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়মিতভাবে এ কমিটির সদস্য হবেন।
ইউনিয়ন পরিষদের আয়ের তিনটি উৎস রয়েছে। এগুলো হলো:
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদ নিম্নবর্ণিত ১৩টি উৎস বা বিষয়ে কর, রেইট, ফিস ইত্যাদি আরোপ ও আদায় করতে পারে।
১। নির্ধারিত পদ্ধতিতে আরোপিত ইমারত/ভূমির বার্ষিক মূল্যের উপর কর অথবা ইউনিয়ন রেইট।
২। পাকা ইমারতের সর্বমোট আয়তনের প্রতি বর্গফুটের উপর নির্ধারিত হারে ইমারত পরিকল্পনা অনুমোদন ফি।
৩। পেশা, ব্যবসা এবং বৃত্তির (কলিং) উপর কর।
৪। সিনেমা, ড্রামা ও নাট্য প্রদর্শনী এবং অন্যান্য আমোদ-প্রমোদ এবং চিত্তবিনোদনের উপর কর।
৫। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স এবং পারমিটের উপর ফি।
৬। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে নির্ধারিত হাট-বাজার এবং ফেরিঘাট হতে ফি (লীজ মানি)।
৭। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে হসত্মামত্মরিত জলমহালের সরকার নির্ধারিত অংশ।
৮। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে অবস্থিত পাথরমহাল, বালুমহালের আয়ের সরকার নির্ধারিত অংশ।
৯। স্থাবর সম্পত্তি হসত্মামত্মরকর বাবদ আয়ের অংশ।
১০। নিকাহ নিবন্ধন ফি।
১১। ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রামত্ম আয়ের অংশ।
১২। বিজ্ঞাপনের উপর কর।
১৩। এ আইনের যে কোনো বিধানের অধীনে অন্য যে কোনো কর।
ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনয়ন। পর্যাপ্ত আয় ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ জনসাধারণকে তাদের প্রত্যাশিত সেবা প্রদান করতে পারবে না। তাদেরকে সবসময় সরকারের করম্নণার উপরে তাকিয়ে থাকতে হয়। সুতরাং কর আদায় বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথভাবে কর নির্ধারণ করা আবশ্যক। ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় রাজস্ব আদায় এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা প্রদান সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আদায় উন্নয়নের জন্য ওয়ার্ড পর্যায়ে একটি রাজস্ব আদায় কমিটি গঠন করা যেতে পারে, যারা ইউনিয়ন পরিষদের কর, ফিস ও অন্যান্য পাওনা আদায়ে সহায়তা করতে পারে। কমিটি আদায়কৃত কর ব্যবহার ও মনিটর করতে পারে। প্রতি পাঁচ বছর অমত্মর কমপক্ষে একবার হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণ করা যেতে পারে। একটি নির্দিষ্ট ফরমে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে এবং জন অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ কর নিরূপণের জন্য লোক নিয়োগ করবে এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কর নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করবে। জনগণকে অধিকতর দায়িত্বশীল করার জন্য স্বনির্ধারিত কর প্রদানকে উৎসাহিত করা হবে। কর নির্ধারণের পর তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে এবং ব্যক্তি পর্যায়ের কোনো আপত্তি উত্থাপিত হলে তা প্রদত্ত সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে নিষ্পত্তি করতে হবে।
যথাযথ রশিদ প্রদানের মাধ্যমে কর আদায় করা হবে। প্রতিটি ব্যক্তির কর প্রদানের অবস্থা নিরূপণের জন্য ট্যাক্স পাস বই ব্যবহার করতে হবে। কর প্রদানকারীর নিকট থেকে কর আদায় করার সময় আদায়কারী ট্যাক্স পাস বইয়ে স্বাক্ষর করবেন। কর আদায়কারী কর্তৃক আদায়কৃত অর্থ ব্যাংক হিসাবে নিয়মিত জমা করতে হবে এবং প্রতিদিন ক্যাশ বই হালনাগাদ করতে হবে। কর থেকে প্রাপ্ত অর্থ কেবল ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদনের পরই ব্যয় করা যাবে।
নিয়মিত ও গুরম্নত্বপূর্ণ করদাতাগণকে ইউনিয়ন পরিষদ তার বাজেট সভায় সম্মান প্রদান করবেন যাতে অন্যান্যগণ কর প্রদান করতে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত হন। রাজস্ব তহবিল দ্বারা গৃহীত উন্নয়ন স্কিম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবে ইউনিয়ন পরিষদ।
ইউনিয়ন পরিষদ তাদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির নিমিত্ত আয় বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ নেবে। বৃক্ষরোপণ, সবজি চাষ, নার্সারি, মৎস্য চাষ, মুরগির খামার এবং মার্কেট নির্মাণ ইত্যাদি ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব আয়ের উৎস হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনকে সমৃদ্ধ করবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদকে জন অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় পঞ্চবার্ষিক ও অন্যান্য বিভিন্ন মেয়াদের পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। ওয়ার্ড সভাসমূহ কর্তৃক পরিকল্পনা সভা আয়োজন করে স্থানীয় জনসাধারণ সমস্যাসমূহ চিহ্নিত ও অগ্রাধিকার নিরূপণ করবে এবং পরিকল্পনায় সেগুলো অমত্মর্ভূক্ত হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা বাসত্মবায়নের সম্ভাব্য বাজেট এবং প্রজেক্ট বাসত্মবায়নের সময়সীমা উলেস্নখ থাকবে। পরিকল্পনা অবশ্যই ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব আয় এবং অন্যান্য সম্ভাব্য সকল আয়ের উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রণীত হবে।
সাধারণত জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং জনগণের প্রয়োজনের অগ্রাধিকার বিবেচনা করে ইউনিয়ন পরিষদ স্কিম বাসত্মবায়ন এবং সেবা প্রদান করে। ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা জাতীয় পরিকল্পনার অংশ। স্থানীয় চাহিদা, জনগণের প্রয়োজনের অগ্রাধিকার, সম্পদের প্রাপ্যতা, কারিগরি দক্ষতা, দারিদ্র হ্রাস এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনার ভিত্তিতে স্কিম নির্বাচন ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এ বর্ণিত কার্যাবলি এবং নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান এবং স্কিম গ্রহণ করবে:
প্রতিটি ইউনিয়নে পরিকল্পনা কমিটি থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য এর সভাপতি বা আহবায়ক হবেন। অন্যান্য সদস্য, ইউপি সচিব, ইউনিয়ন পরিষদে হসত্মামত্মরিত সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ পরিকল্পনা কমিটির সদস্য হবেন। উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিতে পারদর্শী বা দক্ষ কোনো ব্যক্তিকে এ কমিটির সদস্য হিসেবে অমত্মর্ভূক্ত করা যেতে পারে। ইউনিয়নের পরিকল্পনা প্রস্ত্তত করার সময় পরিকল্পনা কমিটি নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে :
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য এটা প্রত্যাশিত যে ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বার্ষিক পরিকল্পনা ও অন্যান্য মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে পরিকল্পনা নিম্নবর্ণিত নীতিমালার আলোকে প্রণীত হওয়া বাঞ্ছনীয়:
ওয়ার্ড সভার সভায় ওয়ার্ডের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিগত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার বিধান রয়েছে। এতে বিগত সভার সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিগত সভার সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ননা হওয়ার বিষয়ে দায়ী থাকবেন।
প্রত্যেক ওয়ার্ড সদস্য সংশিস্নষ্ট সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যকে নিয়ে একত্রে ওয়ার্ডসভার সভা আহবান করবেন এবং এলজিএসপি - ৩ এর বরাদ্দ এবং অন্যান্য বরাদ্দ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করবেন। তাছাড়া পরিকল্পনার প্রক্রিয়া এবং বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।
এলজিএসপি - ৩ এর আওতায় গঠিত ওয়ার্ড কমিটি এ সভার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। এ সভার উদ্দেশ্য হচ্ছে ওয়ার্ড পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্ত্তত এবং অগ্রাধিকার নিরূপণ, ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থাপন করা, যাতে তা ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিকল্পনায় স্থান পায়।
ওয়ার্ড সভার নোটিশ পূর্বেই জারি করতে হবে এবং স্থানীয় জনসাধারণকে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করবে যাতে তারা তাদের ইউনিয়নের প্রসত্মাবিত উন্নয়ন চাহিদা চিহ্নিত করতে পারে।
ইউনিয়ন পরিষদ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। প্রথম বছর এবং পরবর্তী বছরসমূহে যে সকল স্কিম বাসত্মবায়িত হবে তা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উলেস্নখ থাকবে। দ্বিতীয় বৎসরে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সংশোধন করা হবে এবং বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হবে জনগণের চাহিদা ও অগ্রাধিকার বিবেচনা করে।
ওয়ার্ড সভায় ওয়ার্ড কমিটি সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে যাতে ওয়ার্ডের অধিক সংখ্যক মানুষের মতামত গ্রহণ করা সম্ভব হয় এবং সভায় উপস্থিতির পরিমাণ ওয়ার্ডের মোট ভোটার এর ৫ শতাংশের কম না হয়।
ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত মহিলা সদস্য ঐ ওয়ার্ডের নারী সমাজের মতামত উপস্থাপন করার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। ওয়ার্ড সভার মূল সভা অনুষ্ঠানের পূর্বে কেবল মহিলাদের জন্য একটি পৃথক সভা আহবান করা যেতে পারে। এর পর মহিলাদের প্রসত্মাব এবং অগ্রাধিকারসমূহ মহিলা সদস্য ওয়ার্ড সভার সভায় উপস্থাপন করবেন।
ওয়ার্ড সভার প্রতিটি সভায় স্কিম প্রসত্মাবসমূহ, স্কিমের অগ্রাধিকারসমূহ এবং বাসত্মবায়নযোগ্য স্কিম চিহ্নিত করা হবে। অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় মোট ৫টি পর্যায় অনুসরণ করতে হবে (ক) পরিকল্পনা পর্যায়-১: ওয়ার্ড সভার প্রস্ত্ততিমূলক কাজ; (খ) পরিকল্পনা পর্যায়-২: প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ; (গ) পরিকল্পনা পর্যায়-৩: ওয়ার্ড সভার সভা; (ঘ) পরিকল্পনা পর্যায়-৪: ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিকল্পনা; এবং (ঙ) পরিকল্পনা পর্যায়-৫: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং বার্ষিক পরিকল্পনা জনসমক্ষে প্রকাশ।
ওয়ার্ড সভার প্রস্ত্ততিমূলক কাজ
প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ
ওয়ার্ড সভার সভা
ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিকল্পনা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং বার্ষিক পরিকল্পনা জনসমক্ষে প্রকাশ
(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ প্রতি অর্থ বৎসর শুরম্ন হওয়ার অন্যূন ৬০ (ষাট) দিন পূর্বে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওয়ার্ড সভা হতে প্রাপ্ত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উক্ত অর্থ বৎসরের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয় বিবরণী সম্বলিত একটি বাজেট প্রণয়ন করবে।
(২) ইউনিয়ন পরিষদ সংশিস্নষ্ট স্থায়ী কমিটি এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠান করে বাজেট পেশ করবে এবং পরিষদের পরবর্তী সভায় পাসকৃত বাজেটের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারেরর নিকট প্রেরণ করবে।
(৩) কোনো ইউনিয়ন পরিষদ অর্থ বৎসর শুরম্ন হওয়ার পূর্বে উক্ত বাজেট প্রণয়ন করতে ব্যর্থ হলে সংশিস্নষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্ভাব্য আয় ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্ত্তত ও প্রত্যয়ন করবে এবং এরূপ প্রত্যয়নকৃত বিবরণী ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলে গণ্য হবে।
(৪) উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাজেটের অনুলিপি প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাজেটে কোনো ত্রম্নটি থাকলে তা সংশোধন করে পরিষদকে অবহিত করবেন এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বাজেট ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট বলে গণ্য হবে।
(৫) কোনো অর্থ বৎসর শেষ হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময় উক্ত বৎসরের জন্য প্রয়োজন হলে ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন করে বাজেটের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবে এবং উক্ত সংশোধিত বাজেটের ক্ষেত্রেও (৪)- এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।
(৬) ইউনিয়ন পরিষদ দায়িত্বভার গ্রহণের পর অর্থ বৎসরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য বাজেট প্রণয়ন করতে পারবে এবং উক্ত বাজেটের ক্ষেত্রেও এ বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।
অর্থবছর শুরম্নর কমপক্ষে ৬০ দিন পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদ একটি সুনির্দিষ্ট ফরমে সে বছরের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্ত্তত করবে। ওয়ার্ড সভা থেকে অগ্রাধিকার নিরূপণ করে প্রেরিত স্কিমের তালিকার ভিত্তিতে সম্ভাব্য ব্যয় বিবরণী প্রস্ত্তত হবে। এটা হবে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট।
ইউনিয়ন পরিষদ একটি উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন আয়োজন করে সেখানে স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জনসাধারণের উপস্থিতি নিশ্চিত করে বাজেট উপস্থাপন করবে। ইউনিয়ন পরিষদের সভায় বাজেট অনুমোদনের পর তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে প্রেরণ করবে।
যদি কোনো ইউনিয়ন পরিষদ অর্থবছর শুরম্নর পূর্বে তার বার্ষিক বাজেট প্রণয়নে ব্যর্থ হয় তাহলে সংশিস্নষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউনিয়ন পরিষদের জন্য এ বছরের সম্ভাব্য আয় ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্ত্তত করবেন, প্রত্যয়ন করবেন। এটা ঐ ইউনিয়নের অনুমোদিত বাজেট বলে গণ্য হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাজেট প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো অসংগতি থাকলে তা সংশোধন করে ইউনিয়ন পরিষদে ফেরত পাঠাবেন। ইউনিয়ন পরিষদ তার বাজেটের সংশোধন সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর তা অনুমোদিত বাজেট হিসেবে গ্রহণ করবে।
অর্থ বছর শেষ হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়ে বাজেটে কোনো পরিবর্তন জরম্নরী বলে প্রতীয়মান হলে তা সংশোধন করে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবে।
প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ প্রতি বছর মে মাসের শেষ দিকে একটি উন্মুক্ত বাজেট সভার আয়োজন করবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে এপ্রিল মাসের মধ্যে ওয়ার্ড সভায় জনঅংশগ্রহণের ভিত্তিতে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রস্ত্তত সম্পন্ন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভার পূর্বে নিম্নে বর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে :
ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অনুমোদনের সভা হবে একটি বিশেষ গুরম্নত্বপূর্ণ সভা। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশেষ সভা হিসেবে এ সভা আহবান করবেন। ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের নিকট সভার নোটিশের সাথে খসড়া বাজেট প্রেরণ করা হবে। সভায় খসড়া বাজেটের উপর বিসত্মারিত আলোচনা করা হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে বাজেট অনুমোদন হবে। অনুমোদিত বাজেট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পর্যালোচনা ও মতামতের জন্য প্রেরণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাজেটের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাজেটে কোনো ত্রম্নটি থাকলে তা সংশোধন করে পরিষদকে অবহিত করবে যা ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট বলে গণ্য হবে। কোনো ইউনিয়ন পরিষদ অর্থ বছর শুরম্ন হবার পূর্বে বাজেট প্রণয়ন করতে ব্যর্থ হলে সংশিস্নষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্ত্তত ও প্রত্যয়ন করবে প্রত্যয়নকৃত বিবরণী ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলে গণ্য হবে। অনুমোদিত বাজেট ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ড ও ওয়ার্ডের গুরম্নত্বপূর্ণ স্থানে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হবে।
নিচের একটি চিত্রে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রস্ত্তত, বাসত্মবায়ন ও মনিটরিং প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে। বাজেটের সফল বাসত্মবায়ন নির্ভর করে বাজেট বাসত্মবায়ন মনিটরিং-এর উপর। প্রতি ছয় মাস অমত্মর কমপক্ষে একবার বাজেট বাসত্মবায়ন পর্যালোচনা করতে হবে ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে। ওয়ার্ড সভায় বাজেট বাসত্মবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে হবে। প্রয়োজন হলে অনুমোদিত বাজেট পুনর্বিবেচনা করা হবে। এছাড়া অর্থ ও অডিট বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সভায় বাজেট বাসত্মবায়ন সম্পর্কে আলোচনা করবে।
চিত্র
নিম্নের পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক ইউনিয়ন পরিষদসমূহের বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার করে স্কিমসমূহ বাসত্মবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে:
| যোগাযোগ
| স্বাস্থ্য
|
| পানি সরবরাহ
| শিক্ষা
|
| প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা
| কৃষি এবং বাজার
|
| পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
| মানব সম্পদ উন্নয়ন
|
যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং এর অর্থায়ন হয় সরকারি খাত থেকে এবং ব্যয় সরকারি বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় সেহেতু এর হিসাব ও তহবিল সরকার নির্ধারিত সরকারি অডিটর বা বেসরকারি অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট হতে হবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর ৫৯ ধারা মতে অডিট সম্পন্ন হওয়ার পর অডিটর নিম্নবর্ণিত বিষয়ে তার অনুসন্ধানমূলক মতামতসহ খসড়া অডিট রিপোর্ট দাখিল করবেন:
অডিটর ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি চূড়ামত্ম অডিট রিপোর্ট তৈরি করে ইউনিয়ন পরিষদে প্রেরণ করে এর একটি কপি স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব/উপসচিব (অডিট) অডিট রিপোর্ট প্রাপ্য হবেন।
অডিটর কর্তৃক প্রদত্ত অডিট রিপোর্টে বর্ণিত অনিয়ম সম্পর্কে ইউনিয়ন পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবিলম্বে একটি ব্রডসীট জবাব স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব/উপসচিব (অডিট)-এর নিকট প্রেরণ করবেন।
অডিটরগণ নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো দেখবেন:
ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সকল তথ্য জনসাধারণ ও অডিটরের সম্মুখে প্রকাশ করা। ইউনিয়ন পরিষদকে অবশ্যই তার সকল লেনদেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পাদন করতে হবে। অডিট সম্পাদনের জন্য অডিটর ইউনিয়ন পরিষদের নিকট আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত যে তথ্য চাইবেন সে সকল তথ্য দিয়ে অডিট কাজে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বাত্মক সহায়তা করবেন। ইউনিয়ন পরিষদ অডিট সম্পর্কিত রিপোর্ট পরীক্ষা করবেন এবং দফাওয়ারি একটি জবাব সরকারের নিকট প্রেরণ করবেন। অডিট রিপোর্টের জন্য যে ফরম ব্যবহার করা হয় তার নাম ব্রডশীট এবং এর জবাব তৈরি করে ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার বিভাগের অডিট শাখায় প্রেরণ করবেন।
.... .... ........ অর্থবছরের অডিটের ব্রডশীট জবাব
| অডিট আপত্তির বিবরণ | ইউনিয়ন পরিষদের জবাব | উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মতামত ও স্বাক্ষর |
|
|
|
|
|
|
|
|
(১) ইউনিয়ন পরিষদ তহবিলের হিসাবসমূহ সরকার যেরূপ বিহিত করবে, সেরূপ সময় ও স্থানে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত কোনো নিরীক্ষক কর্তৃক পরীক্ষিত ও নিরীক্ষিত হবে।
(২) নিযুক্ত নিরীক্ষক দ-বিধি, ১৮৬০ এর ২১ ধারা মতে জনসেবক (Public Servant) বলে গণ্য হবেন।
(৩) নিরীক্ষক তহবিলের যে সকল হিসাব উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ জানাবেন, পরিষদের চেয়ারম্যান, ক্ষেত্রমত, সে সকল হিসাব নিরীক্ষকের নিকট উপস্থাপন করবেন বা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
* উলেস্নখ্য যে, ইউনিয়ন পরিষদ অবশ্যই অডিট কার্যক্রম সমাপ্তির ছয় মাসের মধ্যে সকল
ধরনের অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি করবে।
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়ে থাকে। দারিদ্র্য নিরসন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম চিহ্নিত করে থাকে এবং তা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। এ সকল প্রকল্পে নিয়োগকৃত অর্থ দ্বারা বিভিন্ন স্কিম বাসত্মবায়ন করা হয়ে থাকে। স্কিম সফল বাসত্মবায়নের জন্য স্কিমের আওতায় বিভিন্ন ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একামত্ম প্রয়োজন। আর সুশাসনের মূল ভিত্তিই হলো স্বচ্ছ ক্রয় ব্যবস্থাপনা।
বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যোই ক্রয় প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট সংস্কার এনেছে এবং এর ফলাফল হিসেবে ২০০৩ সালে পাবলিক প্রক্রিউরমেন্ট রেগুলেশন ২০০৩ নামে গণখাতে ক্রয় ব্যবস্থা চালু করে। পরবর্তী সময়ে পাবলিক প্রক্রিউরমেন্ট এ্যাক্ট-২০০৬ নামে গণখাতে ক্রয় সংক্রামত্ম আইন এবং এরই প্রয়োগ হিসেবে পাবলিক প্রক্রিউরমেন্ট রম্নলস-২০০৮ নামে গণখাতে ক্রয় বিধিমালা চূড়ামত্ম করেছে। এ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো গণখাতে ব্যয়িত অর্থের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে বিনিয়োগের সুফল লাভ নিশ্চিত করা। এ অপারেশনাল ম্যানুয়েলে এলজিএসপি: ৩ এর আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন স্কিম বাসত্মবায়ন কালে মালামাল ও নির্মাণ কাজ ক্রয় সংক্রামত্ম বিষয়ে বিভিন্ন পদ্ধতি ও অনুসরণীয় বিষয়সমূহ সহজতর উপায়ে বর্ণিত হয়েছে। সরকারের মূল ক্রয় নীতিমালার সাথে সংগতি রেখে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ এ অপারেশনাল ম্যানুয়েলে বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসারে সফলভাবে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে বলে আশা করা যায়।
সাধারণ অর্থে ‘ক্রয়’ বলতে চাহিদার বিপরীতে মূল্যের বিনিময়ে কোনো মালামাল বা কোনো কাজ সংগ্রহ ইত্যাদি বোঝানো হয়ে থাকে। এলজিএসপি - ৩ এর আওতায় ক্রয় বলতে অনুমোদিত ক্রয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক অনুমোদিত মূল্যে মালামাল সংগ্রহ বা নির্মাণ/পূর্ত কাজ সম্পাদন ইত্যাদিকে বোঝানো হয়েছে। উলেস্নখ্য যে, ক্রয় কাজে দুটি পক্ষ থাকে, একপক্ষ ক্রয়কারী এবং অপরপক্ষ সরবরাহকারী। ক্রয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ‘ক্রয়কারী’ ও ‘সরবরাহকারী’র মধ্যে কতিপয় শর্ত এবং একটি নীতিমালার ভিত্তিতে ক্রয় কার্যক্রম সম্পাদিত হয় এবং এ ব্যবস্থাকেই ক্রয় ব্যবস্থাপনা বলা হয়ে থাকে।
| বিষয় | সংজ্ঞা | উদাহরণ |
| মালামাল | সরঞ্জামাদি, যন্ত্রপাতি, হাতিয়ার এবং কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় যেকোনো পদার্থ এর অমত্মর্ভূক্ত হবে এবং যা মালামাল/পণ্য/দ্রব্যাদি হিসেবে বিবেচিত হবে | এলজিএসপি:২-এর আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ক্রয়কৃত অথবা ক্রয়তব্য কোনো চেয়ার, টেবিল, সাইকেল, নোটিশবোর্ড ইত্যাদি |
| নির্মাণ/পূর্তকাজ/ মেরামত | স্কিমের জন্য থোক বরাদ্দের আওতায় ক্রয়কৃত কিংবা ক্রয় করা হবে এমন যে কোনো ধরনের নির্মাণ, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কার কাজকে বোঝাবে | স্কিমের আওতায় বিভিন্ন নির্মাণ/পূর্ত কাজসমূহ |
| ক্রয়কারী বা স্কিম কর্তৃপক্ষ | ক্রয় করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ | ইউনিয়ন পরিষদ বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ |
| ক্রয় কমিটি | ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ বা ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কমিটি ক্রয় প্রক্রিয়া পরিচালনা করবেন | ওয়ার্ড কমিটি, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি |
| দরদাতা | ক্রয় প্রক্রিয়ায় এলজিএসপি:২- প্রকল্পের থোক বরাদ্দের অধীনে মালামাল সরবরাহ এবং কাজ সম্পাদনের জন্য কোনো অংশগ্রহণকারী কিংবা সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীকে বোঝাবে | মালামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, নির্মাণ কাজের ঠিকাদার, প্রচার সংস্থা ইত্যাদি |
| দরপত্র সম্পর্কিত নথিপত্র/ ডকুমেন্টস | এলজিএসপি:২- প্রকল্পের থোক বরাদ্দের আওতাভুক্ত দরপত্র আহবানের কাগজপত্র কিংবা মালামাল ক্রয় ও কাজের জন্য প্রসত্মাব অথবা দর সংক্রামত্ম সকল কাগজপত্র বোঝাবে | ক্রয় সংক্রামত্ম নথি, টে-ার নোটিশ, টে-ার ডকুমেন্ট, পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, অনুমোদিত নথি, কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র ইত্যাদি। |
এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় মালামাল ক্রয়, নির্মাণ/পূর্তকাজ সংগ্রহের সময় যথাসম্ভব সতর্কতার সাথে ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, যাতে কোনোরূপ অনিয়ম সংঘটিত না হয়। এ ক্ষেত্রে নিচের আচরণসমূহ পরিহার একামত্ম প্রয়োজন:
যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ বর্ধিত থোক বরাদ্দের আওতায় সহায়তা পাবে, তারা এলজিএসপি - ৩-এর অপারেশনাল ম্যানুয়েলে যে সকল বাসত্মবায়নযোগ্য খাতের তালিকা দেওয়া হয়েছে, কেবল সে সকল খাতের আওতাভূক্ত স্কিমের মালামাল এবং পূর্তকাজ সংগ্রহ করতে পারবে। এ সকল মালামাল ও পূর্তকাজ ব্যতীত অন্য কোনো ক্রয় গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
আলোচ্য এলজিএসপি - ৩- প্রকল্পের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য হলো- এলাকার জনগণের চাহিদা এবং প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে যেন ইউনিয়ন পরিষদ তার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিজেরাই প্রণয়ন করতে পারে এবং তা কার্যকরভাবে বাসত্মবায়ন করতে পারে। এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করলেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষ পেতে সক্ষম হবেন। এ মূলমন্ত্রের ধারক-বাহক হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সচিব, সদস্যগণ, ওয়ার্ড কমিটি, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ও স্কিম সুপারভিশন কমিটি-র ভূমিকা খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ এবং স্কিম বাসত্মবায়নে সংশিস্নষ্ট ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ জ্ঞান না থাকলে তা সফলভাবে সম্পন্ন করা যাবে না। চেয়ারম্যানগণ তাদের নিজ নিজ স্কিম ক্রয় ও বাসত্মবায়নের তদারকিতে সজাগ থাকবেন, ওয়ার্ড কমিটি (ডব্লিউসি) ও স্কিম সুপারভিশন কমিটির (এসএসসি) সদস্যগণ স্কিম নির্বাচন, বাসত্মবায়নএবং তত্ত্বাবধানে যথাযথ ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করবেন, সচিব ক্রয় সংক্রামত্ম কার্যক্রম ও দলিলাদি প্রস্ত্তত, প্রক্রিয়াকরণ এবং সংরক্ষণে সচেষ্ট থাকবেন, সদস্যগণ সঠিক ক্রয় প্রক্রিয়া অনুসৃত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করবেন। প্রয়োজনে ক্রয়কাজের পরবর্তী বছরে গৃহীত ক্রয়কার্যের মূল্যায়ন করবেন এবং মূল্যায়ন ফলাফল থেকে পরবর্তী কালে শিক্ষণীয় কিছু থাকলে তা অনুসরণ করবেন।
এলজিএসপি - ৩-এর অনুমোদিত স্কিমের আওতায় মালামাল/পূর্তকাজ সংগ্রহের জন্য স্পেশিফিকেশন/মানদন্ড ও চাহিদার দিক লক্ষ্য রেখে যথোপযুক্ত ও সাশ্রয়ী মূল্যে নিরপেক্ষতার সাথে ক্রয় প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ইউপির বিভিন্ন সত্মরের সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন কমিটিকে ক্রয় সংক্রামত্ম কমিটি বলা হবে। এলজিএসপি - ৩- এর আওতায় স্থানীয়ভাবে ক্রয় প্রক্রিয়ার পরিচালনার জন্য কয়েকটি সত্মরে কমিটি গঠন করার বিধান রাখা হয়েছে সেগুলো হলো: (১) ওয়ার্ড কমিটি, (২) দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি। এছাড়া স্কিমসমূহ সঠিকভাবে বাসত্মবায়ন তদারকির জন্য স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি রয়েছে।
এ বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:
ইউনিয়ন পরিষদ
ইউনিয়ন পরিষদ এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় সকল ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পাদনের তদারকি করবে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রয় কমিটিসমূহকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে ক্রয় প্রক্রিয়া পরিচালনায় সহায়তা করবে।
যদিও এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় ইউপি পর্যায়ে বিভিন্ন কমিটির গঠন সম্পর্কিত বিষয় ইতোপূর্বে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে; তদুপরি কেবলমাত্র ক্রয়সংশিস্নষ্ট কমিটিসমূহের উলেস্নখযোগ্য দিক সম্পর্কে এখানে আরো বিসত্মারিত আলোচনা করা হলো:
| দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি | ক্রয়/কাজের প্রকৃতি | ক্রয়ের মূল্যসীমা | কি পদ্ধতিতে বা কিভাবে ক্রয় করবেন | মমত্মব্য |
| ওয়ার্ড কমিটি | ক) মালামাল সংগ্রহ, নির্মাণ / পূর্তকাজ
| অনুমোদিত প্রাক্কলিত মূল্য ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যমত্ম। | ক) সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি।
| পদ্ধতির বিসত্মারিত বিবরণ পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। |
| খ) নির্মাণ/পূর্তকাজ | অনুমোদিত প্রাক্কলিত মূল্য ১০,০০,০০০.০০(দশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম | খ) রিকোয়েস্ট ফর কোটেশন (আর এফ কিউ) অর্থাৎ বাজার থেকে কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে | ||
| গ) মালামাল সংগ্রহ | অনুমোদিত প্রাক্কলিত মূল্য ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা পর্যমত্ম | খ) রিকোয়েস্ট ফর কোটেশন (আর এফ কিউ) অর্থাৎ বাজার থেকে কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে | ||
| ঘ) শ্রমঘন কাজের ক্ষেত্রে, যেমন মাটির রাসত্মা তৈরি বা মেরামত, জলাধার তৈরি ইত্যাদি অর্থাৎ যে কাজ শ্রমনির্ভর তা স্থানীয় বাজার থেকে শ্রম সংগ্রহের মাধ্যমে বাসত্মবায়ন | চুক্তি মূল্য ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা পর্যমত্ম | কমিউনিটি ক্রয় পদ্ধতি | ||
| দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি | মালামাল, | প্রাক্কলিত মূল্য ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার থেকে ১০,০০,০০০.০০ (দশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম | উন্মুক্ত ক্রয় পদ্ধতি | পদ্ধতির বিসত্মারিত বিবরণ পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। |
|
| নির্মাণ/পূর্তকাজ | প্রাক্কলিত মূল্য ১০,০০,০০০.০০ (দশ লÿ) টাকা থেকে ২০,০০,০০০.০০ (বিশ লÿ) টকা পর্যমত্ম |
|
|
নোট: স্মরণ রাখতে হবে যে- উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির আওতায় প্রচারাভিযান পরিচালনা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম কাজে বছরে ২৫,০০০ টাকার ঊর্ধ্বে খরচ করা যাবে না।
এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় স্কিম বাসত্মবায়নের জন্য প্রায়োজনীয় মালামাল/পূর্তকাজ সংগ্রহ, যে ব্যবস্থার আওতায় বা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হবে, তাকে ক্রয়-পদ্ধতি বলা হবে।
এলজিএসপি - ৩ প্রকল্পের ক্রয়সংক্রামত্ম কার্যক্রম অত্যমত্ম জরম্নরী বিষয় এবং প্রকল্পের সফলতা ক্রয় কার্যক্রমের পদ্ধতি নির্বাচনের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। কি কি মালামাল বা কি কি পূর্তকাজ করা হবে, তার পদ্ধতি নির্ধারণ করা প্রথম এবং গুরম্নত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। বর্ণিত থোক বরাদ্দের আওতায় ইউপি কর্তৃক যৌক্তিক ক্রয়-পদ্ধতি নির্ধারণ করা একামত্ম প্রয়োজন।
কাজের ধরন এবং পা্রক্কলিত মূল্যের ওপর পদ্ধতি নির্বাচন করা উচিত, যার একটি রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো:
| ক্রয় | এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় স্বীকৃত ক্রয়ের ধরন | ক্রয়ের আওতায় বিবেচ্য বিষয়সমূহ | প্রাক্কলিত মূল্যসীমা |
| ১ | সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি | মালামাল / পূর্তকাজ সংগ্রহ | অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয় ২৫০০০ টাকা পর্যমত্ম |
| ২ | কমিউিনিটি ক্রয় পদ্ধতি | স্থানীয় শ্রমঘন কাজ (মাটির কাজ বা মেরামতের কাজ ইত্যাদি) | অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০০০০০ টাকা |
| ৩ | আরএফকিউ পদ্ধতি | মালামাল | অনুমোদিত ব্যয়৫০০০০০.০০ (পাঁচ লÿ) টাকা পর্যমত্ম |
|
|
| পূর্ত কাজ | ১০,০০,০০০.০০ (দশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম |
| ৪ | উন্মুক্ত ক্রয় পদ্ধতি | মালামাল ইত্যাদি ক্রয় বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে | অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয় ১০০০০০০ (দশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম |
|
|
| পূর্ত কাজ বাসত্মবায়নের ÿÿত্রে | অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয় ২০,০০,০০০.০০ (বিশ লÿ) টাকা পর্যমত্ম |
ইউপি এর আওতায় ২৫,০০০ (পচিশ হাজার) টাকার মধ্যে কোনো মালামাল বা পূর্তকাজ সংগ্রহ করা প্রয়োজন হয় তবে তা ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ অনুমোদিত ওয়ার্ড কমিটি বাজার থেকে সরাসরি সরবরাহকারী/ঠিকাদার/ব্যক্তি বা প্রচারকারী সংস্থার নিকট থেকে তুলনামূলক দরপত্র ছাড়াই ২৫,০০০ (পuঁচশ হাজার) টাকা পর্যমত্ম যে কোনো পরিমাণ মালামাল বা কাজ ক্রয় করতে পারবে। এ পদ্ধতিকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি বলা যায়। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের প্রয়োজন হবে না। এ পদ্ধতি অনুসরণের উদ্দেশ্য হলো:
সরকারি ক্রয় বিধিমালায় (পিপিআর-২০০৮) এ পদ্ধতির অনুসরণের উলেস্নখ থাকায় এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় বিভিন্ন স্কিম বাসত্মবায়নে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে,
দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে যে সকল কাজ স্থানীয় জনগণের মাধ্যমে সরাসরি সম্পাদন করা যায়, তা কমিউনিটি ক্রয়-পদ্ধতরি মাধ্যমে করা যেতে পারে। অনুমোদিত প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০০০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা পর্যমত্ম শ্রমঘন স্কিম বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে সামাজিক ক্রয়পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় সরল শ্রমভিত্তিক কাজ যেমন, মাটিকাটা, বা ভরাটকরণ, মাটির রাসত্মা নির্মাণ, বাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি এ পদ্ধতির আওতাভুক্ত হবে। পদ্ধতি সরকারের ক্রয় নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করা যেতে পারে।
কাজ সম্পাদন
কমিউনিটি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণকালে ওয়ার্ড কমিটি ইউনিয়ন পরিষদের সাথে নিম্নবর্ণিত ছক অনুসারে চুক্তি সম্পাদন করে স্কিম বাসত্মবায়ন করবে। চুক্তিপত্রে প্রকল্প স্থান, কারিগরি বিবরণ, কাজের পরিমাণ, কাজ সম্পাদনের সময়সীমা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলির বিসত্মারিত বিষয়সমূহ উলেস্নখ থাকতে হবে।
.................... জেলার .......................... উপজেলার .............................. ইউপির............ নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কমিটির (প্রথম পক্ষ) প্রতিনিধি হিসেবে জনাব ................................................... পরিষদের (দ্বিতীয় পক্ষ) প্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান এর মধ্যে ............................... কাজের (নির্মাণ/মেরামত ইত্যাদি) জন্য অদ্য .................... তারিখে ...............................................(স্থানে) সম্পাদিত চুক্তিনামা।
চুক্তির শর্তাবলি:
স্বাক্ষর : ১ম পক্ষ স্বাক্ষর : ২য় পক্ষ
সাক্ষী : সাক্ষী :
ওয়ার্ড কমিটি নিজেই যখন স্কিমটি বাসত্মবায়ন করবে তখন কমিটি স্কিমটি বাসত্মবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের সংখ্যা নিরূপণ করবে এবং স্থানীয়ভাবে প্রাপ্য জনবল প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ করবে। উলেস্নখ্য যে, স্থানীয় মজুরির পরিমাণ অবশ্যই বরাদ্দকৃত বাজেট অতিক্রম করবে না এবং শ্রমিকের মজুরি হার প্রচলিত বাজার দরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এসকল বিষয় স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি কর্তৃক নিয়মিতভাবে তদারকি করতে হবে।
তফসিলের বিবরণ ও দরের হার
ইউনিয়ন পরিষদ....................... উপজেলা.......................... জেলা....................
| কাজের বর্ণনা | কাজের একক | কাজের পরিমাণ | প্রয়োজনীয় জনবল/ শ্রমদিবস | প্রতি শ্রমদিবসের মজুরিহার | শ্রমদিবস বাবদ মোট খরচ (৪x৫) | মমত্মব্য |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাক্ষর : ১ম পক্ষ স্বাক্ষর : ২য় পক্ষ
স্কিমের ধরণ অনুযায়ী দৈনিক ভিত্তিতে ব্যয় নির্বাহ করতে হবে বিধায় দৈনন্দিন ব্যয় এবং শ্রমিকের পাওনা পরিশোধের জন্য স্কিম বাসত্মবায়ন কমিটি কর্তৃক অগ্রিম অর্থ গ্রহণের প্রয়োজন হবে এবং যা পরবর্তীতে মাস্টার-রোলে মজুরী পরিশোধের ক্ষেত্রে নিচের ছক ব্যবহার করতে হবে এবং মজুরী পরিশোধের রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে। স্কিম বাসত্মবায়নের জন্য চুক্তি সম্পাদিত হলে ওয়ার্ড কমিটি সর্বোচ্চ ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা পর্যমত্ম অগ্রিম গ্রহণ করতে পারবে এবং গৃহীত অগ্রিম অর্থের বিল সমন্বয় সাপেক্ষে পরবর্তী কিসিত্ম প্রদান করা যাবে।
| ক্রমিক নং (শ্রমিক সংখ্যা) | শ্রমিকের নাম | ঠিকানা | পরিশোধিত টাকার পরিমাণ | মমত্মব্য | টিপসহি/ স্বাক্ষর | ||
| মজুরি | দিন/ পরিমাণ | মোট টাকা | |||||
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ওয়ার্ড কমিটি শ্রমিকের পাওনা অথবা যথাযথ ব্যয় পরিশোধের পর ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধামত্মক্রমে দৈনিক ভিত্তিতে অথবা নির্দিষ্ট সময় অমত্মর নির্ধারিত ফরমে পরবর্তী অগ্রিম গ্রহণের জন্য খরচের বিবরণ জমা দেবে। পরবর্তী কিসিত্ম পাওয়ার লক্ষ্যে ওয়ার্ড কমিটি কর্তৃক অবশ্যই পূর্ববর্তী কিসিত্মর ৭৫% পাওনা মিটানোর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের নিকট মাস্টাররোল বিবরণী জমা প্রদান করা হবে।
স্কিম বাসত্মবায়ন সম্পন্ন হবার পর সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি সংশিস্নষ্ট কাজের সমুদয় খরচের মাস্টাররোলসহ অন্যান্য হিসাব বিবরণী ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের নিকট জমা দিয়ে অগ্রিম সমন্বয় করবে। অন্যথায় কমিটির আহবায়ক পরবর্তী অর্থবৎসরে কোনো নতুন স্কিমের জন্য পুনরায় বিবেচিত হবেন না।
ইউনিয়ন পরিষদের সাথে চুক্তির আওতায় বাসত্মবায়িত স্কিমের মাস্টাররোলসহ যাবতীয় পরিশোধের যথাযথ ভাউচার ওয়ার্ড কমিটি ইউনিয়ন পরিষদ অপারেশনাল ম্যানুয়েল অনুযায়ী সংরক্ষণ করবে। অতঃপর এগুলো ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের জিম্মায় ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে সংরক্ষিত থাকবে।
বাজারে বিদ্যমান এবং যুক্তিসংগত স্বল্প মূল্যের সাধারণ মালামাল বা পূর্তকাজ সম্পর্কিত কাজের জন্য অনুমোদিত প্রাক্কলন ও বাজেট বরাদ্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে কোটেশন প্রদানের জন্য বিভিন্ন সরবরাহকারীদের অনুরোধ করার পদ্ধতিই হলো আরএফকিউ পদ্ধতি।
যখন বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পূর্বে দেওয়া ছকে বর্ণিত প্রকৃতি ও মূল্যসীমার মধ্যে যাবতীয় মালামাল ক্রয় করার সুযোগ রয়েছে এবং তা বাজারে কয়েকটি সুনামধারী প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ সম্ভব, কেবল তখনই এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যুক্তিযুক্ত হবে।
তবে মনে রাখতে হবে যে:
পূর্ত কাজের ÿÿত্রে ১০,০০,০০০.০০ (দশ লক্ষ) টাকা পর্যমত্ম এবং মালামাল ক্রয়ের ÿÿত্রে ৫,০০,০০০.০০ (পাঁচ লÿ) টাকা পর্যমত্ম প্রাক্কলিত ব্যয়ের স্কিমের (শ্রমভিত্তিক স্কিম ছাড়া) অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে আরএফকিউ পদ্ধতি মোতাবেক ক্রয়কারীকে (ওয়ার্ড কমিটি) প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের জন্য লিখিতভাবে দরপত্র আহবান করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন বেশি সংখ্যক সম্ভব দরপত্র পাওয়া যায় এবং সেজন্য ওয়ার্ড কমিটি অধিক সংখ্যক সরবরাহকারী/ঠিকাদারের নিকট দরপত্র আহবানপত্র ইস্যু বা প্রেরণ করবে।
এক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিটিকে নিচের ধাপসমূহ অবশ্যই প্রতিপালন করতে হবে:
ওয়ার্ড কমিটি
(কমিটির ঠিকানা)
| ওয়ার্ডের নং | ইউনিয়ন: |
| উপজেলা: | জেলা: |
নিম্নোক্ত মালামাল/দ্রব্য সরবরাহের জন্য উপর্যুক্ত ঠিকানায় অবস্থিত ওয়ার্ড কমিটি ব্যক্তি/সরবরাহকারী/ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সিলমোহরকৃত দরপত্র আহবান করছে (সরবরাহের উদ্দেশ্য ও ঠিকানা, যেমন, রাসত্মা/কালভার্ট/স্কুলভবন নির্মাণ ইত্যাদির নাম ও স্থান দিতে হবে, অথবা যদি নির্মাণের জন্য না হয় তবে মালামাল সরবরাহের জন্য উপযুক্ত স্থানের নাম দিতে হবে):
| দ্রব্যসামগ্রীর বর্ণনা | একক | একক মূল্য | পরিমাণ | মোট মূল্য |
| আইটেম-১ |
|
|
|
|
| আইটেম-২ |
|
|
|
|
| আইটেম-৩ |
|
|
|
|
শর্তাবলি
১. সিলমোহরকৃত দরপত্র অবশ্যই নিম্নোক্ত ঠিকানায় ............. তারিখ...... ঘটিকায় জমা দিতে হবে (একাধিক স্থানে হবে না)। দরপত্র একই জায়গায় এবং একই তারিখে জনসমক্ষে খোলা হবে। খোলার সময় দরদাতা বা তাদের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত থাকতে পারবেন। দর ওপেনিং শিটে তারা স্বাক্ষর করবেন;
স্বাক্ষর
আহবায়ক, ওয়ার্ড কমিটি
অনুলিপি বিতরণ:
ওয়ার্ড কমিটি
(কমিটির ঠিকানা)
| ওয়ার্ডের নং | ইউনিয়ন: |
| উপজেলা: | জেলা: |
নিম্নবর্ণিত রাসত্মা নির্মাণের জন্য ওায়ার্ড কমিটি ব্যক্তি/সরবরাহকারী/ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সিলমোহরকৃত দরপত্র আহবান করছে (অথবা যদি রাসত্মা ব্যতীত অন্য কাজ হয় তবে যথাযথ বিবরণ উলেস্নখ করতে হবে):
| কাজের বর্ণনা | একক (ঘনমি.) | একক মূল্য | প্রতি আইটেমের জন্য পরিমাণ | মোট মূল্য |
|
|
|
|
|
|
রাসত্মা নির্মাণ (মাটি/ইট বিছানো/ পাকা), যার মাটির কাজের পরিমাণ ডান কলামে দেওয়া আছে এবং আইটেমওয়ারি বর্ণনা (স্পেসিফিকেশনের জন্য সিডিউল দেখুন)।
শর্তাবলি
স্বাক্ষর, আহবায়ক
ওয়ার্ড কমিটি
অনুলিপি বিতরণ :
| ইউনিয়নের নাম: | উপজেলার নাম: | জেলার নাম: |
| আইটেমের বর্ণনা: | পদ্ধতি: | |
দরপত্র আহবানের তারিখ এবং নম্বর:
দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ও সময়:
দরপত্র খোলার তারিখ ও সময়:
| ক্রমিক নং | দরপত্র দাখিলকারীর নাম | উদ্ধৃত মূল্য (টাকায়) | মমত্মব্য |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
দরপত্র দাখিলকারীগণের স্বাক্ষর
ওয়ার্ড কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর
দরপত্র খোলার ছকে দরপত্রদাতা অথবা তাদের প্রতিনিধিগণ যদি উপস্থিত থাকেন, তবে তাঁরা স্বাক্ষর করবেন। আরএফকিউতে অবশ্যই উলেস্নখ থাকবে যে, একাধিক স্থানে দরপত্র দাখিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
| ইউনিয়নের নাম: | উপজেলার নাম: | জেলার নাম: |
দরপত্র আহবানের তারিখ ও নম্বর:
দরপত্র খোলার তারিখ ও সময়:
| ক্র.নং | দরপত্র দাখিলকারীর নাম ও ঠিকানা | উদ্বৃত্ত মূল্য (টাকায়) | মূল্যওয়ারি অবস্থানক্রম | নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন এবং পরিমাণ | দাখিলকৃত স্পেসিফিকেশন এবং পরিমাণ | মূল্যায়ন কমিটির মমত্মব্য এবং সিদ্ধামত্ম/সুপারিশ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ওয়ার্ড কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর ও তারিখ
নিম্নের ছক অনুযায়ী ওয়ার্ড কমিটির আহবায়কের স্বাক্ষরে কার্যাদেশ জারি করা হবে। তবে আহবায়কের অনুপস্থিতিতে কমিটি কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্য আহবায়কের দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যাদেশের অনুলিপি স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটির আহবায়ককে দিতে হবে।
মালামাল সরবরাহের কার্যাদেশ প্রদানের নমুনা
ওয়ার্ড কমিটি (কমিটির ঠিকানা)
| ওয়ার্ড নং | ইউনিয়ন: |
| উপজেলা: | জেলা: |
প্রতি
জনাব/মেসার্স.........................................................................................
ঠিকানা: ..............................................................................................
বিষয় : (দ্রব্যসামগ্রীর নাম) সরবরাহের কার্যাদেশ।
আপনার ........ তারিখের দরপত্র অনুযায়ী আপনাকে আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ওয়ার্ড কমিটি নিম্ন ছকে বর্ণিত পরিমাণ ও মূল্যে বর্ণিত দ্রব্য/মালামাল সরবরাহের জন্যে আপনার দাখিলকৃত দরপত্র সর্বনিম্ন দরপত্র হিসেবে গ্রহণ করেছে।
| দ্রব্যসামগ্রীর বর্ণনা ও পরিমাণ | একক মূল্য | মোট মূল্য |
|
|
|
|
| মোট: (অঙ্কে) | ||
| কথায়: | ||
কার্যকাল ও শর্তাবলি
স্বাক্ষর
আহবায়ক, ওয়ার্ড কমিটি
অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি:
ওয়ার্ড কমিটি (কমিটির ঠিকানা)
| ওয়ার্ড নং | ইউনিয়ন: |
| উপজেলা: | জেলা: |
প্রতি
জনাব/মেসার্স............
ঠিকানা:
বিষয় : (কাজের নাম) সরবরাহের কার্যাদেশ।
আপনার ........ তারিখের দরপত্র অনুযায়ী আপনাকে আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ওয়ার্ড কমিটি নিম্ন ছকে বর্ণিত পরিমাণ ও মূল্যে কাজ সম্পাদনের জন্যে সবনিম্ন গ্রহণযোগ্য দরপত্র হিসেবে আপনার দাখিলকৃত দরপত্র গ্রহণ করেছে।
| কাজের বর্ণনা ও পরিমাণ | একক মূল্য | মোট মূল্য |
|
|
|
|
| মোট: (অঙ্কে) | ||
| কথায়: | ||
স্বাক্ষর
আহবায়ক, ওয়ার্ড কমিটি
অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি :
১. চেয়ারম্যান, ........................ইউপি
২. সচিব, .................... ইউপি
৩. আহবায়ক, স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি, গ্রাম................., ওয়ার্ড নং.......... ইউপি.........
টেন্ডার নোটিশের ৪ নং আইটেমের শর্ত মোতাবেক নিম্নবর্ণিতভাবে মূল্য পরিশোধ করা হবে: (যা ডবিস্নউসি এবং উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হবে)
| ক্রম | আইটেম | পরিশোধের পরিমাণ |
| ক) | ......... কাজ (কাজের বিবরণ বা আনুমানিক শতকরা হার) সমেত্মাষজনকভাবে শেষ হওয়ার পর | কাজ সম্পন্ন এবং সে পরিমাণ বিল দাখিল সাপেক্ষে |
| খ) | .......... কাজ (কাজের বিবরণ বা আনুমানিক শতকরা হার) সমেত্মাষজনকভাবে শেষ হওয়ার পর (অনুরূপ ইত্যাদি আকারে শর্তও দেওয়া যেতে পারে) | |
| গ) | ফিনিশিং কাজের পর এসএসসি ও তৎপরবর্তী কালে ডব্লিউসি কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে | সর্বমোট দাখিলকৃত বিলের ১০০% |
এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় বর্ধিত থোক বরাদ্দ থেকে ছকে বর্ণিত কাজের প্রকৃতি ও মূল্য সীমার আওতায় ক্রয় প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পদ্ধতি হলো উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি। এ বিষয় অনুসরণের জন্য সরকারি ক্রয় বিধিমালায় তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতির কয়েকটি সুফল রয়েছে :
অনুমোদিত স্কিমসমূহের মালামাল, নির্মাণ ও পূর্তকাজের প্রাক্কলিত মূল্য যদি ৫,০০,০০০.০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকার উর্ধ্বে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গঠিত একটি দরপত্র মূল্যায়ন কমিটিকে উন্মুক্ত দরপত্র আহবান পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
এক্ষেত্রে নিম্নরূপ একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠন করতে হবে:
| ১ | একজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি যেমন কলেজের শিক্ষক/স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আহবায়ক করা যেতে পারে। উপযুক্ত ব্যক্তি না পেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনীত একজন সরকারি কর্মকর্তা। | দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন |
| ২ | উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক মনোনীত উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা | কমিটির সদস্য |
| ৩ | ইউনিয়ন পরিষদ সচিব | কমিটির সদস্য সচিব |
| ৪ | ইউনিয়ন হিসাব সহকারী (যদি থাকে) | কমিটির সদস্য |
| ৫ | ইউপি কর্তৃক মনোনীত একজন ইউপি পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারী | কমিটির সদস্য |
ইউনিয়ন পরিষদ:...............
উপজেলা:...................
জেলা:...........
মালামাল/নির্মাণ কাজের দরপত্র আহবান
(মালামাল/নির্মাণ কাজের বিবরণ)
................................. উপজেলাধীন ......................... ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিএসপি:২ প্রকল্পের আওতায় ........... মালামাল সরবরাহ/নির্মাণ কাজের জন্য প্রকৃত ব্যবসায়ী/দরপত্র দাতাদের নিকট সিলমোহরকৃত দরপত্র আহবান করা যাচ্ছে।
আগ্রহী দরদাতা/প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি কর্তৃক দরপত্র দলিলের শর্তাবলি মোতাবেক দরপত্র দাখিল করতে হবে। দরপত্র দলিল নিম্নস্বাক্ষরকারীর দপ্তর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
দরপত্র/প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তির কোনো জ্ঞাতব্য থাকলে তারা নিম্নস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে .......... তারিখ পর্যমত্ম অফিস চলাকালে যোগাযোগ করতে পারবেন।
দরপত্র দলিলের শর্ত মোতাবেক প্রণীত দরপত্র অবশ্যই ............. তারিখ ........... ঘটিকার মধ্যে বা তৎপূর্বে নিম্নস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে দাখিল করতে হবে।
স্বাক্ষর
চেয়ারম্যান
ইউপি..........
অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলো:
১.
২.
৩.
৪.
৫.
(ইউনিয়ন পরিষদের নাম)
.................................. কাজের জন্য দরপত্র দলিল
এলজিএসপি:২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
নোটিশ
................ ইউনিয়ন পরিষদের অধীন .............. স্থানে. ........... কাজের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মালামাল/দ্রব্যাদি সরবরাহ) জন্য অনুরূপ কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন (কাজের ধরনের ভিত্তিতে অনুরূপ কাজ/ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে অতীত অভিজ্ঞতার বিবরণ উলেস্নখ করতে হবে) ঠিকাদার/ব্যবসায়ী/ব্যক্তির নিকট থেকে সিলমোহরকৃত দরপত্র আহবান করা যাচ্ছে।
শর্ত এবং নিয়মাবলি
স্বাক্ষর
চেয়ারম্যান,
.................... ইউনিয়ন পরিষদ
অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলো:
১.
২.
৩.
|
ইউনিয়ন পরিষদ:....................
উপজেলা:................
জেলা:........................
| কাজের বর্ণনা ও অবস্থান | কাজের একক | কাজের পরিমাণ | একক মূল্য (টাকা) | মোট মূল্য (টাকা) | দরদাতা কর্তৃক প্রসত্মাবিত বাসত্মবায়নের নির্ধারিত সময়সীমা | দর বহাল থাকার প্রসত্মাবিত সময়সীমা |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫(৩x৪) | ৬ | ৭ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাক্ষর
দরদাতা/ব্যবসায়ী/সরবরাহকারী/ব্যক্তি
|
ইউনিয়ন পরিষদ:.............................
উপজেলা:............................. জেলা:............................
কাজের বিবরণ:
ক্রয়পদ্ধতি:
দরপত্র / কোটেশন আহবানের তারিখ ও নম্বর:
দরপত্র / কোটেশন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ:
দরপত্র খোলার তারিখ:...................
| ক্রমিক নং | দরদাতার নাম ও ঠিকানা | উদ্ধৃত মূল্য | মমত্মব্য |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
| ৭ |
|
|
|
| ৮ |
|
|
|
| ৯ |
|
|
|
| ১০ |
|
|
|
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর দরদাতাদের স্বাক্ষর
| দরপত্র দলিলে আরো উলেস্নখ থাকবে যে, একাধিক স্থানে দরপত্র দাখিল গ্রহণযোগ্য হবে না। |
| ইউপি প্রয়োজন বোধে ইউনিয়ন অথবা উপজেলা পর্যায়ের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তার নিকট থেকে কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করবে। |
| দরপত্র দলিল পাওয়ার পরপর ইউপি সচিব দরপত্রের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আগ্রহী দরদাতাদের মধ্যে বিতরণ/বিক্রয়ের ব্যবস্থা করবে। |
| ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় সকল ক্রয়সংক্রামত্ম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দলিলাদি প্রস্ত্তত করবে এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তা স্বাক্ষর করবেন। |
| ইউপি সচিব এতদসংশিস্নষ্ট সকল রেকর্ড এবং দরপত্র বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত অর্থের সমুদয় হিসাব সংরক্ষণ করবে। |
ইউনিয়ন পরিষদ: .............................
উপজেলা: ......................
জেলা: ................
দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদন
|
| মূল্যায়ন মাপকাঠি | দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ | |||||
|
| দরদাতার যোগ্যতা (অতীত অভিজ্ঞতা, কর্ম-বিবরণী, ইত্যাদি) (গ্রহণযোগ্য/ গ্রহণযোগ্য নয়) | সরবরাহের লক্ষ্যে প্রসত্মাবিত কাজের/ মালামালের স্পেসিফিকেশন (অনুসৃত/ অনুসৃত নয়) | দরপত্রের অন্যান্য শর্তাবলি (অনুসৃত/ অনুসৃত নয়) | উদ্ধৃত একক মূল্য | উদ্ধৃত মূল্য | সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা | উদ্ধৃত মূল্য অনুযায়ী অবস্থান |
|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ |
| দরপত্র - ১ |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র - ২ |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র - ৩ |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র - ৪ |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র - ৫ |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র - ৬ |
|
|
|
|
|
|
|
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর
|
![]() |
স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি (এসএসসি) অপারেশনাল ম্যানুয়েলে বর্ণিত কর্মপরিধি ও দায়িত্বের আওতায় স্কিমের বাসত্মবায়ন তত্ত্বাবধান করবে। এক্ষেত্রে সকল স্কিম তত্ত্বাবধান কাজে ডবিস্নউসি এসএসসিকে দৈনন্দিন ভিত্তিতে সহযোগিতা দিবে।
ঠিকাদারদের মাধ্যমে স্কিম বাসত্মবয়নের ক্ষেত্রে এসএসসি স্থানীয় নজরদারিতে নিশ্চিত করবে। স্কিমসমূহের কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র চূড়ামত্ম এবং চূড়ামত্ম ডিজাইন ও খরচের হিসাবের একটি কপি সংশিস্নষ্ট এসএসসিসমূহকে সরবরাহ করতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ইউনিয়ন পরিষদের ক্রয়প্রক্রিয়া-সংশিস্নষ্ট সকল কাগজপত্র যথাযথভাবে নথিভুক্ত করে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজনে অডিট বা সরকারের চাহিদা অনুসারে তা পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পেশ করবেন।
| ক্রয় পদ্ধতি | স্কিমপ্রস্ত্তত, স্কিম অনুমোদন, দরপত্র প্রস্ত্তত, কাজের বর্ণনা | দরপত্র প্রেরণ বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা | দরপত্র খোলা ও দরপত্র মূল্যায়ন | কার্যাদেশ প্রদান ও চুক্তি |
| সরাসরি ক্রয় | বার্ষিক ক্রয়, পরিকল্পনার সময়সূচি অনুযায়ী কাজের পরিধি বা মানদ- (স্পেসিফিকেশন) নির্ধারণ করে দর যাচাই করে বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় | ছক অনুযায়ী | ||
| রিকোয়েস্ট ফর কোটেশন (আরএফকিউ) | কাজের পরিধি বা মানদ- (স্পেসিফিকেশন) নির্ধারণ করে দরপত্র আহবান ছক অনুযায়ী দরপত্রসংশিস্নষ্ট সরবরাহকারীর নিকট প্রেরণ | ১-২ সপ্তাহ | দরপ্রাপ্তির পর বিলম্ব না করে মূল্যায়ন করবে | মূল্যায়নের ৩ দিনের মধ্যেই ডবিস্নউসি এর আহবায়কের স্বাক্ষরে কার্যাদেশ |
| উন্মুক্ত দরপত্র | কাজের পরিধি বা মানদ- (স্পেসিফিকেশন) নির্ধারণ করে দরপত্র আহবান ছক অনুযায়ী দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ১টি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ, সরকারি অফিসসমূহের অফিস বোর্ডে, বণিক সমিতির অফিস ও প্রকাশ্য স্থানে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। | কমপক্ষে ১৪ দিন | সর্বোচ্চ ১৫ দিন | ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইউপি সচিবের স্বাক্ষরে কার্যাদেশ |
| স্মরণ রাখতে হবে:
| ||||
| উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি সপ্তাহ | |||||||
|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ |
| দরপত্র জমাদানের সময়সীমা |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র মূল্যায়ন |
|
|
|
|
|
|
|
| কার্যাদেশ |
|
|
|
|
|
|
|
| আরএফকিউ পদ্ধতি সপ্তাহ | |||||||
|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ |
| দরপত্র জমাদানের সময়সীমা |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্র মূল্যায়ন |
|
|
|
|
|
|
|
| কার্যাদেশ |
|
|
|
|
|
|
|
এলজিএসপির আওতায় গৃহীত বিভিন্ন স্কিমের ক্রয় ও বাসত্মবায়নের অগ্রগতি ও সমস্যা সংক্রামত্ম প্রতিবেদন ইউপি কর্তৃক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সংশিস্নষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন। সংশিস্নষ্ট ইউএনও তার অধীনস্থ সকল ইউপির প্রতিবেদন একীভূত ও সংকলিত করে স্থানীয় সরকার বিভাগের নিকট প্রেরণ করবেন। ইউপি স্কিমের নাম, স্কিমের মোট খরচ এবং বাসত্মব ও আর্থিক অগ্রগতি, সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডসমূহের নম্বর ইত্যাদি তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন তৈরি করবেন। এ সকল তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রয়োজনীয় তদারকি ও মূল্যায়ন করবে।
উপজেলা..................................জেলা...............................
ত্রৈমাসিক (..................................থেকে............................পর্যমত্ম)
| ক্রমিক নং | স্কিমের নাম | ওয়ার্ড নং | বাসত্মবায়নের অবস্থা | মমত্মব্য | |||
|
|
|
| ক্রয়ের প্রকার | মোট খরচ | বাসত্মব অগ্রগতি(%) | আর্থিক অগ্রগতি (টাকায়) |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাক্ষর
ইউপি চেয়ারম্যান
উপজেলা......................................জেলা...........................................
ত্রৈমাসিক (.......................................থেকে.................................পর্যমত্ম)
| ক্রমিক নং | স্কিমের নাম | ওয়ার্ড নং | বাসত্মবায়নের অবস্থা | মমত্মব্য | |||
|
|
|
| ক্রয়ের প্রকার | মোট খরচ | বাসত্মব অগ্রগতি(%) | আর্থিক অগ্রগতি (টাকায়) |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
স্বাক্ষর
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনগণকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের জন্য এলজিএসপি:২-এর আওতায় গৃহীত ক্রয়সম্পর্কিত তথ্যাদি জনগণকে অবহিত করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে।
অনিষ্পন্ন অভিযোগসমূহের ক্ষেত্রে থোক বরাদ্দ সমন্বয় কমিটি প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওই অভিযোগসমূহ স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করবে।
অভিযোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও তদমত্ম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিজিসিসি সর্বোচ্চ সততা, নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখবেন।
এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় গৃহীত সকল ক্রয় ও চুক্তি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক নিয়মিতভাবে নিরীক্ষিত হবে। স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, এ নিরীক্ষা কার্যক্রমে নিরীক্ষক বা স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক নিরীক্ষা ও যাচাই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো বিরূপ মমত্মব্য প্রতিষ্ঠিত হলে বর্ধিত থোক বরাদ্দ থেকে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ বঞ্চিত হবে।
এক্ষেত্রে উলেস্নখ করা যেতে পারে যে, স্থানীয় সরকার বিভাগ তার প্রতিনিধি বা পরামর্শক নিয়োগের মাধ্যমে এলজিএসপি-এর আওতায় থোক বরাদ্দ দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সম্পাদিত সকল কাজ/চুক্তির কমপক্ষে শতকরা পনের (১৫) ভাগ কাজ/চুক্তির, এবং একই সঙ্গে সম্পাদিত সকল কাজ/চুক্তির মোট মূল্যায়নের শতকরা বিশ (২০) ভাগ পরিমাণ কাজের ক্রয়োত্তর অডিট (পর্যালোচনা) করবে। এ অডিটে (পর্যালোচনা) পরিলক্ষিত সকল পর্যবেক্ষণ বিশ্বব্যাংকের সাথে আলোচিত হবে এবং ক্রয়প্রক্রিয়ার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গৃহীত হবে। এ ক্রয়োত্তর অডিট (পর্যালোচনা) প্রক্রিয়ায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে কাজ/চুক্তি সম্পাদনের স্থানসমূহ পরিদর্শন ও কাজ থেকে চূড়ামত্ম উদ্দেশ্য অর্জনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি অমত্মর্ভূক্ত থাকবে।
প্রয়োজনে বিশ্বব্যাংক ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক এলজিএসপি - ৩-এর থোক বরাদ্দের আওতায় সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে কমপক্ষে শতকরা বিশ ভাগের ক্ষেত্রে ত্রয়োত্তর অডিট সম্পন্ন করবে। বিশ্বব্যাংকের এ ক্রয়োত্তর অডিট পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে কাজ/চুক্তি সম্পাদনের স্থানসমূহ পরিদর্শন ও কাজ থেকে চূড়ামত্ম উদ্দেশ্য অর্জনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি অমত্মর্ভূক্ত থাকবে।
এলজিএসপি - ৩-এর বর্ধিত থোক বরাদ্দের আওতায় গৃহীত স্কিমসমূহের ক্রয়প্রক্রিয়া ও বাসত্মবায়নকালে অনুমোদিত ক্রয় প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
| ক্রমিক নং | বাধ্যতামূলক বিষয়সমূহ | সূচক | নিয়মভঙ্গকরণ | নিষেধাজ্ঞা |
| ১. | ইউপিতে কর্মক্ষম জনবল থাকা | বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক গঠিত হওয়া | বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসারে ডবিস্নউসি এবং এসএসসি গঠিত না হওয়া | থোক বরাদ্দ পাওয়া যাবে না |
| ২. | স্থানীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের নীতি বিদ্যমান থাকা | হিসাব নিরীক্ষা সংক্রামত্ম তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশের নীতি অনুসরণ | কাজের সুযোগ কার্যাদেশ প্রদান এবং যৌক্তিকতা সংক্রামত্ম তথ্য সরবরাহ না করা | তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয় সংক্রামত্ম কার্যাবলি এবং থোক বরাদ্দ স্থগিত করা |
| ৩. | ইউপি পর্যায়ে ক্রয়প্রক্রিয়া বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে নীতিগত বাধ্যবাধকতা মেনে চলা | হিসাব নিরীক্ষা সংক্রামত্ম প্রতিবেদন | ক্রয় প্রক্রিয়ায় ক্রয় পদ্ধতি, দরদাতাদের মূল্যায়ন এবং কার্যাদেশ প্রদান সংক্রামত্ম নীতিমালা লঙ্ঘন | তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয় সংক্রামত্ম কার্যাবলি এবং থোক বরাদ্দ স্থগিত করা |
| ক্রম | বিষয় | নির্ধারিত মোট কার্যদিবস | |
| ১ | ইউপি কর্তৃক স্কিমসমূহের অনুমোদন |
| ৩৫ |
| ২ | দরপত্র আহবানের পর দরপত্র জমাদান |
|
|
|
|
| (ক) আরএফকিউ ক্ষেত্রে | ১-২ সপ্তাহ |
|
|
| (খ) উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে | ১৪ কার্যদিবস |
| ৩ | প্রাপ্ত কোটেশন/দরপত্র মূল্যায়ন |
|
|
|
|
| (ক)আরএফকিউ-এর ক্ষেত্রে | যথাসম্ভব শীঘ্র |
|
|
| (খ) উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে | ১৫ কার্যদিবস |
| ৪ | কার্যাদেশ/সরবরাহ আদেশ প্রদান করা আরএফকিউ এবং উন্মুক্ত অর্থাৎ উভয় দরপত্রের ক্ষেত্রে |
| অনুমোদনসাপেক্ষে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে
|
ঠিকাদারী কাজ, সেবা গ্রহন অথবা মালামাল সরবরাহের বিপরীতে অর্থ পরিশোধের ÿÿত্রে উৎস কর হিসাবে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ধারা ৫২ এবং আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী আয়কর এবং মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এবং মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা, ১৯৯১ অনুযায়ী মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) কর্তন প্রযোজ্য হবে। উক্ত আইন ও বিধিমালার আওতায় সরবরাহকারী/ঠিকাদারকে অর্থ পরিশোধকালে সংশিস্নষ্ট অর্থ বছরের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হারে আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) কর্তন নিশ্চিত করতে হবে। অর্থ পরিশোধের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি উৎস কর কর্তনের দ্বায়িত্ব পালন করবেন। আংশিক অর্থ পরিশোধ বা অগ্রিম পরিশোধের ÿÿত্রেও অনুরম্নপ ভাবে উৎসকর কর্তন করতে হবে।
উৎসে কর্তনকৃত আয়কর ও ভ্যাটের অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশিস্নষ্ট কমিশনারেটের অনুকূলে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোডে সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে। যথাযথ হারে উৎসে আয়কর ও ভ্যাট কর্তন এবং কর্তনকৃত অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারী কোষাগারে জমাপ্রদানে ব্যর্থতার বিষয়টি আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আইন মোতাবেক শাসিত্মযোগ্য অপরাধ।
সরকার যে কোন সময় উৎসে কর কর্তনের খাতসহ করের হার পরিমার্জন, পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করতে পারে। উৎসে আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) কর্তনের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্যের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত গেজেট, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারীকৃত প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র, বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি অনুসরন করতে হবে। এতদসংক্রামত্ম তথ্যের প্রয়োজনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েব সাইট (www.nbr.gov.bd) পরিদর্শন করা যেতে পারে।
|
|
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর চতুর্দশ অধ্যায়ে তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে। ইউনিয়ন পরিষদকে তা যথাযথভাবে পালন ও অনুসরণ করতে হবে। উক্ত আইন অনুসারে, জনগণকে ইউনিয়ন পরিষদ যেসকল সেবা প্রদান করবে তার বিসত্মারিত বিবরণ, বিদ্যমান বা প্রদানযোগ্য সেবাসমূহের শর্ত এবং এসব সেবা লাভের জন্য কি পরিমাণ সময় দরকার, তা ইউনিয়ন পরিষদ জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করবে। এধরনের প্রকাশিত বিবরণকে বলা হয় সিটিজেন চার্টার।
ইউনিয়ন পরিষদের সিটিজেন চার্টার প্রকাশ সম্পর্কে সরকার একটি নির্দেশিকা ও বিধি প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন। যার মধ্যে থাকবে:
ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় চাহিদা এবং বাসত্মবতার নিরিখে তাদের সিটিজেন চার্টার হালনাগাদ করতে পারবে, পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ করতে পারবে। ইউনিয়ন পরিষদের সিটিজেন চার্টার পরিবর্তন করে তা বাসত্মবভিত্তিকায়নের পূর্বে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়। সরকার এক্ষেত্রে আর্থিক, কারিগরি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সহায়তা প্রদান করতে পারে। উন্নত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ তাদের সেবা প্রদান সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে পারে এবং সিটিজেন চার্টারে যেসকল সেবার কথা বলা হয়েছে সেগুলোসহ সরকার জনগণকে যে সেবা প্রদান করছেন তা জনগণকে অবহিত করতে পারে। সর্বসাধারণের জন্য তথ্য উন্মুক্ত করা এবং তথ্যের প্রবাহ উন্নত ও গতিশীল করার অভিন্ন পথ তৈরির লক্ষ্যে সকল ইউনিয়নে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি) প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে ইউআইএসসিতে ২৯ ধরনের সরকারি এবং ২৯ ধরনের বেসরকারি সেবা লাভের সুযোগ রয়েছে।
সেবাগুলো হচ্ছে:
সরকারি : নাগরিক সনদ, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, সরকারি ফরম ডাউনলোড, জমির পর্চার আবেদন, সকল প্রকার নাগরিক আবেদন, জীবন বীমা, টেলিমেডিসিন, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন, ভিসা ভেরিফিকেশন ও ট্র্যাকিং, অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ও নবায়ন, অনলাইনে সরকারি বন্ড ক্রয়ের আবেদন প্রসেস, অনলাইন সরকারি টেন্ডারের আবেদন, শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইন অবসরভাতার আবেদন, মোবাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরামর্শ, মোবাইলে কৃষি পরামর্শ, আইনি সহায়তা, তথ্যসেবা-আইন, কৃষি ইত্যাদি, ই-পুঁজি, স্ট্যাম্প বিক্রি (ডিসি অফিসের ভেন্ডার লাইসেন্স), সরকারি প্রজ্ঞাপন ও বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড, পানি পরীক্ষা, মাটি পরীক্ষা (এসআরডিআই), ইউপি চেয়ারম্যানদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি ডকুমেন্ট প্রণয়ন, সরকারি বিভিন্ন প্রচারণা কাজে লজিস্টিক সাপোর্ট।
বেসরকারি সেবা : কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ছবি তোলা, ই-মেইল, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, চাকরি বিজ্ঞপ্তি দেখা ও অনলাইনে আবেদন, ভিওআইপির মাধ্যমে বিদেশে টেলিফোন, স্কাইপির মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং, সামাজিক অনুষ্ঠানের ভিডিও রেকর্ডিং/এডিটিং, কম্পোজ/প্রিন্ট - দলিল লেখা, মোবাইল ব্যাংকিং, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি শিক্ষা, সার্ভিস ক্যাম্পের মাধ্যমে কৃষি পরামর্শ, সার্ভিস ক্যাম্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরামর্শ, সার্ভিস ক্যাম্পের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ, ওজন ও উচ্চতা পরিমাপ, জ্ঞান সেবা (কৃষি-প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন), জ্ঞান সেবা (মৎস্য-প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন), জ্ঞান সেবা (পোলল্ট্রি- প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন), সোলার সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট, স্ক্যান, ফটোকপি, লেমিনেশন, মোবাইল ফোন কল, মোবাইলে টাকা লোড, মোবাইল মেরামত, মোবাইলের সিম বিক্রি, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর খেলা ও মুভি প্রদর্শন, নেবুলাইজার ভাড়া। ইউআইএসসির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য তা সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগের সমন্বয়ে পরিচালিত করার সুপারিশ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের উচিত হবে এর কমপ্লেক্সে ইউআইএসসির জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা বরাদ্দ রাখা। ইউআইএসসির পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা উচিত। স্থানীয় জনসাধারণের বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে ইউআইএসসি থেকে সেবা পাওয়ার অধিকার থাকা প্রয়োজন। যতক্ষণ কোনো বেসরকারি উদ্যোক্তা পাওয়া না যায় ততক্ষণ ইউনিয়ন পরিষদ তার বাজেট এবং ইউআইএসসির আয় থেকে একজন নারী ও একজন পুরুষ অপারেটর নিয়োজিত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করবে। এ থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ইউআইএসসির রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হবে। ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে যত তথ্যাদি আছে সবকিছু ইউআইএসসিতে কম্পিউটারে আপলোড করা প্রয়োজন হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গৃহীত তার সকল উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারণকে আবহিত করবে। ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে নোটিশ বোর্ড, বিল বোর্ড, তথ্যবোর্ড, ইত্যাদির মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য তথ্য প্রকাশ করতে পারে। স্কিমের নোটিশ বোর্ডটি স্কিম এলাকার বিলবোর্ড ও তথ্যবোর্ড ওয়ার্ডে অথবা ইউনিয়নের মধ্যে যে স্থানে ব্যাপক লোক সমাগম হয় সেখানে স্থাপন করা যেতে পারে। এসব বোর্ড বাংলায় এবং পানিতে মুছে যাবে না এমন কালিতে দৃষ্টিগ্রাহ্য আকারে লেখা হতে হবে।
| ......................... প্রজেক্ট |
| স্কিম তথ্য বোর্ড |
| স্কিমের নাম: ................................................................................. |
| অবস্থান: ...................................................................................... |
| নমুনা (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, মাটির কাজের পরিমাণ ইত্যাদি) |
| ব্যয়: .......................................................................................... |
| স্কিম/প্রজেক্ট বাসত্মবায়নকমিটির সদস্য অথবা ঠিকাদারের নাম |
| ১। |
| ২। |
| ৩। |
| স্কিম তত্ত্ববধান কমিটির সদস্য অথবা ঠিকাদারের নাম |
| ১। |
| ২। |
| ৩। |
| ............................ ইউনিয়ন পরিষদ ...................... ওয়ার্ড |
ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সেবা নিজে প্রদান করা এবং কিছু সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাজের সমন্বয় সাধন করা। ইউনিয়ন পরিষদ নিয়মিতভাবে যেসকল সেবা প্রদান করে থাকে সেগুলো হলো:
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ অনুসারে জাতি, ধর্ম, বর্ণ,গোষ্ঠী, লিঙ্গ নির্বিশেষে নিবন্ধক সকল ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বইয়ে নিবন্ধন করবেন। এখানে নিবন্ধক বলতে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য।
ক. সকল ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করা।
খ. নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, এবং ফরম,রেজিস্ট্রার ও সনদ ছাপানো বা সংগ্রহ
করা।
গ. নিবন্ধন সংক্রামত্ম নথিপত্র বা নিবন্ধক বহি সংরক্ষণ করা।
ঘ. জন্ম ও মৃত্যু সনদ সরবরাহ করা।
এছাড়া কোনো ব্যক্তির নিবন্ধন করার জন্য প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে তিনি নিজে অথবা অন্য কারো দ্বারা তদমত্ম করতে পারবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারও জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা না হলে ঐ ব্যক্তির পিতা মাতা বা পুত্র বা অভিভাবককে ঐ ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু সম্পর্কে তথ্য প্রদানের জন্য নোটিশ দিতে পারবেন। শিশুর পিতা মাতা বা অভিভাবক শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম সম্পর্কিত তথ্য নিবন্ধকের নিকট প্রদান করতে বাধ্য। তেমনি কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৩০ দিনের মধ্যে ঐ ব্যক্তির পুত্র, কন্যা বা অভিভাবককে ঐ ব্যক্তির মৃত্যু সম্পর্কিত তথ্য নিবন্ধকের নিকট প্রদান করা বাধ্যতামূলক। জন্ম নিবন্ধনের পূর্বে শিশুর নাম নির্ধারণ করতে হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে নাম নির্ধারণ করা না গেলে পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধকের নিকট নাম সরবরাহ করতে হবে।
নিম্নবর্ণিত কারণে জন্ম নিবন্ধন সনদ খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ:
১. জাতীয়তা এবং নাগরিক সনদ নিশ্চিত করা।
২. বয়স প্রমাণের অনুকূলে সাক্ষ্য।
৩. শিশু বিবাহ রোধ করা।
৪. শিশু শ্রম বন্ধ করা।
৫. শিশু কিশোরদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করা।
৬. যথাযথ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা।
৭. প্রকৃত জনসংখ্যা নির্ধারণ।
৮. বয়সের মিথ্যা ঘোষণা বন্ধ করা।
৯. শিশুর উন্নয়নে জাতীয় পরিকল্পনা নিশ্চিত করা।
১০. শিশুর অধিকার নিশ্চিত করা।
১১. জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্ত্ততে সহায়তা করা।
কোনো ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যুর বৃত্তান্ত সম্পর্কিত কোনো সমস্যা দেখা দিলে জন্ম ও মৃত্যু সনদ সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
নিম্নবর্ণিত কয়েকটি ক্ষেত্রে জন্ম সনদ ব্যবহার করতে হবে:
নিম্নবর্ণিত কারণে মৃত্যু নিবন্ধন অত্যমত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ:
১) নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধকের নিকট তথ্য প্রেরণ করিতে পারিবেন, যথা:
২) কোনো ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু সংক্রামত্ম তথ্য উপরে উলিস্নখিত ব্যক্তির নিকট সরবরাহ করলে তিনি নিজে তা নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন অথবা তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে নিবন্ধনের পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।
জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা ফরম ব্যবহার করা হয়। এ ফরম অত্যমত্ম সতর্কতার সাথে এবং সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফরমে প্রদত্ত তথ্য অনুসারে রেজিস্ট্রার লিপিবদ্ধ করা হবে। তথ্য প্রদানকারীকে ফরমে স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। কোনো ক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ দেখা দিলে নিবন্ধক প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে নেবেন। বর্তমানে অন লাইনে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমও চালু হয়েছে।
জন্ম এবং মৃত্যু সনদ যথাযথভাবে প্রস্ত্তত ও স্বাক্ষর করে তা সরবরাহ করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদে সনদপত্র বিতরণ সম্পর্কিত রেজিস্ট্রার এবং সনদপত্রের অনুলিপি সংরক্ষণ করতে হবে।
দেশে বা বিদেশে চাকরি প্রার্থী, পাসপোর্ট সংগ্রহ এবং ব্যাংক থেকে ঋণগ্রহণের জন্য জাতীয়তা সনদপত্র ও চারিত্রিক সনদপত্রের প্রয়োজন হয়। ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে এ ধরনের সনদপত্র প্রদান করা। এটা অত্যমত্ম সতর্কতার সাথে সম্পাদন করা উচিত, যাতে করে এ সনদপত্র অপব্যবহার না হয় এবং জাল সার্টিফিকেট ইস্যু না হয়। এ সকল সার্টিফিকেট প্রদানের সময় দাপ্তরিক নিয়ম অনুরসরণ করা আবশ্যক।
প্রতিটি সার্টিফিকেট ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে প্রদান করতে হবে। যাকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে তার নাম, ঠিকানা এবং সার্টিফিকেট গ্রহণের কারণ ও তারিখ উলেস্নখ করে একটি রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ করতে হবে, প্রতিটি সার্টিফিকেটের অনুলিপি সাক্ষ্য হিসাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র মান সম্পন্ন হতে হবে এবং এর জন্য ন্যূনতম ফি গ্রহণ করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভায় বিষয়টি আলোচনা করে সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে এতদসংক্রামত্ম আয়ের প্রতিফলন থাকতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে গ্রাম আদালত কার্যকরভাবে পরিচালনা করা। গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুসারে, প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত পরিচালিত হবে। গ্রাম আদালত পরিচালনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা নিম্নে দেওয়া হলো।
(১) ফৌজদারি কার্যবিধি এবং দেওয়ানি কার্যবিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেন গ্রাম আদালত আইনের তফসিলের প্রথম অঙ্কে বর্ণিত বিষয়াবলি সম্পর্কিত ফৌজদারি মামলা এবং দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত বিষয়াবলি সম্পর্কিত দেওয়ানি মামলা, ভিন্ন রকম বিধান না থাকলে, গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে এবং কোনো ফৌজদারি বা দেওয়ানি আদালতের অনুরূপ কোনো মামলা বা মোকাদ্দমার বিচারের এখতিয়ার গ্রাম আদালতে থাকবে না।
ক) উক্ত মামলায় কোনো নাবালকের স্বার্থ জড়িত থাকে;
খ) বিবাদের পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তিতে সালিশের বা বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান থাকে;
গ) সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা কর্তব্য পালনরত কোনো সরকারি কর্মচারী উক্ত বিবাদের কোনো পক্ষ হয়।
তফসিলের প্রথম ভাগের সাথে সম্পর্কিত হলে দুই টাকা এবং দ্বিতীয় ভাগের সাথে সম্পর্কিত হলে আবেদনপত্রের সাথে চার টাকা ফিস জমা দিতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক যেক্ষেত্রে আবেদন নাকচ হয় সেক্ষেত্রে তা উক্ত না-মঞ্জুরের আদেশ সমেত আবেদনকারীর নিকট ফেরত দিতে হবে।
আবেদন না-মঞ্জুর হওয়ার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে পুন:বিচারের জন্য তা যথাযথ এখতিয়ারসম্পন্ন সহকারী জজের নিকট দাখিল করতে হবে।
আবেদনে নিম্নলিখিত তথ্য ও বিবরণ থাকতে হবে:
৬.২.৭ আবেদনপত্র পাবার পর চেয়ারম্যান কী করবেন?
আবেদনপত্রটি পাবার পর ইউপি চেয়ারম্যান তা পরীক্ষা করে গ্রহণ করবেন। আবেদনপত্র গ্রহণ করা হলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্দিষ্ট তারিখে প্রতিবাদীকে হাজির হতে সমন দেবেন এবং বাদীকে হাজির হতে নির্দেশ দেবেন। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
আবেদনটি অসম্পূর্ণ হলে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলে অথবা এখতিয়ার বহির্ভূত হলে তিনি তা নাকচ করতে পারবেন। তবে কী কারণে আবেদনটি নাকচ করা হলো তা অবশ্যই আবেদনপত্রের উপর লিখতে হবে।
৬.২.৮. প্রতিবাদী দাবি বা বিবাদ স্বীকার করলে গ্রাম আদালত গঠন করা হবে না
সমন অনুযায়ী অথবা প্রকারামত্মরে প্রতিবাদী হাজির হলে এবং দাবি বা বিবাদ স্বীকার করলে এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে উক্ত দাবি পূরণ করলে গ্রাম-আদালত গঠন করা হবে না।
৬.২.৯. কী কী কারণে আবেদন নাকচ করা যাবে?
৬.২.১০. গ্রাম আদালতের এখতিয়ার
৬.২.১১. গ্রাম আদালতের ক্ষমতা
এ আইনে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকলে, গ্রাম আদালত আইন ২০০৬-এর তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারি অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে কেবলমাত্র অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করতে পারবে। তফসিলের দ্বিতীয় অংশে বর্ণিত দেওয়ানি বিষয়াবলির সাথে সম্পর্কিত কোনো মামলায় অনুরূপ বিষয়ে তফসিলে উলেস্নখিত পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য আদেশ প্রদান করতে বা সম্পত্তির প্রকৃত মালিককে সম্পত্তি বা এর দখল প্রত্যর্পণের জন্য আদেশ প্রদান করতে পারবে।
এখানে গ্রাম আদালতে আবেদন করার নমুনা এবং মামলার আদেশনামার নমুনা দেওয়া হলো:
|
চেয়ারম্যান
............... ইউনিয়ন পরিষদ
উপজেলা : ................................... জেলা : ........................................
[
বিষয় : গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন এবং অভিযোগ/দাবির বিবরণ।
| আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা | প্রতিবাদীর নাম ও ঠিকানা | সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানা |
| ঘটনার স্থান :
তারিখ :
সময় :
তফসিল:
| (এখানে আবেদনকারীর বক্তব্যের বিসত্মারিত বিবরণ এবং তিনি কি প্রতিকার প্রার্থনা করেন তার বিবরণ থাকবে)
আবেদনকারীর স্বাক্ষর জাতীয় পরিচয় পত্র নং ........... | |
(বি.দ্র. প্রয়োজনে একাধিক কাগজ ব্যবহার করা যাবে।)
আদেশনামা
...................................................................ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালত
উপজেলা : ............................................. জেলা : .................................
মামলার নম্বর : .................................. মামলার ধরন : ..............................
আবেদনকারী : ................................... প্রতিবাদী : ...................................
| আদেশের নম্বর ও তারিখ | আদেশের বিবরণ ও চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর |
|
|
|
বিভিন্ন প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদকে নানা ধরনের প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করতে হবে। একটি বার্ষিক আর্থিক বিবরণী প্রস্ত্তত এবং তা যথাসময়ে দাখিল করা এলজিএসপি - ৩ এর আওতায় এখন মৌলিক থোক বরাদ্দ (BBG) পাওয়ার পূর্বশর্ত। তেমনি ষান্মাসিক এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন দাখিল করাও এখন অপরিহার্য। এ সকল প্রতিবেদন ছক অপারেশনাল ম্যানুয়েলে প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু প্রতিবেদন প্রস্ত্তত ও প্রেরণ করতে হয়। এগুলো ছক আকারে নিম্নে দেওয়া হলো:
| ক্রমিক | প্রতিবেদনের শিরোনাম | যার নিকট প্রদান করতে হবে | প্রদানের সর্বশেষ তারিখ | বিষয়স্ত্ত বা বিবরণ | মমত্মব্য |
| ১ | বার্ষিক প্রতিবেদন | জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের জন্য ইউএনও-র নিকট দাখিল | ৩০ সেপ্টেম্বর | সম্পদ এবং দায় দেনার বিবরণসহ বার্ষিক আর্থিক ও সংস্থাপন সম্পর্কিত | ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত এবং স্বাক্ষরিত |
| ২ | বার্ষিক আর্থিক বিবরণী | জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের জন্য ইউএনও-র নিকট দাখিল | সাধারণভাবে ৩১ আগস্ট, এলজিএসপি-৩ এর ক্ষেত্রে ৩১ জুলাই | ব্যাংক বিবরণীসহ বৎসরের আয় ও ব্যয়ের সম্পূর্ণ বিবরণী | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৩ | এলজিএসপি - ৩ এর আর্থিক ও বাসত্মব কার্যাবলির প্রতিবেদন (ষান্মাসিক) | এলজিএসপির ওয়েব সাইটে আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি ডিডিএলজির নিকট প্রেরণ। ইউএনও এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে অনুলিপি প্রেরণ | প্রতিবছরের ৩১ জানুয়ারি ও ৩১ জুলাই | ষান্মাসিক প্রতিবেদন সম্পর্কিত সংযুক্ত ফরমেট অনুসারে | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৪ | গ্রাম আদালত সম্পর্কিত ষান্মাসিক প্রতিবেদন | জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের নিকট প্রেরণের নিমিত্ত ইউএনও-র নিকট দাখিল | জানুয়ারি-জুনের রিপোর্ট ১লা আগস্ট জুলাই-ডিসেম্বর ১লা ফেব্রম্নয়ারি | প্রতিবেদন ছক সংযুক্ত | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৫ | গ্রাম পুলিশ সম্পর্কিত মাসিক প্রতিবেদন | ইউএনও | প্রতিমাসের ১ম সপ্তাহে পূর্ববর্তী মাসের কর্মতৎপরতার প্রতিবেদন | আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ গ্রামপুলিশের তৎপরতার বিবরণ | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৬ | জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সম্পর্কিত মাসিক প্রতিবেদন | জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণের জন্য ইউএনও-র নিকট দাখিল | প্রতিমাসের ১ম সপ্তাহে পূর্ববর্তী মাসের কর্মতৎপরতার প্রতিবেদন | জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, জন্ম ও মৃত্যু সনদ প্রদান সম্পর্কিত | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৭ | ইউপি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র সম্পর্কিত মাসিক প্রতিবেদন | জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণের জন্য ইউএনও-র নিকট দাখিল | প্রতিমাসের ১ম সপ্তাহে পূর্ববর্তী মাসের কর্মতৎপরতার প্রতিবেদন | ইউআইএসসির আয় ব্যয় এবং সেবা প্রদানের বিবরণ | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
| ৮ | দুর্যোগ সম্পর্কিত প্রতিবেদন | জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণের জন্য ইউএনও-র নিকট দাখিল | দুর্যোগের সময় প্রতিদিন | দুর্যোগের ফলে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ, ত্রাণ তৎপরতার বিবরণ, ত্রাণ সমগ্রী এবং অন্যান্য সহায়তার চাহিদা | ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত ও স্বাক্ষরিত |
ইউনিয়ন পরিষদকে প্রতি ছয় মাস পর পর নিম্নবর্ণিত বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন ও দাখিল করতে হবে।
| বিবরণ | নাম | কোড |
| জেলা |
|
|
| উপজেলা |
|
|
| ইউনিয়ন |
|
|
| প্রতিবেদনের সময়কাল | .........................---মাস থেকে ..............................মাস পর্যমত্ম |
| উপাত্ত সংগ্রহের তারিখ | ..........-দিন ..........মাস ..........-বছর |
| জমা দেওয়ার তারিখ |
|
| উপাত্ত সংগ্রহকারী |
|
| তত্ত্বাবধায়ক |
|
| সভার নাম | কাঙ্ক্ষিত / পরিকল্পিত | অর্জিত | অংশগ্রহণকারী | আলোচ্য সূচি | সিদ্ধামত্মসমূহ | |
| পুরম্নষ | নারী | |||||
| মাসিক সভা |
|
|
|
|
|
|
| ওয়ার্ড সভা |
|
|
|
|
|
|
| ইউডিসি সভা |
|
|
|
|
|
|
| বিশেষ সভা |
|
|
|
|
|
|
| স্কিম যাচাই সভা |
|
|
|
|
|
|
টীকা: (সভার কার্যবিবরণী রিপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে)
বিজিসিসি সভায় ইউপি চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা সদস্য যোগ দিয়েছিল কি? (হ্যাঁ/না)
১। কেবল ইউপি চেয়ারম্যান, ২। কেবল মহিলা সদস্য, ৩। উভয়ই।
| ওয়ার্ড নং | অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা অধিবেশনের তারিখ | জনগোষ্ঠীকে কিভাবে অবহিত করা হয়েছিল? (মাইকিং/আমন্ত্রণ পত্র/ঢাক পিটিয়ে/ ব্যক্তিগত যোগাযোগ/লিফলেট বিতরণ) | অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা অধিবেশনের মেয়াদ | অংশগ্রহণকারী | জনগোষ্ঠীর প্রসত্মাবিত প্রকল্পের সংখ্যা | অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্পের সংখ্যা | সভার উপস্থিতি ও সিদ্ধামেত্মর তথ্য আছে কি? (হ্যাঁ/না) | ||
| পুরম্নষ | মহিলা | পুরম্নষ | মহিলা | ||||||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
৪. ইউপি পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে কি? (হ্যাঁ/না)
যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে পরিকল্পনার মেয়াদ, ........... থেকে ......... পর্যমত্ম ................. বছর ৫ বছরের পরিকল্পনার জন্য সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের পরিমাণ (টাকা) ....................................
| উন্মুক্ত বাজেট সভার তারিখ | জনগণের কাছে খসড়া বাজেট বিবরণী বিতরণের তারিখ | বাজেট সভার তথ্য প্রচার (মাইকিং/আমন্ত্রণ পত্র/ঢাক পিটিয়ে/ব্যক্তিগত যোগাযোগ/লিফলেট বিতরণ) | বাজেট সভার মেয়াদ | অংশগ্রহণকারী | অংশগ্রহণকারীদের মমত্মব্য | সভায় গৃহীত সিদ্ধামত্ম | |
| পুরম্নষ | মহিলা | ||||||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| সভার তারিখ | সভার নোটিশের তারিখ | অংশগ্রহণকারীদের ধরন | মোট অংশগ্রহণকারী | বাজেট কি অনুমোদিত? (হ্যাঁ/না) | ||||||
| ইউপি সদস্য | এনজিও/ সুশীল সমাজ | ওয়ার্ড কমিটির সদস্য | এসএসসি সদস্য | সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা/ কর্মচারী | পেশাজীবী | পুরম্নষ | মহিলা |
| ||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
(টীকা: পেশাজীবী অর্থ আইনজীবী, স্কুল শিক্ষক, চিকিৎসক ইত্যাদি)
| ক্রমিক নং | রাজস্বের উৎস | চলতি বছরের বাজেট | চলতি বছরের আয় (ষান্মাসিক/বার্ষিক) | বিগত বছরের বাজেট | বিগত বছরের প্রকৃত আয় |
|
| নিজস্ব উৎস |
|
|
|
|
| ১ | হোল্ডিং ট্যাক্স |
|
|
|
|
| ২ | ব্যবসা, পেশা ও জীবিকার ওপর ট্যাক্স |
|
|
|
|
| ৩ | বিনোদন কর |
|
|
|
|
| ৪ | ইউপি’র ইস্যু করা লাইসেন্স ও পারমিটের জন্য প্রাপ্ত ফি |
|
|
|
|
| ৫ | ইজারা বাবদ প্রাপ্তি ক) হাট-বাজার খ) খোঁয়াড় (গবাদিপশুর ছাউনি) |
|
|
|
|
| ৬ | মটর চালিত যান ছাড়া অন্যান্য পরিবহনের ওপর আরোপিত লাইসেন্স ফি |
|
|
|
|
| ৭ | সম্পত্তি থেকে আয় |
|
|
|
|
| ৮ | অন্যান্য (জন্ম, মৃত্যু ও নাগরিকত্ব সনদের জন্য ফি) |
|
|
|
|
| ৯ | দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রাপ্ত |
|
|
|
|
|
| মোট |
|
|
|
|
|
| সরকারি অনুদান |
|
|
|
|
| ১ | ইউপি বরাদ্দ |
|
|
|
|
| ২ | এলজিএসপি থেকে ব্লক গ্রান্ট |
|
|
|
|
| ৩ | দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ |
|
|
|
|
| ৪ | ভূমি হসত্মামত্মরফি’র ১ শতাংশ হারে প্রাপ্ত |
|
|
|
|
|
| মোট |
|
|
|
|
| ১ | উপজেলা থেকে প্রাপ্তি (যদি থাকে) |
|
|
|
|
| ২ | জেলা পরিষদ থেকে প্রাপ্তি (যদি থাকে) |
|
|
|
|
| ৩ | অন্যান্য |
|
|
|
|
|
| মোট |
|
|
|
|
|
| সর্বসাকুল্যে |
|
|
|
|
হোল্ডিং ট্যাক্সের নিরূপিত অর্থের পরিমাণ ? ............... টাকা
পাঁচ বছরের মধ্যে কর নির্ধারণ না হয়ে থাকলে, তার কারণ ................
| নিরীক্ষার ধরন
| নিরীক্ষার তারিখ
| নিরীক্ষা মমত্মব্য (আপত্তিহীন/ আপত্তিসহ /তথ্যের অপ্রাপ্যতা/ বিরূপ) | চলতি বছরে অডিট আপত্তির সংখ্যা | কয়টি অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে | নিস্পত্তি না হওয়া অডিট আপত্তির সংখ্যা | কয়টি নিস্পত্তি না হওয়া অডিট আপত্তি চলতি বছর নিষ্পত্তি হয়েছে | মোট কয়টি অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি করতে হবে (বর্তমান +পূর্বের) |
| সিএ ফার্ম দ্বারা আর্থিক নিরীক্ষা |
|
|
|
|
|
|
|
| কর্মতৎপরতা নিরীক্ষা |
|
|
|
|
|
|
|
| সরকারি নিরীক্ষা |
|
|
|
|
|
|
|
| বিশেষ নিরীক্ষা |
|
|
|
|
|
|
|
১০. বিভিন্ন ধরনের থোক বরাদ্দের অবস্থা :
| থোক বরাদ্দের ধরন | অর্থ প্রাপ্তির তারিখ | টাকার পরিমাণ | কিসিত্ম (১ম বা ২য়) | সুস্পষ্ট পরিমাণসহ পূর্বঘোষিত বরাদ্দের সাথে ভিন্নতা | বিগত বছরের চেয়ে বৃদ্ধির হার (%) | ব্যয় সংক্রামত্ম তথ্য |
| এলজিএসপি মৌলিক থোক বরাদ্দ |
|
|
|
|
|
|
| এলজিএসপি দক্ষতা ভিত্তিক থোক বরাদ্দ |
|
|
|
|
|
|
| ইউপি জিপি বরাদ্দ |
|
|
|
|
|
|
| বিশেষ অনুদান |
|
|
|
|
|
|
| উপজেলা থোক বরাদ্দ |
|
|
|
|
|
|
| সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অনুদান |
|
|
|
|
|
|
| ওয়ার্ড নং | পরিকল্পনা সভায় প্রসত্মাবিত স্কিমের সংখ্যা | ওয়ার্ড পর্যায়ের লোকজনের মতে অগ্রাধিকার স্কিমের সংখ্যা | ইউপি’র অনুমোদিত স্কিমের নাম | স্কিমের ধরন | স্কিমের ব্যয় (টাকায়) | ওয়ার্ড কমিটি/ ঠিকাদারের মাধ্যমে বাসত্মবায়িত হচ্ছে | স্কিমের বাস্ত-বায়ন অগ্রগতি কত ভাগ হয়েছে | স্কিম বাসত্মবভিত্তিকায়নের মান (চমৎকার, খুব ভাল, ভাল, মোটামুটি, খারাপ) | কর্মসংস্থান সৃষ্টি | |
| পুরম্নষ | নারী | |||||||||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
টীকা: স্কিমের ধরনের জন্য কোড: মাটির রাসত্মা নির্মাণ=১, মাটির রাসত্মা সংস্কার=২, পানি ও স্যানিটেশন=৩, পাকা সড়ক নির্মাণ=৪, সেতু/কালভার্ট=৫, স্কুলের জন্য ফার্নিচার/যন্ত্রপাতি=৬, স্কুল ভবন নির্মাণ=৭, ড্রেইন=৮, বিদ্যুৎ সংযোগ=৯, বাজার উন্নয়ন=১০, দক্ষতা প্রশিক্ষণ=১১, অন্যান্য=১২ (উলেস্নখ করম্নন)
স্কিমের গুণগত মান বুঝানোর জন্য কোড: চমৎকার=১, খুব ভাল=২, ভাল=৩, মোটামুটি=৪, খারাপ=৫
| তথ্যের ধরন | যাদের জন্য তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (জনসাধারণ/ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ/কমিটি/সকল অংশীদার/অন্যান্য) | তথ্য পাওয়ার স্থান (ইউপি নোটিশ বোর্ড/বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত বিলবোর্ড/প্রকল্প তথ্য বোর্ড/ওয়েবসাইট/সভা) | তথ্য সভায় জানানো হয়ে থাকলে, অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা | তথ্য প্রকাশ না করা হয়ে থাকলে, কারণ উলেস্নখ করম্নন | |
|
|
|
| পুরম্নষ | নারী |
|
| ইউপি পরিকল্পনা |
|
|
|
|
|
| ইউপি বাজেট |
|
|
|
|
|
| প্রকল্প সংক্রামত্ম |
|
|
|
|
|
| অর্থায়ন সংক্রামত্ম |
|
|
|
|
|
| কমিটি সংক্রামত্ম |
|
|
|
|
|
| নিরীক্ষা সংক্রামত্ম |
|
|
|
|
|
| দক্ষতা মূল্যায়ন ফলাফল |
|
|
|
|
|
টীকা: শ্রোতাদের জন্য কোড: জনসাধারণ =১, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ=২, কমিটি=৩, সকল অংশীদার=৪, অন্যান্য=৫
তথ্য প্রচারের জন্য ব্যবহৃত মাধ্যম: ইউপি নোটিশ বোর্ড=১, বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত বিলবোর্ড=২, স্কিম তথ্য বোর্ড=৩, ওয়েবসাইট=৪, সভা=৫
| ক্রমিক নং | কমিটির নাম | ইতোমধ্যে গঠিত কমিটি | সভায় উপস্থিত সদস্যের সংখ্যা | আলোচনার বিষয় | সংশিস্নষ্ট উপজেলা অফিস থেকে কেউ উপস্থিত ছিল কি? (হ্যাঁ/না) | গৃহীত গুরম্নত্বপূর্ণ সিদ্ধামত্ম | সেবা প্রদানের মানের ওপর প্রভাব (উন্নত হয়েছে/ কোনো পরিবর্তন হয়নি/ অবনতি হয়েছে) | ||||
| হ্যাঁ /না | না হলে, কেন? | গঠনের তারিখ (মাস/ বছর) | হ্যাঁ হলে, এটি সক্রিয় কি? (হ্যাঁ/ না) | বিগত ত্রৈমাসিক অনুষ্ঠিত সভার সংখ্যা | |||||||
| ১ | অর্থ ও সংস্থাপন |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ২ | হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৩ | কর মূল্যায়ন ও আদায় |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৪ | শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৫ | কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু, ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ড |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৬ | পলস্নী অবকাঠামো উন্নয়ন, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৭ | আইন-শৃঙ্খলা |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৮ | জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ৯ | স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ, ও স্যুয়ারেজ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ১০ | সামাজিক কল্যাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ১১ | পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন এবং বৃক্ষরোপন |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ১২ | পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা, শিশু ও নারী কল্যাণ (পার্বত্য অঞ্চলের জন্য নয়) |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| ১৩ | ক্রীড়া ও সংস্কৃতি |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
টীকা: সেবা প্রদানের মান সংক্রামত্ম কোড: উন্নত হয়েছে = ১, কোনো পরিবর্তন হয়নি = ২, অবনতি হয়েছে = ৩
| ক্রয়ের ধরন | স্কিমের সংখ্যা | স্কিমের ধরন | সংশিস্নষ্ট কাজের জন্য মোট অর্থের পরিমাণ | ইউপি নোটিশ বোর্ডে ক্রয় নোটিশ ছিল কি? (হ্যাঁ/না/প্রযোজ্য নয়) | টেন্ডারের ক্ষেত্রে, নোটিশ সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়েছে কি? (জাতীয়/স্থানীয়) | মূল্যায়ন কমিটি গঠিত হয়েছে কি? (হ্যাঁ/না/প্রযোজ্য নয়) | মূল্যায়ন কমিটির রিপোর্ট আছে কি? (হ্যাঁ/না/প্রযোজ্য নয়) |
| সরাসরি ক্রয় (শ্রমঘন কাজ ছাড়া) |
|
|
|
|
|
|
|
| সরাসরি ক্রয় (কেবল শ্রমঘন কাজের জন্য) |
|
|
|
|
|
|
|
| দরপত্রের মাধ্যমে |
|
|
|
|
|
|
|
| উন্মুক্ত টে-ার প্রক্রিয়া |
|
|
|
|
|
|
|
স্কিমের ধরন সংক্রামত্ম কোড: মাটির রাসত্মা নির্মাণ=১, মাটির রাসত্মা সংস্কার=২, পানি ও স্যানিটেশন=৩, পাকা সড়ক নির্মাণ=৪, সেতু/কালভার্ট=৫, স্কুলের জন্য ফার্নিচার/যন্ত্রপাতি=৬, স্কুল ভবন নির্মাণ=৭, ড্রেইন=৮, বিদ্যুৎ সংযোগ=৯, বাজার উন্নয়ন=১০, দক্ষতা প্রশিক্ষণ=১১, অন্যান্য=১২ (উলেস্নখ করম্নন)
| অনুমোদিত/ বাসত্মবায়িত স্কিমের নাম | ওয়ার্ড কমিটি অনুসৃত ইএসএমএফ দিকনির্দেশনা | এসএসসি অনুসৃত ইএসএমএফ দিকনির্দেশনা | ইউপি-তে সামাজিক ও পরিবেশগত যাচাই সংক্রামত্ম নথিপত্র আছে কি? (হ্যাঁ/না) | যে কোনো সামাজিক ও পরিবেশগত ঝুঁকির ক্ষেত্রে ইউপি কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে? | এ প্রকল্প এলাকার সামাজিক ও পরিবেশগত অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে কি? (হ্যাঁ/না/প্রযোজ্য নয়) |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| অনুষ্ঠানের নাম | বিষয় | অংশগ্রহণকারী | ব্যয় | মেয়াদ | প্রশিক্ষক | প্রশিক্ষণ মূল্যায়ন করা হয়েছে কি? (হ্যাঁ/না) | অংশগ্রহণকারীদের মতে প্রশিক্ষণের মান (চমৎকার, খুব ভাল, ভাল, মোটামুটি, খারাপ) | |
| পুরুষ | নারী | |||||||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
মান সংক্রামত্ম কোড: চমৎকার=১, খুব ভাল=২, ভাল=৩, মোটামুটি=৪, খারাপ=৫
| আইইসি কার্যক্রমের ধরণ | উদ্দেশ্য | কাঙ্ক্ষিত শ্রোতা (জনসাধারণ /ইউপি সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিবর্গ/সুশীল সমাজ /সরকারি কর্মকর্তা/সকল অংশীদার) | প্রদত্ত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (আইইসি প্রতিষ্ঠান/এজিও/ মিডিয়া/অন্যান্য) | শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া (ইতিবাচক/ নেতিবাচক / কোনটাই নয়) | প্রাপ্ত ফলাফল | সংশিস্নষ্ট ব্যয় |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| প্রত্যয়নপত্র
স্বাক্ষর: ............... তারিখ: .......... |
জেলা : ......................................................................................................
উপজেলা : ..................................................................................................
............................................................................................ইউনিয়ন পরিষদ
১। বৎসর: .................................................................................................
২। দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা : .........................................................................
৩। নিষ্পন্ন মামলার সংখ্যা : .............................................................................
৪। বিচারাধীন মামলার সংখ্যা : .........................................................................
৫। যে সকল মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার সংখ্যা : ..............................................
৬। আদায়কৃত ফিস : .....................................................................................
৭। ধার্যকৃত জরিমানা : ...................................................................................
৮। আদায়কৃত জরিমানা : ................................................................................
তারিখ : ................................
সিলমোহর : ...........................
...............................................
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার, স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরম্নত্বপূর্ণ উপাদান যদিও তাদেরকে অত্যমত্ম সীমিত নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশে কাজ করতে হয়। স্থানীয় সরকারের আর্থিক স্বায়ত্তশাসন ও নিজস্ব আয়ের উৎস অপর্যাপ্ত, সীমিত সিদ্ধামত্ম গ্রহনের ক্ষমতা এবং জবাবদিহিতার ব্যবস্থা দূর্বল। সরকারী রাজস্বের ২% এরও কম স্থানীয় পর্যায়ে সংগৃহীত হয়। মোট সরকারি ব্যয়ের ৪% এরও কম স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে ব্যয়িত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থা স্থানীয় পর্যায়ের বেশীর ভাগ সিদ্ধামত্ম গ্রহণ ও বাসত্মবায়ন করে। তবে, স্থানীয় সরকার, বিশেষত ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় পর্যায়ে জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য উলেস্নখযোগ্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০০০ সাল হতে ২০০৭ সাল পর্যমত্ম ইউএনডিপি এবং ইউএনসিডিএফ এর আর্থিক সহায়তায় সিরাজগঞ্জ জেলায় ‘‘সিরাজগঞ্জ লোকাল গভর্ন্যান্স ডেভেলপমেন্ট ফান্ড প্রকল্প (এসএলজিডিএফপি)’’ নামে একটি পাইলট প্রকল্প বাসত্মবায়ন করে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার, বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি, ইউএনসিডিএফ, ই ইউ ও ডানিডা এর আর্থিক সহায়তায় দেশের সকল ইউনিয়নে জুলাই, ২০০৬ হতে ডিসেম্বর, ২০১১ মেয়াদে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) এবং জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০১৭ পর্যমত্ম ‘‘দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি:২)’’ সফলভাবে বাসত্মবায়ন করেছে। সরকার স্থানীয় সরকারের আর্থিক ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সম্পদের বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য নানামূখী পদÿÿপ প্রহণ করেছে। এছাড়া ২০০৯ সালে সরকার স্থানীয় সরকার শাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯' প্রণয়ন করেছে।
লোকাল গভর্নেন্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি -১ ও এলজিএসপি-২) ইউনিয়ন পরিষদে একটি স্বচ্ছ ফিস্ক্যাল ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করার মাধ্যমে ইউপি আইন, ২০০৯ এর ম্যানডেট অনুযায়ী পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
এলজিএসপি ১ও ২ এর মাধ্যমে সরকারের নীতি সংস্কারের উদ্যোগের আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী ইউপির ÿমতায়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের জন্য ইউপি ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি অর্থ স্থানামত্মর, আর্থিক অডিট, কর্মদÿতা মূল্যায়ন, তথ্য ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটির অংশগ্রহণ এবং উন্নত শাসন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। উলেস্নখযোগ্য সাফল্যসমূহ হলো: (ক) সব ইউপির জন্য বছরে ২ বার মৌলিক থোক বরাদ্দ ইউপি ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি স্থানামত্মর করা, বিবিজি বরাদ্দের উপর তিন বছরের অগ্রিম ইন্ডিকেটিব সিলিং ঘোষণা, অব্যয়িত অর্থ পরবর্তী বছরে ব্যবহারের জন্য একটি সিস্টেম তৈরী, (খ) পারফরমেন্স নির্ভর অনুদান ইনসেনটিভ চালু করণ; (গ) প্রাইভেট অডিট ফার্ম দ্বারা সব ইউপিতে বার্ষিক আর্থিক অডিট এবং কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন (গ) এলজিএসপি -২ এর শেষে সরকারী অংশ ৫০% থেকে ৬০% এ বৃদ্ধি; (ঘ) পরিকল্পনা, বাজেট, এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রায় ৭৫,০০০ ইউপি ফাংশানারিজদের সক্ষমতা অর্জন প্রশিক্ষণ; (ঙ) সেফ গার্ড কম্পস্নায়েনস্ এবং (ছ) উন্নত সুশাসন ও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উন্নয়নের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদী পরিকল্পনা, বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন, উন্নয়ন প্রকল্প নির্বাচন ও বাসত্মবায়ন পদ্ধতি এবং একটি অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার প্রচলন ও উন্নয়ন। এসবের মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবা প্রদানে স্বচ্ছতার একটি সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায়ে চালু হয়েছে। পাশাপাশি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প নির্বাচনে নারীর অবদান স্বীকৃত হয়েছে।
বিগত বছরসমূহে এলজিএসপি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অনেকটাই অর্জন করতে পেরেছে, যা বিশেষভাবে উলেস্নখযোগ্য। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জন প্রতিনিধিগণের এবং ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সেবা প্রদানের সামর্থ্য সম্প্রসারিত হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধামত্মগ্রহণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ পূর্বের যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে। উলেস্নখিত অর্জনসমূহকে আরো সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য এলজিএসপি-২ এর ধারাবাহিকতায় ফলোআপ প্রকল্প হিসেবে এলজিএসপি-৩ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো, ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমান ফরমূলা ভিত্তিক থোক বরাদ্দের অর্থ স্থানামত্মর পদ্ধতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং পৌরসভাতে পাইলট ভিত্তিতে সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ (Expanded Block Grants) চালুকরণ।
সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যবলী নিমণরূপ:
ক) প্রকল্পের প্রথম তিন বছর সকল ইউপিতে ফরমুলা ভিত্তিতে মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রদান নিশ্চিতকরণ;
খ) সুনির্দিষ্ট দÿতা সূচকের ভিত্তিতে ইউপিসমূহে দÿতা ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদান নিশ্চিতকরণ;
গ) সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের সÿমতা বৃদ্ধির লÿÿ্য প্রশিÿণ প্রদান;
ঘ) ইউপি ও স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ব্যবহারের জন্য স্থাপিত সম্পূর্ণ ওয়েব ভিত্তিক (Web- based) এমআইএস পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ;
ঙ) সকল ইউপিতে অডিট ও দÿতা মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং
চ) পাইলট ভিত্তিতে ১৬টি পৌরসভাতে সম্প্রসারিত থোক (Expanded Block Grants) বরাদ্দ প্রদান চালু করা।
লোকাল গভর্নেন্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি -১ ও এলজিএসপি-২) বাসত্মবায়নের ফলে স্থানীয় সরকার বিকেন্দ্রীকরণের ÿÿত্রে শক্ত ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। যে সব পদ্ধতিগত বিষয় এলজিএসপি -১ ও এলজিএসপি -২ মাধ্যমে চালু করা হয়েছে:-
(১) ইউপি একাউন্টে ফর্মুলা ভিত্তিক সরাসরি অর্থ স্থানামত্মর; (২) নিয়মিতভাবে বার্ষিক ভিত্তিতে ইউপি অডিট এবং কর্মদÿতা মূল্যায়ন পরিচালনা; (৩) নিয়মিতভাবে সব ইউপি’র কার্যাবলী পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি এমআইএস প্রতিষ্ঠা; এবং (৪) পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে নাগরিক অংশগ্রহণ ।
এলজিএসপি -৩ এর সফল পদ্ধতিসমূহ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের মাধ্যমে অর্জিত ফলাফলগুলো টেকসই উপাদান হিসেবে বাংলাদেশের সামগ্রিক সরকারী রাজস্ব ব্যবস্থাপনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এটি প্রকল্প উত্তর কালেও শক্তিশালী বর্ধিত প্রণোদনার মাধ্যমে স্থানীয় অবকাঠামো ও সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার প্রসারণ ঘটাবে।
এ প্রকল্পে গৃহীত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণ, জনঅংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা, উন্মুক্ত বাজেট সভা, আর্থিক ও ক্রয় ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ প্রকল্পে ওয়ার্ড পর্যায়ে স্কিম বাসত্মবায়ন কমিটি রয়েছে। এ কমিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে গৃহীত স্কিমসমূহের পরিবেশগত, সামাজিক, আর্থিক উপযোগিতা এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় রেখে স্কিম বাছাই করার জন্য কাজ করছে।
উপজেলা পর্যায়ে থোক বরাদ্দ সমন্বয় কমিটি রয়েছে। এ কমিটি ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে স্কিম বাসত্মবায়নের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে আলোচনার জন্য গঠিত একটি ফোরাম। এর অন্যতম দায়িত্ব হলো ইউনিয়ন পরিষদের খসড়া পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং উপজেলার বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক স্কিমের মধ্যে দ্বৈততা পরিহারে সহায়তা করা। এছাড়াও প্রকল্প বাসত্মবায়ন সম্পর্কিত যে কোনো অনিয়মের বিষয়ে এ কমিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং প্রতি ইউনিয়ন থেকে একজন করে মহিলা সদস্য (ব্যাংক হিসাবে স্বাক্ষরকারী) নিয়ে এ কমিটি গঠিত হয়।
প্রকল্প বাসত্মবায়ন নির্দেশিকা অনুসারে ওয়ার্ড পর্যায়ের পরিকল্পনা সভার আয়োজন করা হয় এবং ওয়ার্ডে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষ, বিশেষ করে মহিলাগণ উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। স্কিম তৈরি করে অগ্রাধিকারভিত্তিক স্কিমগুলো ইউপি বরাবর প্রেরণ করেন। স্কিম ও বাজেট প্রণয়নে এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ সকল বিষয় জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবহিত করার পাশাপাশি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।
বিগত অর্থ বছরসমূহে এলজিএসপি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অনেকটাই অর্জন করতে পেরেছে, যা বিশেষভাবে উলেস্নখযোগ্য। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জন প্রতিনিধিগণের এবং ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সেবা প্রদানের সামর্থ্য সম্প্রসারিত হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধামত্ম গ্রহণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ পূর্বের যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে। বিগত ৫ বছরে ৪৫৫৩ টি ইউনিয়নের ব্যাংক একাউন্টে ৩৬১৭.০৬ কোটি টাকা সরাসরি প্রেরণ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ১ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি স্কিম বাসত্মবায়িত হয়েছে।
প্রকল্প মেয়াদে প্রতি বছর সকল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাইভেট অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট করানো হয়েছে। এটি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অন্যতম অগ্রগতি। তাছাড়া উন্মুক্ত বাজেট সভা, স্কিম গ্রহণ, স্কিম বাসত্মবায়ন, স্কিম বাসত্মবায়ন তত্ত্বাবধান, মনিটরিং ও মূল্যায়ন সকল ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপায় বিদ্যমান রয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রকল্প মেয়াদে ৬,০৯,০০০ এর অধিক জনপ্রতিনিধি এবং কর্মকর্তা কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এ কাজের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মাস্টার ট্রেনার এবং উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়েছে। তাদেরকেও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
বস্ত্তত, জনগণের চাহিদা অনুসারে সেবা প্রদানে সক্ষম শক্তিশালী ও কার্যকর ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের, যৌথ প্রয়াসে এলজিএসপি বাসত্মবায়িত হয়েছে যা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অনেকাংশে সফল হয়েছে বলা যায়। বাংলাদেশের প্রত্যমত্ম গ্রামাঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রমের যে অগ্রগতি তার প্রধান অংশীদার এলজিএসপি। এলজিএসপি-র সাফল্য এবং জনগণের চাহিদা ও সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাসত্মবায়নের লক্ষ্যে এলজিএসপি-৩ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা বাসত্মবায়িত হচ্ছে।
এলজিএসপি-৩-এর জন্য একটি আলাদা ব্যাংক হিসাব থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, একজন মহিলা সদস্য ও ইউপি সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাবটি পরিচালিত হবে। ব্যাংক হিসাবে স্বাক্ষরকারী মহিলা সদস্য প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হবে।
এলজিএসপি-৩ এর মোট ০৪টি কম্পোনেন্ট রয়েছে যা নিমণরূপ:
কম্পোনেন্ট ১: ইউনিয়ন পরিষদ ফিসকাল ট্রান্সফার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
* মৌলিক থোক বরাদ্দ (বিবিজি)
* দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (পিবিজি)
কম্পোনেন্ট ২: অডিট ও কর্মদÿতা মূল্যায়ন এবং তথ্য পদ্ধতি ব্যবস্থাপনা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ (এমআইএস, আইইসি, অডিট)
কম্পোনেন্ট ৩: পাইলট পৌরসভায় সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ (ইবিজি)
কম্পোনেন্ট ৪: সÿমতা বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাসত্মবায়ন

এলজিএসপি -৩ প্রধান উদ্দেশ্য হলো এলজিএসপি -১ ও এলজিএসপি -২ এর আওতায় চালুকৃত মৌলিক থোক বরাদ্দ এবং দÿতা ভিত্তিক বরাদ্দ স্থানামত্মর পদ্ধতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা। প্রকল্পের চতুর্থ বছরে মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা হবে এবং তখন থেকে তা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রদান করা হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত ইউপি অনুদান ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের বেতন এবং ইউপি অপারেশনাল ম্যানুয়ালে উলিস্নখিত নিগেটিব আইটেম ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উনয়নমূলক প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এ তহবিল দিয়ে ইউপি জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সম্পূরক বা পরিপূরক প্রকল্প বা সেবা প্রদান করতে পারবে।
এলজিএসপি - ৩-এর আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের জন্য অনুদানসমূহ: মৌলিক থোক বরাদ্দ (BBG) এবং দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (PBG)
ইউনিয়ন পরিষদের জন্য অনুদান দুই অংশে বিভক্ত (ক) মৌলিক থোক বরাদ্দ যা মোট অনুদানের ৮৫% শতাংশ (খ) দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ যা মোট অনুদানের ১৫% শতাংশ।
এলজিএসপি-২ এ ব্যবহৃত একই ফর্মুলা অনুসরণ করে ইউপির জন্য মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রদান করা হবে
| যোগ্যতার মাপকাঠি | সূচক | প্রয়োজনীয় দলিলাদি |
| (১) পূর্ববর্তী আর্থিক বছরের আপত্তিহীন অডিট প্রতিবেদন | নিরপেক্ষ অডিট প্রতিষ্ঠান দ্বারা অডিট সম্পন্নকরণ এবং আর্থিক অনিয়মবিহীন অডিট প্রতিবেদন | ইউনিয়ন পরিষদের অডিট প্রতিবেদন |
| ২. পরবর্তী আর্থিক বছরের বার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট | জনসাধারণের অংশগ্রহণে ওয়ার্ড সভায় পরিকল্পনা প্রণয়ন জনসাধারণের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত বাজেট সভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাৎসরিক বাজেট | অংশগ্রহণকারীদের স্বাক্ষরসহ ওয়ার্ড সভার কার্যবিবরণী, উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনের স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণী/ হাজিরা বই এবং বার্ষিক বাজেটের অনুলিপি |
| ৩. সময়মত ষান্মাসিক রিপোর্ট প্রদান | ৩১শে জুলাই এবং ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমাকরণ | প্রতিবেদনের কপি |
যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ উপরোলেস্নখিত যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হবে সে সব ইউনিয়ন মৌলিক থোক বরাদ্দের মাত্র ২৫% বরাদ্দ পাবে।
মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদসমূহের সার্বিক দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহ প্রদানের জন্য দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদান করা হবে। প্রকল্প মেয়াদে পিবিজির সমুদয় অর্থ আইডিএ ক্রেডিট থেকে বহন করা হবে। আর্থিক ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক, যেমন রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ের হার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, জনগণের অংশগ্রহণ, পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন এবং প্রতিবেদন ইত্যাদি বিষয়ে যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারবে তাদেরকে মধ্য থেকে ÿুদ্রতর সংখ্যার ইউনিয়ন পরিষকে প্রদান করা হবে। প্রকল্পের দ্বিতীয় বছর থেকে দÿতা ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদান শুরম্ন হবে। পিবিজি বাবদ কোন অব্যয়িত অর্থ পরবর্তী অর্থ বছরের ইউপি তহবিলে অনুদান হিসেবে বিবেচিত হবে।
কেবলমাত্র বেসিক বস্নক গ্র্যান্ট বরাদ্দের জন্য নূন্যতম শর্ত পূরণকারী ইউনিয়নগুলো পরিষদ দÿতা ভিত্তিক অনুদান এর জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। দÿতা ভিত্তিক অনুদান এর জন্য ৪ টি ক্যাটাগরীতে ১০ টি সূচক এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ মূল্যায়ন করা হবে। মোট স্কোর ৪০ এর মধ্যে ৪৫% স্কোর প্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ গুলো দÿতা ভিত্তিক অনুদানের জন্য বিবেচিত হবে।
| কারণসমূহ | ফলাফল |
| বার্ষিক অডিট না করানো | পরবর্তী অর্থবছরে মোŠলিক থোক বরাদ্দ প্রদান স্থগিত থাকবে |
| বিরূপ বা প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানে ব্যর্থতার জন্য অডিট আপত্তি |
(ক) এলজিএসপি থেকে গৃহীত অর্থ আত্মসাতে জড়িত ইউনিয়ন পরিষদকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। (খ) অডিট রিপোর্টে চিহ্নিত ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধি /কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে। |
| পূর্ণাঙ্গ ষান্মাসিক প্রতিবেদন প্রদানে ব্যর্থতা | ইউনিয়ন পরিষদকে মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রদানে বিলম্ব। |
| পরিবেশগত এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো প্রয়োগে ব্যর্থতা (এটি ন্যূনতম যোগ্যতা নয় তবে এটি একটি বাধা হিসাবে বিবেচিত হবে)। | পরবর্তী বছরের জন্য মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রদান করা হবে না এবং সীমা লঙ্ঘনের মাত্রার উপর ভিত্তি করে থোক বরাদ্দ প্রদান স্থগিতকরণ। |
যোগাযোগঃ গ্রামের রাসত্মাসমূহ নির্মাণ /পুনর্নির্মাণ; বিদ্যমান রাসত্মাসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ; কালভার্ট নির্মাণ; ব্রিজ/ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ; গ্রামের রাসত্মা বা সড়কের উপর পানি নিষ্কাশন ড্রেইন নির্মাণ; এবং যাত্রী ছাউনি নির্মান।
স্বাস্থ্যঃ গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ; স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিবার পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা; স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য ঔষধ সরবরাহ; স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপকরণ সরবরাহ এবং খন্ডকালীন স্বাস্থ্য কর্মীর বেতন প্রদান।
পানি সরবরাহঃ বিগত ১০ বছরের বন্যাসত্মরের ঊর্ধ্বে স্থানীয় জনগণের জন্য পানি সরবরাহের লক্ষ্যে নলকূপ স্থাপন করা; ক্ষুদ্র সমাজভিত্তিক পানি সরবরাহের জন্য পাইপ স্থাপনের স্কিমসমূহ; ঝরনার পানি সংগ্রহ করা; পানির সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা।
শিক্ষাঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ; প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসবাবপত্র সরবরাহ; শিক্ষা উপকরণ ক্রয়; এবং শিক্ষা সচেতনতা প্রচারণা কর্মসূচি গ্রহণ করা।
প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনাঃ সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি; ভূমি ক্ষয় প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে অবকাঠামো নির্মাণ; এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
কৃষি এবং বাজারঃ গবাদিপশুর টিকাদান কেন্দ্র নির্মাণ; বাজারের টোলঘর বা ছাউনি নির্মাণ; সর্বসাধারণের ব্যবহার্য সেচ সুবিধার ব্যবস্থা করা; এবং উন্নত চাষাবাদের উপর কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাঃ পয়ঃনিষ্কাশনের সুযোগ সুবিধার জন্য পয়ঃপ্রণালি নির্মাণ; পয়ঃনিষ্কাশন সম্পর্কে গণসচেতনতা প্রচার অভিযান পরিচালনা; এবং বায়োগ্যাস স্থাপন।
মানব সম্পদ উন্নয়নঃ নারী উন্নয়ন ও নারীদের আত্ম কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা; দুস্থদের জন্য আয়বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ; দরিদ্র যুবক ও যুব মহিলাদের জন্য দক্ষতাবৃদ্ধি প্রশিক্ষণ; দরিদ্র যুবক ও যুব মহিলাদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ; ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রের জন্য সহায়তা; এবং তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়ন।
প্রকল্পের ১-৩ বছর মৌলিক থোক বরাদ্দ জিওবি ও বিশ্ব ব্যাংকের তহবিল থেকে বহন করা হবে। প্রকল্পের ৪র্থ ও ৫ম বছরের মৌলিক থোক বরাদ্দ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রদান করা হবে। তবে মৌলিক থোক বরাদ্দ পুরোপুরি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের ৫ বছর মেয়াদী মধ্যম মেয়াদী (MTBF) বাজেটে ২০২১-২২ সালে একটি পৃথক লাইন আইটেম তৈরী করা হবে। এ ছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরের স্থানীয় সরকারের বার্ষিক বাজেটে এডিপির একটি পৃথক লাইন আইটেম হিসেবে সরকার কর্তৃক ১০০% মৌলিক থোক বরাদ্দ প্রতিফলিত হবে।
এলজিএসপি-৩ মেয়াদের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ পৃথক থোক বরাদ্দের লাইন আইটেমের ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন খসড়া চতুর্থ বছরে (অর্থবছরে ২০১৯-২০) প্রণয়ন করবে। অনুমোদিত অফিসিয়াল গাইডলাইনটি সরকারী নির্দেশিকা হিসেবে পঞ্চম বছরে (অর্থবছর ২০২০-২১) জারি করা হবে এবং এটি প্রকল্প সমাপ্তির পর ২০২১-২২ সাল থেকে বাসত্মবয়িত হবে। অফিসিয়াল গাইডলাইনটিতে সরকারী নীতি, ফর্মূলা ভিত্তিক তহবিল বরাদ্দ, তহবিল প্রাপ্তির শর্ত, তহবিল প্রবাহ ও বিতরণ প্রক্রিয়া উলেস্নখ থাকবে।
৪র্থ বছর থেকে (অর্থবছর ২০১৯-২০) থেকে BBG পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারর বিভাগের ইউপি উইং কর্তৃক গ্রহণ করা হবে এবং তার পূর্ব পর্যমত্ম পিএমইউ BBG পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পরবর্তীতে অনুমোদিত অফিসিয়াল গাইডলাইনটি অনুসরণ করে বছরে ২ বার সরাসরি ইউপি একাউন্টে সয়ংক্রিয়ভাবে তহবিল স্থানামত্মর করা হবে।
এলজিএসপি ২ এ চলমান ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক অডিট, কর্মদÿতা মূল্যায়ন ও সেইফগার্ড কমপস্নায়েন্স এসেসমেন্ট পদ্ধতি এলজিএসপি ৩ এ অব্যাহত থাকবে। এলজিএসপি ২ এর প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট প্রকল্পের অর্থায়নে নিরপেÿ (Independent) অডিট ফার্ম (চার্টার্ড একাউনটেন্সী ফার্ম ) নিয়োগ করে শতভাগ ইউনিয়ন পরিষদ অডিট পরিচালনা, নির্দিষ্ট সূচকের মাধ্যমে অর্থিক হিসাব বিবরণী রÿণাবেÿণ ও কর্মদÿতা মূল্যায়ন করেছে। প্রতিটি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নে সেইফগার্ড কমপস্নায়েন্স অডিট করা হয়েছে। ফলস্বরূপ ইউপির দÿ আর্থিক ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এই অডিট ব্যবস্থা প্রকল্প মেয়াদে এবং প্রকল্প পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ব্যবস্থাপনায় C&AG এবং ICAB এর সক্রিয় অংশগ্রহনের মাধ্যমে অব্যাহত রাখা হবে।
বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণীর মানসম্মত অডিট ও ইউপির আর্থিক কর্মদÿতা মূল্যায়নের জন্য প্রকল্প মেয়াদে নিমেণাক্ত পদÿÿপ নেয়া হবে।
এলজিএসপি-৩ অডিট প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠানিকীকরণ করার লÿÿ্য কাজ করবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ার মূলে আছে নিরপেÿ অডিট ফার্ম দ্বারা নিয়মিত ও সময়মত পূর্ণাঙ্গ অডিট করানো। এলজিএসপি -৩ এর প্রথম ৩ বছর অডিট এবং কর্মদÿতা মূল্যায়ন প্রকল্পের অর্থায়নে নিরপেÿ অডিট ফার্ম দ্বারা সম্পন্ন করা হবে। ৪র্থ বছর থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগের নেতৃত্বে ইউপি অডিট পরিচালিত হবে। অডিট সেলের সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি উইং অডিটর নিয়োগের দায়িত্ব পালন করবে। ইউপির থোক বরাদ্দের অর্থ থেকে অডিটরদের বিল পরিশোধ করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি উইং এ পেমেন্ট করবে। অডিট খরচ প্রতি বছর এর ইউপির থোক বরাদ্দ থেকে কর্তন করা হবে।
অডিট ও কর্মদÿতা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক প্রণীত গাইডলাইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। এ ব্যপারে সুস্পষ্ট নিরীক্ষা বিধান ইতিমধ্যে ইউপি আইন ২০০৯ এ অমত্মর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০১৯-২০ অর্থ বছর শুরুর আগেই ইউপি উইং-কে যথাযথভাবে শক্তিশালী করবে। এ ÿÿত্রে প্রকল্পের পিএমইউ স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি উইং এবং অডিট সেলকে প্রকল্প মেয়াদকালীন সময়ে প্রযোজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
ইউনিয়ন পরিষদ সমূহের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট এর সহায়তায় একটি পরিপূর্ণ এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম) চালু করেছে। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার বিভাগের সকল কার্যক্রমকে গতিশীল এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সহিত দেশের মাঠ পর্যায়ের কাজকে সহজে মনিটরিং করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এমআইএস চালু করা হয়েছে। এলজিএসপি -২ এর অধীনে নির্মিত ওয়েব ভিত্তিক এই এমআইএস ইউপি এবং এলজিডি কর্তৃক ব্যবহারের জন্য প্রস্ত্তত করা হয়েছে যা এলজিএসপি -৩ এর অধীনে সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে । দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের সাথে সহজে অনলাইনএ যোগাযোগ করার মাধ্যম হিসাবে ই-মেইল চালু রয়েছে। বর্তমানে উক্ত এমআইএস কার্যক্রম বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ডাটা সেন্টারে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক সার্বক্ষনিক মনিটরিং এর জন্য সংরক্ষিত আছে।
এ এমআইএস ব্যববহার করে এলজিএসপি-৩ এর কার্যক্রম মনিটরিং ও মূল্যায়ন করা হবে। এ কার্যকর এমআইএস কেন্দ্রীয় সরকার এবং সকল পর্যায়ের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে কার্যকরী বিশেস্নষণ ও সিদ্ধামত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে। এমআইএস ব্যবহার করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিÿণ প্রদান করা হয়েছে। এই প্রচেষ্টার সমর্থনে প্রকল্পটিতে যে সব বিষয় অমত্মর্ভুক্ত করা হবে তা হলো: (ক) ইউপি সচিবদের জন্য কম্পিউটার ব্যবস্থা; (খ) চাহিদা অনুসারে এমআইএস নকশা হালনাগাদকরণ; (গ) নিরীক্ষা, অনুমোদন সিস্টেম, ই-মেইলের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশনসহ এমআইএস নকশা উন্নতকরণ; (ঘ) সকল ইউপি সচিব, ইউপি উইং এবং এলজিডি কম্পিউটার সেলের জন্য এমআইএস রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কোর্স প্রদান; (ঙ) একটি এমআইএস-হেল্প ডেস্ক প্রতিষ্ঠা; এবং (চ) এলজিডি’র অভ্যমত্মরে একটি আইসিটি সেল স্থাপন যা এমআইএস এবং সোর্স কোড পরিচালনা করবে। প্রতিটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রদিবেদন তৈরীর জন্য এমআইএসকে পস্নাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করার জন্য ইউপিকে নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে। ডিষ্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটরদের নিয়মিত এমআইএস ব্যবহারের বিষয়টি এমআইএস সিস্টেম দ্বারা মনিটরিং এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এছাড়া, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের এমআইএস হতে তথ্য ব্যবহার এবং ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে সঠিকভাবে মনিটরিং করার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে। ইউপি চেয়ারম্যানগণকে এমআইএস এর তথ্য সঠিক ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা প্রদান করার ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তী অনুচ্ছেদসমূহে এমআইএস এর আওতায় তথ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিসত্মারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তথ্য সংরক্ষণ সুচারম্নরূপে করার লÿÿ্য ইউনিয়ন পরিষদে এমআইএস এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সচিব ও উদ্যোক্তাদের সহায়তায় তা অবশ্যই বাসত্মবায়ন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ এর প্রতি বিশেষ গুরম্নত্ব আরোপ করবেন। ইউনিয়ন পরিষদ তাদের গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্যাদি যেমন হিসাবরক্ষণ, ক্রয়, আয়কর ইত্যাদি তথ্য এমআইএস এ সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের কাজকে আরো সহজ করবে। সর্বোপরি ইউপি তথ্য প্রদানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগকে সহায়তা প্রদান করবে। এর ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগ এমআইএস থেকে বিভিন্ন তথ্য বিচার বিশেস্নষণ করার মাধ্যমে তার পরবর্তী কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারবে। এছাড়াও এমআইএস এ সঠিক তথ্য প্রদান মাঠ পর্যায়ে অডিট কার্যক্রম সঠিক ভাবে সম্পন্ন করার ব্যপারে সহায়ক হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ তথ্য অবশ্যই এমআইএস এ দিতে হবে যাতে করে এমআইএস থেকে প্রাপ্ত যে কোন সাধারণ তথ্য পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া তা সরাসরি এলজিএসপি এর ওয়েব সাইটে লিংক হিসাবে থাকবে যেখান থেকে সারা দেশের মানুষ উপকৃত হতে পারে।
৮.৭.৪.৩ বাজেট ও পরিকল্পনা :
ইউনিয়ন পরিষদসমূহ তাদের বাজেট এমআইএস এর মাধ্যমে প্রস্ত্তত রাখবে। এর সাথে তাদের পঞ্চবার্ষিক স্কিম এবং আর্থিক পরিকল্পনাসমূহ অমত্মর্ভুক্ত করতে হবে। প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদকে তার বাজেট অবশ্যই এমআইএসে দিতে হবে। স্কিমসমূহের নাম ও এর বিসত্মারিত বিবরণ দিতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় প্রতিবেদনের হার্ড কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
সকল সম্পদের সঠিক তথ্য এমআইএসে থাকা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া সকল স্কিমসমূহের হালনাগাদ তথ্য এমআইএসে দিতে হবে। যে কোন সময় যে কোন স্কিম বা কোন স্থায়ী সম্পদ নিয়ে কোন প্রশ্ন আসলে তা যেন এমআইএস এ তার সঠিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। প্রতিটি সম্পদকে যাতে পৃথক করে চেনা যায় তার ব্যবস্থা এমআইএসে থাকতে হবে ।
এলজিএসপি’র স্কিমসহ সকল স্কিমের ক্রয় প্রক্রিয়া এমআইএস এ দিতে হবে। ঠিকাদার/সরবরাহকারীদের তথ্য কোন ভাবেই ভুল বা একই তথ্য পুনরায় দেওয়া যাবে না। সকল স্কিমের ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সম্মতিসমূহ সংরক্ষণ করতে হবে। ঠিকাদারদের ট্যাক্স এবং ভ্যাটের কর্তন নিশ্চিতপূর্বক তাদের প্রাপ্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে। প্রতিটি স্কিমের জন্য অবশ্যই স্কিম সুপারভিশন কমিটির সত্যায়ন পত্র থাকতে হবে। নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে উপজেলা বা নিয়োগকৃত প্রকৌশলীর দেওয়া প্রাক্কলনের হার্ডকপি সংরক্ষণ করতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদকে তার সকল প্রকার হিসাবের তথ্য নিয়মিত এমআইএসে প্রদান করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের ক্যাশবুক প্রতিদিন হালনাগাদ করতে হবে। সঠিক সময়ে ষন্মাসিক প্রতিবেদন ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করতে হবে এবং তা পরবর্তীতে অডিট করার সময় দেখাতে হবে। সঠিক বার্ষিক প্রতিবেদন ইউনিয়ন পরিষদের দক্ষতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ৪ পয়েন্ট যোগ করবে। নিয়মিত এমআইএস-এর হিসাবরক্ষণে ডাটা এন্ট্রী এবং সকল প্রতিবদন সংরক্ষণ না হলে সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ÿÿত্রে পরবর্তীতে বিবিজি ও পিবিজি স্থগিত করা হতে পারে। প্রতিটি আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ তার নিজস্ব ভাউচারসমূহ এমআইএসে উলেস্নখ করবে, যাতে করে পরবর্তীতে তা খুঁজে পেতে বেগ পেতে না হয়। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ তার অ্যাকাউন্ট কোডসমূহ সংরক্ষণ করবে যাতে করে পরবর্তীতে তা এমআইএস-এ এন্ট্রী করতে কাজে লাগে।
৮.৭.৪.৭ করনিবন্ধন ও কর আদায় :
ইউনিয়ন পরিষদের সকল হোল্ডিং এর সঠিক বিবরণ এমআইএস এ দিতে হবে এবং প্রতি বছর যেন তা হালনাগাদ থাকে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিবরণ সংক্রামত্ম সঠিক তথ্য এমআইএস -এ হালনাগাদ থাকতে হবে। প্রতি বছর সঠিক নিয়ম পালন করে কর নির্ধারণ ও তা আদায় করতে হবে এবং হিসাবরক্ষণে তা আদায় দেখাতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিবেদনসমূহের হার্ডকপি সংরক্ষণ করতে হবে।
৮.৭.৪.৮ সামাজিক সুরক্ষা (সেফগার্ড) :
সকল স্কিমের জন্য এমআইএস এ উলেস্নখিত সামাজিক সুরক্ষার ফরমটি পুরন করা বাধ্যতামূলক এবং অডিটের সময় তা প্রদর্শন করতে হবে। সামাজিক সুরক্ষার লÿÿ্য সঠিক স্কিম নির্বাচনপূর্বক তা বাসত্মবায়নের পাশাপাশি স্কিমের জন্য এমআইএস -এ নির্দিষ্ট ফরমটি হালনাগাদ করতে হবে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শিশু মাইগ্রেশন এর তথ্য এমআইএস এ দেওয়া জরম্নরী । সঠিক তথ্য শিশু মাইগ্রেশন এ দেবার ফলে দেশের শিশুরা সামাজিকভাবে আরো বেশি সুরক্ষা পাবে। সুতরাং এমআইএস -এ শিশু মাইগ্রেশন সংক্রামত্ম তথ্য হালনাগাদ করা জরম্নরী । শিশু বান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠা করা সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি অংশ । শিশু মাইগ্রশন সংক্রামত্ম তথ্য সরকারের এই উদ্দেশ্য বাসত্মবায়নে গুরম্নত্ব বহন করে।
৮.৭.৪.১০ অতি দারিদ্র জনগোষ্ঠির তালিকা (E category):
দেশের সকল ইউনিয়নের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর হালনাগাদ তালিকা এমআইএস -এ থাকা অত্যাবশ্যক। সরকার অতি দরিদ্রদের তালিকা প্রস্ত্তত করে তাদের বিভিন্ন সময়ে সামাজিক সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। সে কারণে এমআইএস-এ এ সংক্রামত্ম তথ্য হালনাগাদ করলে সরকার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান করতে পারবে। ইউনিয়ন পরিষদ সরকারের চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন তালিকা প্রদান করবে। সে ক্ষেত্রে সরকারিভাবে অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এ ক্ষেত্রে এমআইএস এ ডাটা এন্ট্রী করার দরম্নন একই ব্যাক্তির প্রতিবার সাহাজ্য পাওয়া বন্ধ হবে এবং অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সকলে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসবে। ইউনিয়ন পরিষদ প্রতি বছর অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তালিকা হালনাগাদ রাখবে।
৮.৭.৪.১১ স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেম :
স্কিম বাসত্মবায়নে আরো স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে সরকার ইউনিয়ন পরিষদসমূহের জন্য একটি মোবাইল বেইজড মনিটরিং সিস্টেম চালু করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কাজের তদারকি করার জন্য উলেস্নখিত মনিটরিং সিস্টেমটি খুবই গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে। স্মার্ট সিস্টেমটিতে পাবলিক ও প্রাইভেট দুটো পর্যায় থাকার কারণে দেশের জনগণ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত সহজে সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে স্থানীয় জনগণের সহিত ইউনিয়ন পরিষদের কাজের সম্পৃক্ততা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
৮.৭.৪.১২ হেল্পডেস্ক :
স্থানীয় পর্যায়ে এমআইএস ব্যবহারে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সরকার একটি হেল্পডেস্ক চালু করেছে। যার বৈশিষ্ট্য হলো মাঠ পর্যায়ে এমআইএস ব্যবহারে ব্যবহারকারীর যে কোন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া। এর জন্য ৪ জন প্রশিক্ষিত জনবল নিয়জিত রয়েছে। যে কোন এমআইএস ব্যাবহারকারী তার কাজের সময় উদ্ভুত সমস্যার কারণে ১৬২৫৬ নম্বরে ফোন করতে পারেন। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কিত যে কোন তথ্যের জন্য এই হেল্প ডেস্ক সহায়তা প্রদান করবে।
সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমের মাঠ পর্যায়ের সফল বাসত্মবায়নের ÿÿত্রে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে এমআইএস একটি যুগামত্মকারী পদক্ষেপ। সঠিক এবং নিয়মিত ডাটা এন্ট্রীর মাধ্যমে সরকারের এই কার্জক্রমকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে এমআইএস ব্যবস্থার গুরম্নত্ব অপরিসীম। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ তার নিজ কার্যক্রম সহজীকরণের পাশাপাশি দেশকে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্য বাসত্মবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে । ফলশ্রম্নতিতে, সরকার তার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমকে সহজে বাসত্মবায়ন করতে পারবে। ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে শক্তিশালী করতে ইউপি পর্যায়ে এমআইএস অনেক গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এলজিএসপি -৩ এর আওতায় উলেস্নখিত এমআইএস প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য আরো প্রয়োজনীয় পদÿÿপ প্রহণ করা হবে।
পৌরসভার বিদ্যমান থোক বরাদ্দের পরিমান বৃদ্ধির জন্য এলজিএসপি -৩ এর আওতায় সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ প্রদান করা হবে। দেশের ১৬ টি পৌরসভা যাদের জনসংখ্যা ৬০,০০০ বা এর কম তাদেরকে সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ প্রদান করা হবে। ৮ টি বিভাগের প্রতিটি থেকে ২ টি করে পৌরসভা উপরোক্ত মানদন্ডের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। পাইলটিং সফলতার সাথে বাসত্মবায়িত হলে অধিক সংখ্যক পৌরসভাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার বিধান প্রকল্পে থাকবে। পৌরসভার জন্য সম্প্রসারিত থোক বরাদ্দ প্রদান প্রকল্পের ২য় বছর থেকে শুরম্ন হবে। বর্তমানে পৌরসভাসমূহ তাদের শ্রেনী অনুসারে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বার্ষিক এডিপি অনুদান পেয়ে থাকে। এলজিএসপি -৩ এর আওতায় উলেস্নখিত অনুদানের পরিমান জিওবি ও আইডিএ সমান ভাবে পিএমইউ ব্যাংক একাউন্টে রাখা হবে।
পৌরসভার থোক বরাদ্দ দুই ধাপে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। মোট বরাদ্দের পঁচিশ শতাংশ সব অংশগ্রহণকারী পৌরসভার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে। অবশিষ্ট পঁচাত্তর শতাংশ নূন্যতম শর্তসমূহ (এমসিএস) পূরণকারী পৌরসভার মধ্যে বিতরণ করা হবে। ন্যূনতম শর্ত হলো (ক) আপত্তিহীন বার্ষিক আর্থিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন; (খ) কার্যকর টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি; (গ) বাজেট প্রণয়ন ও মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের অনুমোদন; এবং (ঘ) নিয়মিত / সময়মত আর্থিক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রনয়ন এবং তা এলজিএসপি -৩ এর পিএমইউ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিল। ইউপির মত অডিট ফার্মর মাধ্যমে একই প্রক্রিয়া অনুসরণে সকল পাইলটিং পৌরসভার বার্ষিক অডিট সম্পন্ন করতে হবে।
প্রকল্প থেকে পৌরসভার অনুদান দুটি ষান্মামাসিক কিসিত্মতে সরাসরি বিতরণ করা হবে। পৌরসভা তাদের বরাদ্দ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে - যেমন রাসত্মা রক্ষণাবেক্ষণ, কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য পৌর পরিসেবা কাজে ব্যবহার করতে পারবে। তবে এ তহবিল কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জন্য ব্যবহার করা যাবে না এবং কোনো নেতিবাচক তালিকায় উলেস্নখিত কোন কর্মকান্ডে বিনিয়োগ করতে পারবে না।
ইউনিয়ন পরিষদের উন্নত শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য এলজিএসপির অনুসৃত দÿতা উন্নয়ন ও তথ্য-শিক্ষা-যোগাযোগ (আইইসি) প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের উপর জোর দেয়া হয়েছে। তবে এলজিএসপি -২ এর বিদ্যমান সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইইসির দূর্বলতা পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সেগুলো বিবেচনা করে এলজিএসপি -৩ এর অধীনে দÿতা উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এলজিএসপি-৩ এর আওতায় ইউপির দÿতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের দÿতা উন্নয়ন ও তথ্য-শিক্ষা-যোগাযোগ (আইইসি) কার্যক্রম প্রনয়ন করা হবে। দÿতা উন্নয়ন সাব-কম্পোনেন্ট ইউনিয়ন পরিষদের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত জাতীয় বেসিক ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এলজিএসপি -২ এর তুলনায়, এলজিএসপি -৩ এর সক্ষমতা বৃদ্ধির পদ্ধতিতে ক্লাশরম্নম ভিত্তিক আলোচনা অনেক কম রাখা হয়েছে। প্রশিÿণ অধিবেশনসমূহ অডিও ভিজুয়াল উপকরণ ভিত্তিক এবং ইন্টারেক্টিভ প্রকৃতির। পেশা / কর্ম ভিত্তিক শিÿা এবং হাতে কলমে করণীয় পদ্ধতির উপর অধিক জোর প্রদান করা হয়েছে। ইউপি আইন ২০০৯ এবং সংশিস্নষ্ট সরকারি পরিপত্র অনুসরণ করে ইউপি অপারেশনাল ম্যানুয়েল প্রনয়ণ করা হয়েছে যা সক্ষমতা বৃদ্ধির সকল কার্যক্রমের জন্য ভিত্তি হিসেবে পরিবেশন করা হবে।
ইউপির সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নিমেণাক্ত প্রক্রিয়ায় প্রদান করা হবে: (ক) সরবরাহ ভিত্তিক (supply-driven) মূল প্রশিক্ষণ; (খ) চাহিদা ভিত্তিক এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ; এবং (গ) হেল্পলাইন, সমস্যাসমাধান, হাতে কলমে শিÿা এবং on the job support ও মেন্টরিং । পিএমইউ কর্তৃক LGD, DDLGs ও District Facilitators দের জন্য সকল প্রকার মূল প্রশিÿন ও বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন ও প্রদান করা হবে। ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটরগন পরিবেশ এবং সামাজিক সুরÿা বিষয়ক প্রশিÿণ DDLGs and DLGs র নির্দেশনায় জেলা পর্যায়ে আয়োজন করবেন।
বিদ্যমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ব্যবহার করে তিন সেট ট্রেনিং ভিডিওর মাধ্যমে (১) ইউপি প্রতিনিধি, (২) ওয়ার্ড কমিটি ও স্কিম সুপারভিশন কমিটির সদস্য এবং (৩) পববেশগত সুরÿা বিষয়ে বিশেশায়িত প্রশিÿণ প্রদান করা হবে। প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের Access to Information (A2I) ও এলজিএসপি-৩ এর মধ্যে এ ব্যাপারে একটি সমোঝতা স্বারক স্বাÿরিত হবে।
মাঠ পর্যায়ে ইউপি ও পৌরসভার চাহিদা ও প্রয়োজনের নিরীখে পিএমইউ সংশিস্নষ্ট ইউপি ও পৌরসভার জন্য বিশেষ প্রশিÿণ আয়োজন করবে। এছাড়া, এলজিএসপি-২ এর ন্যায়, এলজিএসপি-৩ এর আওতায় ইউপি ও পৌরসভাসমূহ যথাক্রমে বিবিজি/ইবিজি বরাদ্দের ১০% অর্থ তাদের চাহিদা মাফিক বিশেষ প্রশিÿণ কাজে ব্যয় করতে পারবে।
প্রকল্পের কার্যক্রম বাসত্মবায়ন কালে ইউপি, WC, SSC, পৌরসভাসমূহ, TLCC এবং WLCC অনেক সমস্যার সম্মূখীন হতে পারে এবং সে ÿÿত্রে তারা এ সকল সমস্যা সমাধানের লÿÿ্য LG Helpline এর সাথে আলোচনা করতে পারবে। LG Helpline পরিচালনার জন্য পিএমউ ও এনআইএলজি কর্তৃক কতিপয় বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেয়া হবে যাতে তাঁরা হেলপলাইনের অপারেটরদের মাঠ থেকে প্রাপ্ত প্রশ্নের/সমস্যার সঠিক উত্তর দিতে পারে। LG Helpline এর অফিস এনআইএলজিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং এটি pay and use basis এ পরিচালিত হবে।
এনআইএলজিতে প্রতিষ্ঠিত Horizontal Learning Centre (HLC) স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত পারষ্পরিক শিখন কর্মসূচির সেক্রেটারিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। উলেস্নখ্য HLC কতিপয় উন্নয়ন সহযোগীর অর্থায়নে পরিচালিত হয়। ইউপি ও পৌরসভাসমূহ HLC/ Helpline এর মাধ্যমে তাদের ভাল বিষয়ের চর্চাসমূহ চিহ্নিত করতে পারবে, তাদের peer-দের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে, মাঠ থেকে শিখবে এবং নিজেদের কর্মÿÿত্রে তা বাসত্মবায়ন করবে। এছাড়া, HLC এলজিএসপি-৩ -এর ভাল চর্চাসমূহ চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান করবেএবং শিÿার্থীদেরকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রশিÿকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদÿÿপ গ্রহণ করবে।
ইউপি অপারেশনাল ম্যানুয়েলের উপর ভিত্তি করে একটি ভিডিও ট্রেনিং সিরিজ নির্মাণ করা হবে এবং তা স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এলজিএসপি’র ওয়েবসাইটে আপলোড করার পাশাপাশি ইউপির ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে প্রশিÿণ কাজে ব্যবহার করা হবে।
এলজিএসপি-৩ এর আওতায় উদ্ভাবিত আইইসি স্ট্রেটেজি মূলত: স্থানীয় জনগোষ্ঠী, মিডিয়া, এনজিও, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্সীসমূহসহ ব্যাপকভাবে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের উপর আলোকপাত করা হবে। আইইসি’র আওতায় মূল কর্মকান্ডসমূহ নিমণরূপ:
(ক) ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা সংশিস্নষ্ট ফিস্কাল ট্রান্সফার, ট্যাক্স আদায়, অর্থের ব্যবহার এবং অন্যান্য স্থানীয় উন্নয়ন বিষয়ের উপর অগ্রিম তথ্য প্রবাহ প্রকাশ নিশ্চিতকরণ;
(খ) ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা ফাংশানারিজ এবং স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার সঠিক জবাব প্রদান নিশ্চিতকরণ;
(গ) বিভিন্ন ভাল চর্চার প্রচারণা নিশ্চিতকরণ; এবং
(ঘ) পিরিওডিকেলস, নিউজলেটার, ব্রসিউর, নোটবুক, ক্যালেন্ডার, ডায়েরি, পোষ্টারস ও লিফলেট ইত্যাদি প্রকাশনা মুদ্রণ ও প্রকল্প সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন মহলে বিতরণ।
প্রকল্পের সুষ্ঠু বাসত্মবায়নের লÿÿ্য কতিপয় টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে একটি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট থাকবে। দু’জন উপ-প্রকল্প পরিচালক ও একজন সহকারী প্রকল্প পরিচালকের সহায়তায় একজন প্রকল্প পরিচালক প্রকল্পের সার্বিক বাসত্মবায়নের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, প্রকল্প বাসত্মবায়নে পিএমইউ-কে সহায়তা প্রদানের জন্য ০৯ জন সিনিয়র পরামর্শক, ০৫ জন স্পেশালিষ্ট ও ১১ জন এসোসিয়েট/এনালিষ্ট নিয়োগ প্রদান করা হবে। অধিকন্তু, মাঠ পর্যায়ে ৪৫৪০ টি ইউপিকে সহায়তা প্রদানের জন্য প্রকল্পের আওতায় ৭৪ জন জেলা সহায়ক নিয়োগ দেয়া হবে।
এলজিএসপি-২ এর আওতায় পিএমইউ ও ডিডিএলজিগন কর্তৃক ব্যবহৃত ক্রস কান্ট্রি ভিহিকেল ও মাইক্রোবাসসহ সকল সম্পদ ও যন্ত্রপাতি এলজিএসপি-৩ স্থানামত্মর (Rollover) হবে। এছাড়া, পিএমইউ অফিসসহ সকল আসবাবপত্র ও অফিসের যন্ত্রপাতি এলজিএসপি-৩ এ স্থানামত্মর হবে এবং এলজিএসপি-৩ এর মালিকানায় পরিচালিত হবে। অনুরূভাবে, ডিডিএলজি অফিসে প্রদত্ত সকল যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র এলজিএসপি-৩ এর আওতায় নিজ নিজ জেলার সংশিস্নষ্ট ডিডিএলজি অফিসে স্থানামত্মর ও ব্যবহৃত হবে।
মাঠ পর্যায়ে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদকে সফলভাবে এলজিএসপি’র আওতায় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাসত্মবায়ন, মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য দেশের সকল জেলায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে নিম্নরূপভাবে জেলা সমন্বয় কমিটি (ডিসিসি) গঠন করতে হবে।
| ১) জেলা প্রশাসক | সভাপতি |
| ২) জেলার সকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | সদস্য |
|
|
|
| ৪) জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার | সদস্য |
| ৫) জেলার প্রত্যেক উপজেলা থেকে একজন ভাইস চেয়ারম্যান (পর্যায়ক্রমিকভাবে) | সদস্য |
| ৬) জেলার প্রত্যেক উপজেলা থেকে একজন ইউপি চেয়ারম্যান (পর্যায়ক্রমিকভাবে) | সদস্য |
| ৭) প্রত্যেক উপজেলা থেকে একজন নারী ইউপি সদস্য (পর্যায়ক্রমিকভাবে) | সদস্য |
| ৮) জেলা পর্যায়ে সংশিস্নষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রধান (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, সমাজ সেবা, বিআরডিবি এবং জেলায় কর্মরত অন্য কোনো গুরম্নত্বপূর্ণ সংস্থার জেলা পর্যায়ের দপ্তর প্রধান)। | সদস্য |
| ৯) জেলা প্রশাসন কর্তৃক মনোনীত এনজিও প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ/আগ্রহী গণ্যমান্য ব্যক্তি (৩-৫ জন) | সদস্য |
| ১০) উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার। | সদস্য-সচিব |
জেলা সমন্বয় কমিটি প্রতি ৬ মাসে অমত্মত একবার সভা করবে; তবে, সভাপতি জরম্নরী প্রয়োজনে একাধিক সভা আহবান করতে পারবেন। জেলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠানের জন্য সদস্য-সচিব সকল সদস্যকে অমত্মত এক সপ্তাহ আগে লিখিত নোটিশ প্রদান করবেন।
সকল জেলা সদরে অথবা কমিটির সিদ্ধামত্ম অনুযায়ী কোনো একটি উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সভার কার্যবিবরণী সংশিস্নষ্ট সকলকে এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
মাঠ পর্যায়ে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদে সফলভাবে এর বাসত্মবায়ন এবং যথাযথভাবে তা মনিটরিং-এর জন্য প্রতিটি উপজেলায় নিম্নরূপভাবে বস্নক গ্রান্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটি (বিজিসিসি) গঠন করতে হবে:
| উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) | সভাপতি |
| উপজেলার অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান | সদস্য |
| ইউনিয়ন পরিষদ থোক বরাদ্দের ব্যাংক এ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারী মহিলা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য | সদস্য |
| উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী, এলজিইডি | সদস্য-সচিব |
* উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপপরিচালক স্থানীয় সরকার বিশেষভাবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বিজিসিসি সভায় উপস্থিত থাকবেন।
বিজিসিসি নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলোতে ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে পরামর্শ ও সহায়তা দিবে:
বিজিসিসি প্রতি তিন মাসে অমত্মত একবার সভায় বসবে। বিজিসিসি এর বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সমন্বয় সভায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে অংশগ্রহণ করার জন্য উপজেলায় বিদ্যমান বিভিন্ন সংস্থাকে (যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি) আমন্ত্রণ জানাতে পারবে। প্রয়োজনে, বিজিসিসি এর সভাপতি অতিরিক্ত বিজিসিসি সভা আহবান করতে পারবেন।
পদ্ধতি ১: যদি যথোচিত মনে হয়, ৫০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার কম ব্যয় সম্পন্ন শ্রমঘন স্কিম ওয়ার্ড কমিটি সরাসরি বাসত্মবায়নকরতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিটির দায়িত্বসমূহ নিমণরূপ:
পদ্ধতি ২: ওয়ার্ড কমিটি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিমেণাক্ত কাজ করবে:
আপোশ নিস্পত্তির মাধ্যমে যে কোন কমিটি গঠন সংক্রামত্ম; প্রকল্প বাছাই, নকশা প্রনয়ন; পরিকল্পনা ও বাসত্মবায়ন; ক্রয়; পরিবেশ ও সামাজিক নির্দেশনা ইত্যাদি যে কোন সমস্যা, অভিযোগ ও আপত্তিসমূহ এবং অপরাপর যে কোনো উদ্ভূত বিষয় সমাধানের জন্য এলজিএসপি-৩ এর আওতায় আপত্তি/ অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ পদ্ধতি (জিআরএম) কাজ করবে। এই পদ্ধতি দায়িত্বপূর্ন তদারকি ও মনিটরিং ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করবে। জিআরএম সর্বসত্মরের জনগোষ্ঠীর সুবিধাসহ সময়মতো স্কিমের বাসত্মবায়নে সাহায্য করবে।
প্রত্যেক ইউপি পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ কমিটি (জিআরসি) গঠন করবে যারা তাদের সততা, পক্ষপাতহীনতা ও স্বচ্ছতার জন্য এলাকায় সম্মানিত। কমিটিতে অমত্মতপক্ষে একজন মহিলা সদস্য থাকবেন যিনি গৃহস্থালীর কাজের বাইরেও কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।
অভিযোগ দাখিলের পদ্ধতি লিখিত, টেলিফোন, ই-মেইল অথবা প্রকল্পের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। কোনো ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী সরাসরি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অভিযোগ উত্থাপন করতে পারবেন।
অভিযোগ দাখিলের পদ্ধতি সম্পর্কে জন অবহিতকরণ: তৃতীয় এলজিএসপি’র ওয়েবসাইট, ইউনিয়ন পরিষদের অপারেশন ম্যানুয়াল, ব্রসিউর, ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ড ও যেখানে জনসমাগম বেশি হয় সে স্থানে এবং ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সভার মাধ্যমে অবহিত করা যাবে।
নিরপেক্ষতা : জেলা পর্যায়ে উপপরিচালক স্থানীয় সরকার অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার প্রধান হবেন এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় সাধারণের প্রবেশাধিকার ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদকে একটি স্বাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ কমিটি গঠনে সহায়তা করবেন। সমাজের সম্মানিত এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিবর্গ এ কমিটির সদস্য হবেন, যেমন- স্কুলের প্রধান শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, আইনি সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা এনজিও।
দায়িত্বশীলতা: অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ প্রাপ্তির দুই সপ্তাহের মধ্যে এর প্রাপ্তি স্বীকার করবেন। ইউনিয়ন পরিষদ অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ কমিটিকে অভিযোগের প্রমাণাদি সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ৩০ কার্যদিবস পর্যমত্ম সময় প্রদান করতে পারে। সাধারণভাবে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে।
তথ্য সংরক্ষণ ও প্রকাশ: ডিডিএলজি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অভিযোগ গ্রহণের সংখ্যা, ধরন, অভিযোগের ভিত্তিতে সমাধানসহ জিআরএম এর কার্যাবলী পরিবীক্ষণ করবেন এবং ইউপি ও পিএমইউ-এর সাথে এ বিষয়ে মত বিনিময় করবেন। এই উদ্দেশে প্রতিটি ইউপি, জিআরসি বরাবর শুনানী ও অভিযোগের সমাধানসমূহ সম্পর্কে সংশিস্নষ্ট ডিডিএলজি বরাবর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রেরণ করবে। ডিডিএলজি, ডিএফ এর সহযোগিতায় সকল অভিযোগসহ অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা, অভিযোগের ধরণ, বিভিন্ন পর্যায়ের শুনানীর ফলাফল, অভিযোগকারীর পক্ষে ও বিপক্ষের সিদ্ধামত্মসমূহ সংরক্ষণ করবেন।
নাম প্রকাশ না করা ও গোপনীয়তা: অভিযোগ দাখিলকারী নাগরিক যদি নাম না প্রকাশ করতে অনুরোধ করে তাহলে ওয়েবসাইট ও মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না। অভিযোগ নিষ্পত্তিকালীন সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
*এ অভিযোগ নিষ্পত্তিকরণ ব্যবস্থা কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে আদালতে যাওয়ার অধিকার থেকে বিরত রাখতে পারবে না।
| পদক্ষেপ | ভূমিকা গ্রহণকারী | উদ্দেশ্য |
|---|---|---|
| ১. স্কিম বাসত্মবায়ন প্রস্ত্ততি সভা | ওয়ার্ড কমিটি |
|
| স্কিম চূড়ামত্মকরণের উদ্দেশ্যে ফর্ম-এ (১০.৫.১) পূরণ | ওয়ার্ড কমিটি |
|
| ২. স্কিমভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন | ওয়ার্ড কমিটি / স্কিম সুপারভিশন কমিটি |
|
| ৩. ক্রয় সংক্রামত্ম চুক্তি সম্পাদন | দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি |
|
| ৪. কারিগরি এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষণ এর লক্ষ্যে ফর্ম-বি (১০.৫.২) পূরণ | স্কিম সুপারভিশন কমিটি |
|
| স্কিমের ভূমি আধিগ্রহণ যাচাইকরণ রেকর্ড ফর্ম- ডি (১০.৬.৯) | ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি পূরণ করবেন ও সুপারভিশন কমিটির সভাপতি যাচাই করবেন | ভূমি আধিগ্রহন বা স্বপ্রণোদিত জমি প্রক্রিয়া যাচাই করা |
| ব্যক্তি পর্যায়ে স্বেচ্ছায় দানকৃত ভূমি ব্যবহারের চুক্তিনামা ফর্ম- ই (১০.৬.১০) পূরণ
| জমি দানকরি ও জনগনের পক্ষে জমি গ্রহণকারীর হিসাবে ইঊপি চেয়ারম্যান | স্কিমের সুফল লাভে সংশিস্নষ্ট জনগোষ্ঠীর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ভূমি দাতা ও ভূমি গ্রহীতা হিসাবে ইউপি চেয়ারম্যানের চুক্তিপত্র |
| স্কিমের বাসত্মবায়ন সম্পন্নকরণ রেকর্ড ফর্ম-সি (১০.৫.৩) পূরণ | সুপারভিশন কমিটি ও চেক সইকারি | স্কিমের বাসত্মবায়ন সম্পর্কে তথ্য |
| ৫. পাওনা পরিশোধের প্রত্যয়নপত্র | স্কিম সুপারভিশন কমিটি | স্কিম বাসত্মবায়ন শেষে বিল পরিশোধের জন্য প্রত্যয়নপত্র দেওয়া |
| ৬. পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ | ওয়ার্ড কমিটি/ স্কিম সুপারভিশন কমিটি জনগণ |
|
| ৭. প্রতিবেদন তৈরি | ওয়ার্ড কমিটি/ স্কিম সুপারভিশন কমিটি |
নমুনা ফরম-২) |
এছাড়াও
এলজিএসপি’র প্রকল্পাধীন স্কিম বাসত্মবায়ন করার জন্য একটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ওয়ার্ড কমিটি (WC) এবং স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি (SSC) নামে দুইটি কমিটি থাকবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে, প্রকাশ্য সভায় সকলের অংশগ্রহণে ওয়ার্ড কমিটি (WC) এবং স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি (SSC) গঠন করা হবে। ওয়ার্ডের জনসাধারণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কমিটির সদস্যদের মনোনীত করবেন। একই ব্যক্তি একই সাথে স্কিম তত্ত্বাবধান কমিটি এবং ওয়ার্ড কমিটি-র সদস্য হতে পারবেন না। স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলিও স্কিম বাসত্মবায়নে সহায়তা প্রদান করবে।
ওয়ার্ড নং ............... স্কিম শিরোনাম ............................................................. স্কিম বাসত্মবায়ন সময়কাল ............... থেকে ...............।
স্কিম বাসত্মবায়ন পদ্ধতি : ওয়ার্ড কমিটি’র মাধ্যমে/টে-ারের মাধ্যমে
| ক্রম | কার্যক্রম | ১ম মাস | ২য় মাস | ৩য় মাস | ৪র্থ মাস | ৫ম মাস | দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি |
| ১ |
|
|
|
|
|
|
|
| ২ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৭ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৮ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৯ |
|
|
|
|
|
|
|
| ১০ |
|
|
|
|
|
|
|
ওয়ার্ড কমিটি’র সভাপতির নাম ও স্বাক্ষর
ওয়ার্ড নং ............... স্কিম শিরোনাম ............................................................ স্কিম বাসত্মবায়ন সময়কাল....................... মাস থেকে ...................... মাস
স্কিম বাসত্মবায়ন পদ্ধতি : ওয়ার্ড কমিটি’র মাধ্যমে/টেন্ডারের মাধ্যমে
মাস ..............................
| ক্রম | কার্যক্রম | লক্ষ্যমাত্রা | অর্জন/অগ্রগতি | লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অর্জন/ অগ্রগতি না হলে তার কারণ |
| ১ |
|
|
|
|
| ২ |
|
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
|
| ৭ |
|
|
|
|
| ৮ |
|
|
|
|
| ৯ |
|
|
|
|
| ১০ |
|
|
|
|
স্কিম সুপারভিশন কমিটি’র সভাপতির নাম ও স্বাক্ষর
নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী পুরম্নষের সমতা বিধানে ইউনিয়ন পরিষদ গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারীর অধিকার রক্ষায় এবং সামাজিক বৈষম্য ও নির্যাতন থেকে নারীর সুরক্ষার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারে এবং করবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটিগুলোর এক তৃতীয়াংশের সভাপতি হবে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত নারী সদস্যগণ। ইউনিয়ন পরিষদ এ বিধান অবশ্যই প্রতিপালন করবে। স্কিম বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে মোট বরাদ্দের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ স্কিম মহিলারা বাসত্মবায়ন করবে এবং এ বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নিশ্চিত করবে। নারীর অধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদ নিমণ বর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে:
সুশাসন ব্যবস্থা ধরে রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদকে দীর্ঘ মেয়াদী প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ সংক্রামত্ম সহায়তা প্রদান করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে এলজিএসপি এর আওতায় নারীর ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষে ইউপি মহিলা সদস্যগণকে সহায়তা প্রদানের জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মহিলা উন্নয়ন ফোরাম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা মহিলা উন্নয়ন ফোরাম এর মূল উদ্দেশ্য হবে নিম্নরূপঃ
সকল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ও সাধারণ আসনের নির্বাচিত মহিলা সদস্যগণের অংশগ্রহণে উপজেলা পর্যায়ে মহিলা উন্নয়ন ফোরাম গঠন করা হবে। এ ফোরাম বিভিন্ন কর্মকান্ড বাসত্মবায়নের মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে যাতে তাঁরা তাঁদের অধিকার সংক্রামত্ম মতামত তুলে ধরতে পারে এবং গ্রামীণ মহিলাদের বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের অধিকার সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সমর্থন দিতে পারে। সংশিস্নষ্ট উপজেলার সকল মহিলা ইউপি সদস্য পদাধিকার বলে উপজেলা মহিলা উন্নয়ন ফোরামের সদস্য হবেন। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মহিলা উন্নয়ন ফোরামের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।
ফোরামের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিমিত্ত উপজেলা পর্যায়ে একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করতে হবে। নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে দুই বছর মেয়াদে একটি নির্বাহী কমিটি নির্বাচন করতে হবে। নির্বাহী কমিটিতে কমপক্ষে প্রতি ইউপি থেকে একজন করে সদস্য থাকবেন এবং নির্বাহী কমিটি সদস্যদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারপারসন, একজন সচিব ও একজন কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করবে। এ কমিটি কমপক্ষে প্রতি তিন মাসে একবার আলোচনা সভায় মিলিত হবে এবং তাঁরা সেখানে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সংক্রামত্ম বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন - যেমনঃ বিবিজি’র আওতায় গৃহীত বিভিন্ন স্কিমের পরিকল্পনা ও বাসত্মবায়ন, গ্রামীণ মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যা এবং বছরের শুরম্নতে গৃহীত পরিকল্পনার অগ্রগতি পর্যালোচনা ইত্যাদি।
উপজেলা মহিলা উন্নয়ন ফোরামের ভূমিকা ও কার্যাবলি নিম্নরূপঃ
এলজিএসপি-৩ এর পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষার মূল বিষয়গুলো নিমণরূপ:
পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ ও ব্যবহারের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ সুস্পষ্ট ভূমিকা পালন করবে। পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে এবং মানুষের জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায় এমন কোনো স্কিম বা প্রকল্প ইউনিয়ন পরিষদ বাসত্মবায়ন করবে না বা বাসত্মবায়নে সম্মতি প্রদান করবে না। প্রকল্পের আওতায় স্কিমের চূড়ামত্ম যাচাই বাছাই, বাসত্মবায়ন, পর্যালোচনা, সমাপ্তি প্রতিবেদন ইত্যাদি পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালা আনুযায়ী হবে।
পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাবসমূহ নিরসনের লক্ষ্যে এলজিএসপি-৩ এর অধীনে বাসত্মবায়নযোগ্য সকল স্কিমের পরিবেশগত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পরিবেশগত যাচাই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রত্যেকটি স্কিমের সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব ও তার মাত্রা ও ব্যাপ্তি সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং নেতিবাচক প্রভাব প্রশমনে/ নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। স্কিমের পরিবেশগত যাচাই প্রক্রিয়াটি স্কিম বাছাইকরণ, স্কিমের নকশা প্রস্ত্তত, স্কিমের বাসত্মবায়ন এবং স্কিমের বাসত্মবায়ন তত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ কাজের অবিছেদ্দ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নিম্নবর্ণিত নীতিমালাসমূহ স্কিম নির্বাচন, প্রণয়ন ও বাসত্মবায়নে অনুসৃত হবেঃ
স্থানীয় চাহিদা, জনগণের প্রয়োজনের অগ্রাধিকার, সম্পদের সহজলভ্যতা, কারিগরি দক্ষতা/ সক্ষমতা, পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়াবলী, দরিদ্রতা হ্রাস এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনার ভিত্তিতে স্কিম নির্বাচন ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে। স্কিমের নির্বাচন ও সম্পদ সংগ্রহের জন্য ইউপি/ওয়ার্ড পর্যায়ে জনসাধারণের অংশগ্রহনের মাধ্যমে ইউপি ভিত্তিক উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা প্রসত্মুত করতে হবে।
অংশগ্রহণমূলক স্কিমের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিম্নে উলেস্নখ করা হলোঃ
প্রসত্মাবিত স্কিমের পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব যাচাইকালে সম্ভাব্য অধিকাংশ ÿতিকর প্রভাব কমিয়ে উপকারী প্রভাব বৃদ্ধির জন্য প্রশমন কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। এছাড়াও স্কিমের ÿতিকর প্রভাব কমানোর মাধ্যমে ক্যাটাগরি পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে (পরিশিষ্ট: ১১.৬)।
ইউপি, বাসত্মবায়ন অযোগ্যতা নির্দেশক পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবের তালিকার সাথে (১০.৪নং সেকশন দেখুন) ওয়ার্ড সভার প্রসত্মাবিত স্কিমের খসড়া তালিকা পর্যালোচনা করবে। সম্ভব হলে অযোগ্য স্কিমগুলোকে প্রয়োজনীয় পরির্বতন করে বাসত্মবায়ন উপযোগী করবে। ওয়ার্ড কমিটি ফরম-এ পূরণের মাধ্যমে সকল উপযোগী (নেতিবাচক তালিকা বহিভূর্ত) স্কিমের পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা যাচাই করবে এবং চুড়ামত্মভাবে মনোনয়ন দিবে। স্কিম সুপারভিশন কমিটি, স্কিমের নকশা, বাসত্মবায়ন এবং পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা প্রভাব প্রশমন ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। প্রয়োজনবোধে, বিশেষ করে স্কিম বাসত্মবায়নে যখন ব্যক্তিগত জমির প্রয়োজন হয় এবং জনগনের বাস্ত্তচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সে ÿÿত্রে স্কিম সুপারভিশন কমিটি স্কিমের স্থানে গিয়ে ও সংশিস্নষ্ট জনগনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধামত্ম নিতে পারে।
প্রকল্পের পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব যাঁচাই করার জন্য, ওয়ার্ড কমিটি উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট প্রযুক্তিগত সহায়তা চাইতে পারে। ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিটি, ফর্ম-ডি (ভূমি আধিগ্রহন যাচাইকরন) পূরণ করবে। ব্যক্তিগত জমির স্বেচ্ছাকৃত দানের জন্য সমঝোতা স্মারক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও দাতা দ্বারা সম্পন্ন হবে। প্রভাব যাঁচাইয়ের সময় ওয়ার্ড কমিটির দ্বারা পরিবেশগত প্রশমন ব্যবস্থা তালিকারে নিশ্চিত করা হবে। স্কিম সুপারভিশন কমিটি স্কিম পরিদর্শনের সময় কারিগরি সহায়তার সাথে পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সহায়তা করবে।
![]() |

বাংলাদেশের অধিকাংশ ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে পার্বত্য চট্টগ্রামে। স্কিম বাসত্মবায়নের ফলে ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকেরা যাতে বিরূপভাবে ÿতিগ্রসত্ম না হয় এবং যাতে তারা্ সাংষ্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হয় এলজিএসপি-৩ সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের পরামর্শক্রমে স্কিমের বাছাই, নকশা প্রসস্ত্ততকরণ ও বাসত্মবায়নের সময় নিরম্নপন ও নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুনিশ্চিত করার লÿÿ্য বিশ্ব ব্যাংকের OP 4.10 এ যে চারটি বৈশিষ্টের উলেস্নখ রয়েছে তার আলোকে ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে।
| ক্যাটাগরি | পরিবেশগত ধরন বা ক্যাটাগরির বিবরণ | যে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে |
| সি+ / সবুজ
| অতি সামান্য পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে এ সব স্কিমের | পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার নিরিখে আর কোনো পরিবেশ বিষয়ক বিশেস্নষণ বা পদক্ষেপ এসব ঙিমে প্রয়োজন হবে না। |
| সি / অরেঞ্জ এ
| স্বল্প মাত্রার পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে এ সব স্কিমের | পরিবেশগত প্রভাব পুষিয়ে নেওয়ার জন্য প্রকল্পের গঠন কাঠামোর মধ্যে নিরসনমূলক সাধারণ পদক্ষেপসমূহ নিম্নরূপ-
|
| বি / অরেঞ্জ বি
| বড় ধরনের এবং অধিকতর জটিল প্রভাব রয়েছে এ সব স্কিমের | এ ধরণের স্কিমের এলজিএসপি - ৩ আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে তহবিল পাওয়ার যোগ্য নয়।
|
| এ / লাল
| এমন সব স্কিমের যাদের সম্ভাব্য প্রভাব উলেস্নখযোগ্য মাত্রার পরিবেশ ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত |
নেতিবাচক পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবের ঝুঁকি রয়েছে এমন স্কিম এলজিএসপি-৩ এর আওতায় বাসত্মবায়নের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রকল্প বাসত্মবায়নের অভিজ্ঞতার আলোকে ধারনা করা হয় যে, নিম্নোক্ত নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে ইউনিয়ন পর্যায়ে এখনও কাঙ্খিত সক্ষমতা অর্জিত হয়নি। তবে এটি বলা যায় যে, নেতিবাচক তালিকাটি অপরিবর্তনশীল নয় এবং ইউনিয়ন পরিষদের পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়ে পর্যায়ক্রমে অভিজ্ঞতা অর্জন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে তা পরিবর্তিত হতে পারে।
| পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্যাবলী নীচের তালিকাভুক্ত বৈশিষ্ট্যাবলীর যে কোন একটি থাকলে প্রকল্প প্রসত্মাব অযোগ্য বিবেচিত হবে। |
| যোগাযোগ খাত
|
| পানি সরবরাহ
|
| স্বাস্থ্য
|
| স্যানিটেশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
|
| কৃষি ও বাজার
|
| প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা
|
| প্রকল্প বাসত্মবায়নে নেতিবাচক সামাজিক প্রভাব/লক্ষন অস্থাবর সম্পদ অধিগ্রহণ, বসতবাড়ি স্থানামত্মর বা অনৈচ্ছিক পূর্নবাসন এলজিএসপি-৩ এর অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়। নিম্নোক্ত যে কোন একটি কারণে প্রসত্মাবিত প্রকল্প সামাজিকভাবে বাসত্মবায়ন অযোগ্য বিবেচিত হবে ।
|
| ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জন্য দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক ফলাফল আনতে পারে এ রকম স্কিম এলজিএসপি-৩ এর জন্য গ্রহনযোগ্য নয়। এ ধরনের প্রভাবগুলো হল-
উলেস্নখ্য যে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির উপর নেতিবাচক পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে পিএমইউ- এলজিডি ÿুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিকল্পনা ফ্রেমওয়ার্ক (এসইজিপিএফ) অনুসরণ করবে যা এলজিএসপি-৩ এর জন্য তৈরী করা হয়েছে। |
(ওয়ার্ড কমিটি কর্তৃক (WC) পূরণ করে সংশিস্নষ্ট স্কিমের ফাইলে সংরক্ষিত থাকবে)
যাচাইয়ের তারিখ:
জেলা:................................................; উপজেলা:................................................
ইউনিয়ন: ..................................; ইউনিয়ন কোড:...............; ওয়ার্ড নং:.............
ওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যানের নাম: ..............................................................
স্কিমের যাচাইকালে অংশগ্রহণকারী ওয়ার্ড কমিটির অন্য সদস্যদের নাম:
| ক্রম | নাম | মোবাইল নং | জাতীয় পরিচয় পত্র নং |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
অংশ ক: সাধারণ তথ্য
১. স্কিমের নাম:............................................................................................
২. স্কিমের ব্যবহার:.......................................................................................
৩. স্কিমের স্থান:............................................................................................
৪. স্কিম যে এলাকায় (ওয়ার্ড বা ওয়ার্ডের অংশ) সেখানকার বাসিন্দারা হচ্ছেন:
[ ] সকলেই মূলধারার জনগোষ্ঠী
[ ] সকলেই ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী
[ ] অধিকাংশ মূলধারার জনগোষ্ঠী
[ ] অধিকাংশ ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী
৫. মহিলাদের সাথে পৃথকভাবে আলোচনা হয়েছে কিনা? [ ] হ্যাঁ [ ] না
৬. স্কিমের কাজের ধরন: [ ] নতুন নির্মাণ, [ ] উন্নয়ন, [ ] মেরামত/সংস্কার
৭. স্কিমের ভৌত কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
................................................................................................................
অংশ খ: পরিবেশগত বিষয়
পরিবেশের উপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব চিহ্নিতকরণ:
| ক্রম | বিষয় | হ্যাঁ | না | মমত্মব্য |
| ১. | কৃষি জমি বা ফসলের ক্ষতি হবে কিনা? |
|
|
|
| ২. | মৎস্য উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটবে কিনা? |
|
|
|
| ৩. | গাছপালা ক্ষতিগ্রস্থ হবে কিনা? |
|
|
|
| ৪. | স্কিম এলাকায় জলাবদ্ধতা বা পয়ঃনিষ্কাশনে বাঁধা সৃষ্টি হবে কিনা? |
|
|
|
| ৫. | ভূ-পৃষ্ঠের পানির প্রবাহ, পরিমান ও পানির গুনগত মানে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা? |
|
|
|
| ৬. | সেচ কাজ এবং খালের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা? |
|
|
|
| ৭. | মানুষ এবং অন্যান্য জীবজন্তুর চলাচলে বাধা তৈরি হবে কি না? |
|
|
|
| ৮. | স্কিমের আওতায় নির্মাণ কাজ চলাকালীন শব্দ দূষনের মাত্রা বাড়বে কিনা? |
|
|
|
| ৯. | স্কিমের নির্মাণ কাজের মালামাল জমাকৃত স্থানে ধূলাবালি বৃদ্ধি পাবে কিনা? |
|
|
|
| ১০. | ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরত্বপূর্ণ স্থানের ( মসজিদ, গোরস্থান, স্মৃতিসত্মম্ভ ইত্যাদি) উপর কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা? |
|
|
|
প্রসত্মাবিত প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থাপনা (যদি লাগে)
................................................................................................................
অংশ গ: সামাজিক বিষয়
১. প্রসত্মাবিত স্কিমের কাজের জন্য বিদ্যমান অবকাঠামোর/স্থাপনার ভৌত সীমার বাইরে জমির প্রয়োজন রয়েছে কিনা? [ ] হ্যাঁ [ ] না
২. উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে, প্রয়োজনীয় জমির বর্তমান মালিকানা হচ্ছে-
[ ] সরকার (খাস জমি, সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি, ইউনিয়ন পরিষদ অথবা সরকারী মালিকানাধীন)।
[ ] ব্যক্তিগত বা বেসরকারি মালিকানাধীন জমি।
৩. প্রয়োজনীয় জমি সরকারি হলে তা বর্তমানে যে কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে
[ ] কৃষি কাজ (ভূমি ব্যবহারকারী ব্যক্তি/পরিবারের সংখ্যা:.........................)
[ ] বাসস্থানের জন্য (বসবাসকারী পরিবারের/বাড়ির সংখ্যা.........................)
[ ] বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (ব্যবসায়ীর সংখ্যা:........ দোকানের সংখ্যা:..............)
৪. প্রয়োজনীয় জমি বেসরকারী বা ব্যাক্তি মালিকানাধীন হলে, বর্তমানে তা যে কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে
[ ] কৃষি কাজ (ভূমির মালিকের সংখ্যা:............................................)
[ ] বসবাসের জন্য (খানার/পরিবারের সংখ্যা:....................................)
[ ] বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (ব্যবসায়ীর সংখ্যা:...........দোকানের সংখ্যা:.......)
মালিকানাবিহীন ব্যক্তি/ পরিবারের সংখ্যা যাঁরা সরকারী জমি থেকে উচ্ছেদের কারণে এবং/ অথবা স্বেচ্ছায় দান, বা অন্য কোনো কারণে জীবিকা হারাতে পারেন
.......................................................................................
৫. এ প্রকল্প কি কোনো জনগোষ্ঠীর জীবিকা অর্জনের জন্য তাদের ব্যবহৃত কোনো সম্পদের ব্যবহারে বিঘ্ন ঘটাবে?
[ ] হ্যাঁ [ ] না
৬. যদি ভুমির মালিকানা কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর হয়, তাহলে ভুমির মালিকানার ধরণ-
[ ] আইনানুগ [ ] প্রথাগত
৭. যদি অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন হয়, তাহলে যে উপায়ে তা নেওয়া হবে:
[ ] স্বেচ্ছায় দান
[ ] অন্যান্য উপায় (উলেস্নখ করম্নন).....................
৮. স্কিম বাসত্মবায়নের কারনে সংলগ্ন এলাকার লোকজনের চলমান সামাজিক আচার আচরণ, রীতিনীতি ও ব্যবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব আছে কিনা ? [ ] হ্যাঁ [ ] না
অংশ ঘ: ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য
১০. স্কিমের এলাকায় কোনো প্রথাগতভাবে বিদ্যমান কোন অভিযোগ নিরসন ব্যবস্থা (জিআরএম) আছে কি না?
[ ] হ্যাঁ [ ] না
যদি থাকে, উক্ত জিআরএম এর সাথে সংশিস্নষ্ট কোনো সদস্য পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব যাচাইয়ে অংশগ্রহণ করেছিল কি না? [ ] হ্যাঁ [ ] না
১১. স্কিমের জন্য নির্ধারিত জমিতে সম্ভাব্য সংশিস্নষ্ট ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর অধিকারের ধরণ:
[ ] আইনগত (নৃ-জনগোষ্ঠী ব্যক্তি/পরিবারের সংখ্যা......................)
[ ] প্রথাগত (নৃ-জনগোষ্ঠী ব্যক্তি/পরিবারের সংখ্যা........................)
[ ] সরকারের সঙ্গে ইজারা চুক্তি (নৃ-জনগোষ্ঠী পরিবারের সংখ্যা........)
[ ] অন্যান্য (উলেস্নখ করম্নন) .............(নৃ-জনগোষ্ঠী পরিবারের সংখ্যা.............)
১২. গুরম্নত্ব অনুসারে, সংশিস্নষ্ট ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী পরিবারগুলোর তিনটি প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হচ্ছে:
ক. .............................
খ. .............................
গ. .............................
১৩. ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী ও সংগঠনগুলো যদি তাদের সমাজ সংক্রামত্ম কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকে..........................................................................................................
১৪. স্কিমের সামাজিক ফলাফল সম্পর্কে ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর সদস্য ও সংগঠনগুলোর ধারণা:
[ ] ইতিবাচক
[ ] নেতিবাচক
[ ] ইতিবাচকও নয় নেতিবাচকও নয়
১৫. মূল্যায়িত সামাজিক প্রভাব ও উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে, বিসত্মারিত প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা পরিচালনা করার প্রয়োজন রয়েছে কি না? [ ] হ্যাঁ [] না
প্রস্ত্ততকারী
| ক্রম | নাম ও পদবী | স্বাক্ষর | তারিখ |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
| ৭ |
|
|
|
এনডোর্সকারী ( স্কিমের তদারকি কমিটির সভাপতি/সদস্য সচিব)
স্বাক্ষর ও তারিখ:
নাম:
পদবী:
মোবাইল নং:
(এ ফরম স্কিমের তদারকি কমিটি (SSC) কর্তৃক পূরণ করে সংশিস্নষ্ট স্কিমের ফাইলে সংরক্ষিত থাকবে)
অংশ ক: সাধারণ তথ্য
স্কিমের তদারকির তারিখ:........................
ওয়ার্ড নং: .......................ইউনিয়ন:........................................
উপজেলা:.................................. জেলা:..............................................
১. তদারকি কমিটির সভাপতির নাম: ..
২. তদারকিতে অংশগ্রহনকারী স্কিমের সুপারভিশন কমিটির অন্য সদস্যদের নাম:
| ক্রম | ইাম | মোবাইল নং | জাতীয় পরিচয় পত্র নং |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
অংশ খ: স্কিমের তথ্য
১. স্কিমের নাম ও স্থান:...............................................................................
২. স্কিমের ব্যবহার:.................................................................................
৩. স্কিমের আওতা/ধরণ:
[ ] নতুন নির্মাণ [ ] উন্নয়ন [ ] মেরামত/সংস্কার
৪. স্কিমের ভৌত কাজের সংক্ষপ্ত বিবরণ: .............................................................
৫. স্কিম বাছাইর সময় জনগণের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে কি না ? [ ] হ্যাঁ [ ] না
৬. গৃহীত স্কিমে সত্যিকার অর্থে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটেছে কিনা ? [ ] হ্যাঁ [ ] না
৭. এ স্কিমে তালিকাভুক্ত পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাবসমূহ মানা হয়েছে কিনা ? [ ] হ্যাঁ [ ] না
অংশ গ: পরিবেশগত বিষয়
১. বাসত্মবায়নের সময় কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবেশগত সমস্যা দেখা দিয়েছিল কি? [] হ্যাঁ [] না
যদি জবাব হ্যাঁ হয়, সেগুলো কি ছিল (যেমন: ভূ-পৃষ্ঠের পানির গতিপথ পরিবর্তন, নতুন নির্মিত সেচ ব্যবস্থা, বর্জ্য উৎপাদন ইত্যাদি) ?
যদি তাই হয়, তাহলে কিভাবে প্রভাব প্রশমন করা হয়েছিল?
যদি অপ্রত্যাশিত প্রভাবসমূহ প্রশমন করা হয়ে থাকে, সেগুলো যেভাবে করা হয়েছিল তা ছিল (টিক চিহ্ন দিন): [ ] সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক নয়
২. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বন্যার পানির উচ্চতা বিবেচনা করা হয়েছে কিনা ?
[ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৩. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্কিমের বাসত্মবায়নের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসন ও প্রাকৃতিক পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা ? [ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৪. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাটির ক্ষয় প্রতিরোধ এবং মাটির ঢাল সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা ? [ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৫. নলকুপ স্থাপনের ক্ষেত্রে আর্সেনিক দূষণ মাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা?
[ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৬. যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (যদি প্রয়োজন হয়) নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা?
[ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৭. স্কিমের বাসত্মবায়নকালীন বিদ্যমান গাছপালা নষ্ট হয়েছে কিনা?
[ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৮. এ স্কিমের কি কোনো পরিবেশগত সম্পদ ব্যবহারে জনগণের প্রবেশাধিকার ক্ষুন্ন করেছে?
[ ] হ্যাঁ [ ] না [ ] প্রযোজ্য নয়
৯.স্কিমের পরিবেশগত প্রভাব এবং স্কিমের সুফল/কুফল সর্ম্পকে এলাকার জনগনের মতামত কি?
[ ] অধিকতর সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক [ ] মোটামুটি সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক নয়
[ ] হ্যাঁ [ ] না
সামাজিক বিষয়াবলীু
১. এ স্কিমে বিদ্যমান ভৌত সীমার বাইরে ভূমি ব্যবহার করা হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
২. উত্তর হাঁ হয়ে থাকলে, স্কিমের জন্য ব্যবহৃত ভূমির মালিক:
[ ] সরকার (খাস, অন্যান্য সরকারি সংস্থা, ইউনিয়ন পরিষদ-সরকারি ভূমি);
[ ] ব্যক্তি মালিকানাধীন
৩. সরকারি ভূমি হলে, এ ভূমি কি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল: ...............................
৪. সরকারি ভূমি ব্যবহারকারী ব্যক্তির সংখ্যা: ...........................................
৫. এ ভূমি ব্যক্তি মালিকানাধীন হলে, যে কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল: .....................
৬. মালিকানাধীন ভূমি ব্যবহার করার ফলে ক্ষতিগ্রসত্ম ভূমি মালিকদের সংখ্যা: ............
৭. ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমি যেভাবে নেওয়া হয়েছে:
[ ] স্বেচ্ছায় দান
[ ] ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে দান
[ ] অন্যান্য উপায় (উলেস্নখ করম্নন): .......................
৮. এ স্কিমের জন্য এমন কোন সম্পদ ব্যবহার করা হয়েছে কি না, যা কোনো জনগোষ্ঠী তাদের জীবিকার জন্য ব্যবহার করতো? [ ] হ্যাঁ [ ] না
৯.স্কিম ও এর সুফল সম্পর্কে জনগোষ্ঠীর মতামত:
[ ] অধিকতর সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক [ ] কিছুটা সমেত্মাষজনক [ ]সমেত্মাষজনক নয়।
১০. স্কিমের তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহনকারী ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর সদস্য ও সংগঠনগুলোর নাম:
....................................................................................................
১১. স্কিমের জন্য ব্যবহৃত জমিতে ক্ষতিগ্রসত্ম ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর অধিকারের ধরণ: (একাধিক প্রযোজ্য হতে পারে)
[ ] আইনগত (ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী ব্যক্তি/পরিবরের সংখ্যা)
[ ] প্রথাগত (ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী ব্যক্তি/পরিবরের সংখ্যা)
[ ] সরকারের সঙ্গে ইজারা চুক্তি (ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী পরিবরের সংখ্যা)
[ ] অন্যান্য (উলেস্নখ করম্নন).........( ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী পরিবরের সংখ্যা)
১২. যাচাইকালে ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী ও সংগঠনগুলোর ব্যক্ত করা সামাজিক উদ্বেগগুলো কি কি?:.......................
১৩. স্কিম প্রণয়নে ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর উলেস্নখিত এসব সামাজিক উদ্বেগগুলো বিবেচনা করা হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
১৪. ÿুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী ও সংগঠনগুলোর স্কিমের সামাজিক সুফল সম্পর্কে ধারণা:
[ ] ইতিবাচক [ ] নেতিবাচক [ ] ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোনোটাই নয়
১৫. উপরে বর্ণিত সমস্যা/বিষয়ুগুলো (যদি থাকে), ওয়ার্ড কমিটিকে সমাধান করতে হবে:
....................................................................................................
নিম্নলিখিত স্কিমের সুপারভিশন কমিটি সদস্যগণ স্কিমের বাসত্মবায়ন তত্ত্বাবধানকালে অংশ নিয়েছেন:
| ক্রম | নাম ও পদবী | স্বাক্ষর | তারিখ |
| ১ |
|
|
|
| ২ |
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
| ৭ |
|
|
|
(স্কিমের তদারকি কমিটি (SSC) এবং চেক স্বাক্ষরকারী কর্তৃক পূরণীয় )
অর্থ বছরঃ........................................
জেলা.............................................. উপজেলা..................................
ইউনিয়ন........................................ ওয়ার্ড নং .......................
তদারকি কমিটির সভাপতির নাম.............................
স্কিমের নাম.............................................................................................
স্কিমের অবস্থান......................................................................
অংশ ক: সাধারণ তথ্য
১. স্কিমের কাজের ধরণ: [ ] নতুন নির্মাণ, [ ] উন্নয়ন, [ ] মেরামত/সংস্কার
২. স্কিমের বাসত্মবায়নকালঃ
শুরম্নর তারিখঃ..................সমাপ্তির তারিখ....................মোট সময়কাল..........
৩. স্কিমের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট (টাকা) ......................................
৪. স্কিমের বাসত্মবায়নের জন্য প্রকৃত খরচের পরিমান (টাকা).........................................
৫. প্রসত্মাবিত ও প্রকৃত কাজের মধ্যে পার্থক্য হয়ে থাকলে সংক্ষেপে উলেস্নখ করম্নন...................
৬. প্রসত্মাবিত ও প্রকৃত কাজের মধ্যে পার্থক্যের কারণ ..................................................
৭. কাজের গুনগত মানের ক্ষেত্রে কমিউনিটির মতামত
[ ] অধিকতর সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক [ ] মোটামুটি সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক নয়
অংশ খ: ভূমি ব্যবহার
৮. স্কিমের পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব যাচাইয়ে স্কিমের তদারকি কমিটি কি যুক্ত ছিল ?
[ ] হ্যাঁ [] না
৯. স্কিমে অতিরিক্ত ভূমির ব্যবহার করা হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [] না
১০. যদি স্কিমের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি স্বেচ্ছায় প্রদানকৃত হয়, তাহলে প্রদানকারীর সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
স্কিমেরটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে এমন ইউনিয়ন/ওয়ার্ড এ নির্মিত হয়ে থাকলে
১১. স্কিমের পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব যাচাইয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী যুক্ত ছিল কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
১২. স্কিমের বাছাই ও বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তাদের সংগঠনের পরামর্শ ছিল কিনা? [ ] হ্যাঁ [ ] না
১৩. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রভাব নিরূপন হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [] না
১৪. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য আলাদা উন্নয়ন কার্যক্রম বাসত্মবায়ন হয়েছে কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
১৫. যদি হ্যাঁ হয়, উন্নয়ণ কাজের বিসত্মারিত উলেস্নখ করম্নন............................
অংশ গ: অভিযোগ প্রতিবিধান
১৬. ওয়ার্ড কমিটি, স্কিমের তদারকি কমিটি, ঠিকাদার ও চেক স্বাক্ষরকারীর বিরম্নদ্ধে অভিযোগ গ্রহণের সংখ্যাঃ ...........................ইউপি কর্তৃক সমাধানকৃত সংখ্যাঃ .....................
১৭. ইউপি কর্তৃক ডিডিএলজি বরাবর অনিষ্পন্নকৃত অভিযোগ প্রেরণের সংখ্যা......
১৮. ডিডিএলজি কর্তৃক নিষ্পন্নকৃত অভিযোগ সংখ্যা......................
১৯. ডিডিএলজি কর্তৃক স্থানীয় সরকার বিভাগ (জাতীয় প্রকল্প পরিচালক) বরাবর প্রেরিত অভিযোগ সংখ্যা............
২০. তিনটি অধিকতর গুরম্নত্বপূর্ণ অভিযোগ হলঃ
ক.............................................
খ............................................
গ............................................
অংশ ঘ: পরিবেশগত সুরক্ষা
২১. যাচাই ফরমে চিহ্নিত পরিবেশগত ইস্যুগুলোর ভিত্তিতে স্কিমের নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিকল্প বিবেচনা করা হয়েছিল (পরিবেশগত প্রভাব প্রশমনের জন্য) কি? [ ] হ্যাঁ [ ] না
যদি হ্যাঁ হয়, স্কিমের নকশার কি তা সম্পৃক্ত করা হয়েছিলো ? নিচে টিক চিহ্ন দিন:
বিকল্প ব্যবস্থা রাখার প্রয়োজন থাকলেও যদি তা স্কিমের নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে যুক্ত করা না হয়ে থাকে, কেন করা হয়নি?.......................
স্কিমের পরিবেশগত প্রভাব এবং স্কিমের সুফল/কুফল সর্ম্পকে জনগোষ্ঠীর মতামত কি?
[ ] সমেত্মাষজনক [ ] কিছুটা সমেত্মাষজনক [ ] সমেত্মাষজনক নয় [ ] মোটেও সমেত্মাষজনক নয়
অংশ ঙ: তদারকি কমিটির মমত্মব্য ও সুপারিশ
স্কিম গ্রহণ ও বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে নেতিবাচক পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব প্রশমনে নির্দেশনা ও পদক্ষেপঃ ...........................................................................................
প্রস্ত্ততকার্য্যে অংশগ্রহণকারী চেক স্বাক্ষরকারীগণের স্বাক্ষরঃ
| ক্রম | নাম ও পদবী | মোবাইল নং | জাতীয় পরিচয় পত্র নং | স্বাক্ষর | তারিখ |
| ১ |
|
|
|
|
|
| ২ |
|
|
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
|
|
প্রস্ত্ততকার্য্যে অংশগ্রহণকারী এসএসসি সভাপতি ও সদস্যদের স্বাক্ষরঃ
| ক্রম | নাম ও পদবী | মোবাইল নং | জাতীয় পরিচয় পত্র নং | স্বাক্ষর | তারিখ |
| ১ |
|
|
|
|
|
| ২ |
|
|
|
|
|
| ৩ |
|
|
|
|
|
| ৪ |
|
|
|
|
|
| ৫ |
|
|
|
|
|
| ৬ |
|
|
|
|
|
সাধারণভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নতুন কিংবা উন্নয়নমূলক বাসত্মবায়নের জন্য এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে যা নূন্যতম সরকারী বা বেসরকারী জমি ব্যবহৃত হয় কিংবা অতিরিক্ত জমি ব্যবহৃত না হয়।
জমি ব্যবহারে নূন্যতম সম্ভাব্য বিরূপ ক্ষতি পরিহারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নিম্নোক্ত নীতিসমূহ মেনে চলবে-
ইউনিয়ন পরিষদ এমন কোনো স্কিমের বাসত্মবায়ন করবে না যা সমাজে সংশিস্নষ্ট বেশিরভাগ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত নয়, বিশেষ করে, আর্থ-সামাজিকভাবে ঝুকিঁপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকার উৎস নষ্ট করে এমন কোন স্কিমের বাসত্মবায়ন করা যাবে না।
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নতুন প্রকল্প গ্রহণ কিংবা প্রকল্প বর্ধিতায়ন করার সময় সম্ভাব্য পুনর্বাসন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। যেহেতু সরকারি/ বেসরকারি জমি অধিগ্রহণের সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেহেতু ইউনিয়ন পরিষদ নিমেণাক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
সরকারী জমি প্রাপ্তি প্রাথমিকভাবে দৈনন্দিন ব্যবহার ও ব্যবহারকারীর উপর নির্ভর করে। যেখানে ব্যবহারকারীরা স্বচ্ছল এবং জমি অধিগ্রহণ করার ফলে উক্ত এলাকায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার নেতিবাচক পরিবর্তন হয় না, সেসব জায়গায় ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় জনগনকে উদ্ধুদ্ধ করার মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণ করতে পারে। যেখানে এইসব ভূমি দরিদ্র ও অসহায় সম্প্রদায়ের দ্বারা জীবন-জীবিকার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে সেইসব জমি ইউনিয়ন পরিষদ সুবিধাভোগীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিকভাবে পূর্নবাসনের ব্যবস্থা করে জমি অধিগ্রহন করতে পারবে। উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীর পক্ষে নিম্নোক্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে।
বর্তমান ব্যবহারকারীরা জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে বিরূপ ফল দেখা দিলে কিংবা ভীত হলে জমি পরিত্যাগ করার নির্দেশনা অস্বীকার করার অধিকার রাখবে।
সমাজের সার্বিক কল্যাণের জন্য যদি স্বপ্রনোদিত হয়ে জমির মালিক স্বেচ্ছায় ব্যক্তিগত জমি দান করে থাকে। এই সকল সমাজসেবীরা কোন ক্ষতিপূরণ ছাড়াই তাদের জমি বা অন্যান্য সম্পদ স্বেচ্ছায় সমাজ কল্যানে দান করে থাকলে।
কোন প্রকার ÿয়ÿতির আশংকা বা ভয়ভীতি ছাড়াই যে সকল মালিকগণ স্বেচ্ছায় জমি দান করতে চায়, ইউনিয়ন পরিষদ সে সকল জমি গ্রহণ করতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে-
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক ÿুদ্র মাঝারী মানের উন্নয়ন প্রকল্প (সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা) বাসত্মবায়নে জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রমানিত যে বাসত্মবায়িত প্রকল্প দ্বারা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বেনা বরং উলেস্নখযোগ্য সামাজিক পরিবর্তন এবং জীবিকার উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ ধরণের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কোন সামাজিক সুরক্ষা কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন নেই।
স্বেচ্ছায় ভূমি দানের সকল নথি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নথিভূক্ত হবে এবং তা সকল পক্ষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রকল্প বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি/পরিবারের যাচাইকৃত সকল তথ্য ইউনিয়ন পরিষদ নথিভুক্ত করবে এবং তা নিরসনের জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তার বিসত্মারিত বিবরণ নথিভূক্ত করতে হবে যা পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
স্কিমের গ্রহণ ও বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে সমাজভিত্তিক পারস্পারিক আলোচনা গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া, প্রকল্প বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে যদি অতিরিক্ত ভূমি প্রয়োজন হয় তবে স্কিম নির্বাচনের পূর্বেই ওয়ার্ড সভায় স্কিমের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং সৃষ্ট উপকার বিষয়ে সাধারণ আলোচনা করতে হবে। কোন কোন শর্তাবলীর উপর নির্ধারণ করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে তা আলোচনার মূল বিষয়বস্ত্ত হবে। ক্ষেত্র বিশেষে যদি ক্ষতিগ্রস্থ মহিলা সম্প্রদায়ের সাথে আলোচনা করার প্রয়োজন হয় তবে ইউনিয়ন পরিষদ আলাদা আলোচনার ব্যবস্থা করবে।
ওয়ার্ড কমিটি আলোচনার বিষয়বস্ত্ত নির্ধারণ করবে। নির্দিষ্ট তারিখে বিষয়বস্ত্ত থেকে গৃহিত সিদ্ধামত্ম নথিভূক্ত করতে হবে। সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিকে কার্যবিবরণীর কপি প্রদান করা হবে এবং স্কিমের বাসত্মবায়ন ফাইলে তা সংরক্ষণ করতে হবে এবং পরিদর্শন ও নিরীক্ষণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
সরকারি জমি থেকে যদি কাউকে উচ্ছেদ করা হয় কিংবা কেউ যদি স্বেচ্ছায় ব্যক্তিগত জমি দান করে তবে তার সকল তথ্য ইউনিয়ন পরিষদে নথিভূক্ত থাকবে। এই সংক্রামত্ম সকল তথ্য স্কিমের বাসত্মবায়ন সংক্রামত্ম ফাইলে সংরক্ষিত থাকবে এবং সকল পক্ষ যে কোন সময় পরিদর্শন করতে পারবে।
(দানকৃত ভূমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)
| জেলা |
| উপজেলা |
| |||||
| ইউনিয়ন |
| ওয়ার্ড নং |
| |||||
| ওয়ার্ড চেয়ারম্যানের নাম |
| |||||||
| স্কিমের নাম: |
| |||||||
| স্কিমের ব্যবহার: |
| |||||||
| কাজের ধরণ: | [ ] নতন নির্মাণ, [ ] উন্নয়ন, [ ] মেরামত | |||||||
| স্কিম বাসত্মবায়নের সময় | --------দিন | |||||||
| প্রভাবিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা | অনুমোদিত বসবাসকারী (Squatters)
| দখলকারী (Encroachers)
| অন্যান্য | |||||
|
|
|
| ||||||
| ব্যবহৃত ব্যক্তিগত ভূমি (স্বেচছা দানকৃত) | মোট মূল্য (টাকা) | সর্বমোট মালিকের সংখ্যা | ||||||
|
|
| |||||||
|
ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার | হ্যাঁ | ইা | সম্ভাব্য ব্যবহারকারীর সংখ্যা | |||||
|
|
|
| ||||||
এই ফর্ম পূরন করেছেন ( ওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান)
সাক্ষর: তারিখ
এই ফর্ম যাচাই করেছেন ( তদারকি কমিটর চেয়ারম্যান)
সাক্ষর: তারিখ
| জেলা | উপজেলা | ইউনিয়ন | গ্রাম |
|
|
|
|
|
| খাতিয়ান নং | মৌজা | মৌজা নং | জমির পরিমান (ডেসিমাল) |
|
|
|
|
|
প্রথম পক্ষ
জমি দানকারীর নাম এবং ঠিকানা :
নাম :
বাবার নাম :
মাতার নাম :
এনআইডি :
যোগাযোগের নম্বর :
| স্থানীয় ঠিকানা | বর্তমান ঠিকানা |
|
|
|
দ্বিতীয় পক্ষ
জমি গ্রহণকারীর নাম এবং ঠিকানা (ইঊপি চেয়ারম্যান) :
নাম :
বাবার নাম :
মাতার নাম :
এনআইডি :
যোগাযোগের নম্বর :
| স্থানীয় ঠিকানা | বর্তমান ঠিকানা |
|
|
|
নিমণলিখিত স্বেচ্ছাদানকৃত চুক্তি তৈরি হয়েছে........................তারিখে, জনাব/বেগম..................................... (প্রথম পক্ষ) এবং জনাব/বেগম..................................... (দ্বিতীয় পক্ষ)।
প্রথম পক্ষ ভূমির আইনগত মালিক যার দক্ষিনে........., উত্তরে.........................................., পূ©র্ব........................., পশ্চিমে......................... দাতা নিশ্চিত করেছেন যে, ভূমিটি নিষ্কন্টক।
দাতা এলাকার জনকল্যানমূলক কাজের উদ্দেশ্যে...............(গ্রহিতার নাম) স্কিমের বাসত্মবায়ানের জন্য ভূমিটি দান করছেন।
দাতা এই দানের জন্য কোন প্রতিদান দাবি করবেন না, ভূ-কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন বাধা দিবেন না।
এই দান জনসাধারনের উন্নয়নের জন্য ..............................নামক প্রকল্প বাসত্মবায়নে বাবহৃত হবে এবং সংশিস্নষ্ট সকলের জন্য উন্মুক্ত হবে।
ভূমিদাতার নাম এবং স্বাক্ষর
.....................
ভূমিগ্রহীতার নাম এবং স্বাক্ষর
.....................
স্বাক্ষীগনঃ
১। ............প্রেসিডেন্ট, ওয়ার্ড কমিটি
২। ............প্রেসিডেন্ট, তদারকি কমিটি
৩। .................................মহিলা সদস্য, তদারকি কমিটি
(স্বাক্ষর এবং ঠিকানা)
পরিষদ বাজেট ফরম ক’
[বিধি ৩ (২) দ্রষ্টব্য]
বাজেট সার-সংক্ষেপ
| বিবরণ | পূর্ববর্তী বৎসরের | চলতি বৎসরের | পরবর্তী বৎসরের | ||
| অংশ-১ | রাজস্ব হিসাব প্রাপ্তি রাজসব অনুদান |
|
|
| |
|
| |||||
| মোট প্রাপ্তি |
|
|
| ||
| বাদ রাজস্ব ব্যয় |
|
|
| ||
| রাজসব উদ্বৃত্ত/ঘাটতি (ক) |
|
|
| ||
| অংশ-২ | উনণয়ন হিসাব উনণয়ন অনুদান |
|
|
| |
|
| |||||
| অন্যান্য অনুদান ও চাঁদা |
|
|
| ||
| মোট (খ) |
|
|
| ||
| মোট প্রাপ্ত সম্পদ (ক+খ) |
|
|
| ||
| বাদ উনণয়ন ব্যয় |
|
|
| ||
| সার্বিক বাজেট উদ্বৃত্ত/ঘাটতি |
|
|
| ||
| যোগ প্রারম্ভিক জের (১ জুলাই) |
|
|
| ||
| সমাপ্তি জের |
|
|
| ||
‘ইউনিয়ন পরিষদ বাজেট ফরম খ’
[বিধি-৩ (২)
------- এবং আইনের চতুর্থ তফসিল দ্রষ্টব্য]
ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট
অর্থ বৎসর----------------------
অংশ-১- রাজস্ব হিসাব
প্রাপ্ত আয়
| আয় | |||
| প্রাপ্তির বিবরণ | পূর্ববর্তী | চলতি বৎসরের | পরবর্তী বৎসরের |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
অংশ ১-রাজস্ব হিসাব
ব্যয়
| ব্যয় | |||
| ব্যয়ের খাত | পূর্ববর্তী | চলতি বৎসরের | পরবর্তী বৎসরের |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ |
| ১। সাধারণ সংস্থাপন/ প্রাতিষ্ঠানিক
(১)পরিষদ কর্মচারি (২) দায়যুক্ত ব্যয় (সরকারী কর্মচারী সম্পর্কিত)
২। কর আদায়ের জন্য ব্যয় ৩। অন্যান্য ব্যয়
৪। কর আদায় খরচ (বিভিনণ রেজিস্টার, ফরম, রশিদ বই ইত্যাদি মুদ্রণ) ৫। বৃক্ষ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ৬। সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদানঃ ক. ইউনিয়ন এলাকার বিভিনণ প্রতিষ্ঠান/কলাবে আর্থিক অনুদান ৭। জাতীয় দিবস উদযাপন ৮। খেলাধূলা ও সংস্কৃতি ৯। জরম্নরী ত্রাণ ১০। রাজস্ব উদ্বৃত্ত উনণয়ন হিসাবে স্থানামত্মর
|
|
|
|
৪। কর আদায় খরচ (বিভিনণ রেজিস্টার, ফরম, রশিদ বই ইত্যাদি মুদ্রণ) ৫। বৃক্ষ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ৬। সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদানঃ ক. ইউনিয়ন এলাকার বিভিনণ প্রতিষ্ঠান/ ক্লাবে আর্থিক অনুদান ৭। জাতীয় দিবস উদযাপন ৮। খেলাধূলা ও সংস্কৃতি ৯। জরম্নরী ত্রাণ ১০। রাজস্ব উদ্বৃত্ত উনণয়ন হিসাবে স্থানামত্মর মোট ব্যয় (রাজস্ব হিসাব) |
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
| |
|
|
|
|
অংশ ২- উনণয়ন হিসাব
প্রাপ্তি
| আয় |
|
|
|
| প্রাপ্তির বিবরণ | পূর্ববর্তী বৎসরের প্রাপ্তি | চলতি বৎসরের বাজেট বা সংশোধিত বাজেট | পরবর্তী বৎসরের |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ |
| ১। অনুদান (উনণয়ন)
২। স্বেচ্ছা প্রণোদিত চাঁদা ৩। রাজস্ব উদ্বৃত্ত |
|
|
|
| মোট প্রাপ্তি (উনণয়ন হিসাব) |
|
|
|
অংশ ২- উনণয়ন হিসাব
ব্যয়
| ব্যয় |
|
|
|
| ব্যয় বিবরণ | পূর্ববর্তী | চলতি বৎসরের | পরবর্তী বৎসরের |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ |
| ১। কৃষি ও সেচ ২। শিল্প ও কুটির শিল্প ৩। ভৌত অবকাঠামো ৪। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো ৫। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ৬। বিবিধ (প্রয়োজনে অন্যান্য খাতের এইরূপ ব্যয় উলেস্নখ করিতে হইবে) ৭। সেবা ৮। শিক্ষা ৯। স্বাস্থ্য ১০। দারিদ্র হ্রাসকরণঃ সামাজিক নিরাপত্তা ও ১১। পলী উনণয়ন ও সমবায় ১২। মহিলা, যুব ও শিশু উনণয়ন ১৩। দুর্যোগ ব্যবস্থা ও ত্রাণ ১৪। সমাপ্তি জের |
|
|
|
| মোট ব্যয় ( উনণয়ন হিসাব) |
|
|
|
‘ইউনিয়ন পরিষদ বাজেট ফরম গ’
[বিধি-৫ (১) (ক) দ্রষ্টব্য]
ইউনিয়ন পরিষদ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিবরণী
অর্থ বৎসর
| বিভাগ/শাখা | ক্রমিক নং | পদের নাম | পদের সংখ্যা | বেতনক্রম | মহার্ঘ ভাতা |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ |
|
|
|
|
|
|
|
| প্রদেয় ভবিষ্য | অন্যান্য | মাসিক গড় অর্থের পরিমাণ | বাৎসরিক প্রাক্কলিত | মমত্মব্য |
| ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
|
|
|
|
|
|
‘ইউনিয়ন পরিষদ বাজেট ফরম ঘ’
[বিধি-৫ (১) (খ) দ্রষ্টব্য]
ইউনিয়নের কোন বিশেষ প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সরকার হইতে
প্রাপ্ত অর্থের বিবরণী
অর্থ বৎসর
| ক্রমিক নং | প্রকল্পের নাম | উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সরকার হইতে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ | চলতি অর্থ বৎসরে ব্যয়িত অথবা সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণ | সম্ভাব্য স্থিতি | মমত্মব্য |
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ |
|
|
|
|
|
|
|
ক্যাশ বই
অর্থ বছর............
.................................... ইউনিয়ন পরিষদ, ................................ উপজেলা, ................... জেলা, মাস.....................।
ব্যাংক এ্যাকাউন্টের নাম এবং এ্যাকাউন্ট নম্বর : ..............................................
| প্রাপ্তি | পরিশোধ | ||||||||||
| তারিখ | ভাউচার নং | প্রাপ্তির বিবরণ | টাকার পরিমাণ | হিসাবের খাত | তারিখ | ভাউচার নং | প্রাপ্তির বিবরণ | টাকার পরিমাণ | হিসাবের খাত | ||
| ক্যাশ | ব্যাংক | ক্যাশ | ব্যাংক | ||||||||
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১২ |
|
|
| প্রারম্ভিক স্থিতি |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| মোট |
|
|
|
|
| মোট |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| সমাপনী স্থিতি |
|
|
|
|
|
| সর্বমোট |
|
|
|
|
| সর্বমোট |
|
|
|
ছক: উদাহরণ ক্যাশ বই
অর্থ বছর ২০১১-২০১২, মাস : মার্চ ২০১২
সাভার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা/থানা : সাভার, জেলা : ঢাকা,
ব্যাংক এ্যাকাউন্টের নাম এবং এ্যাকাউন্ট নম্বর : এলজিএসপি, সাভার ইউপি, একাউন্ট-৩৬৫২১৪।
| প্রাপ্তি | পরিশোধ | ||||||||||
| তারিখ | ভাউচার নং | প্রাপ্তির বিবরণ | টাকার পরিমাণ | হিসাবের খাত | তারিখ | ভাউচার নং | প্রাপ্তির বিবরণ | টাকার পরিমাণ | হিসাবের খাত | ||
| ক্যাশ | ব্যাংক | ক্যাশ | ব্যাংক | ||||||||
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১২ |
|
|
| প্রারম্ভিক স্থিতি | ৩০,০০০ | ৫,০০,০০০ |
|
|
|
|
|
|
|
| ৫.৩.১২ | পি.ও৪৩১ | ট্রান্সফার |
| ১২,৫০,০০০ | সরকারি থোক বরাদ্দ | ৭.৩.১২ | ঐ-১৫ | সরবরাহকারীকে পরিশোধ | - | ১,৩০,০০০ | রাসত্মা নির্মাণ |
|
|
|
|
|
| সরকারি থোক বরাদ্দ | ১২.৩.১২ | ঐ-১৬ | ঠিকাদারকে পরিশোধ | - | ৭,৭০,০০০ | রাসত্মা নির্মাণ |
|
|
|
|
|
|
|
| ঐ-১৭ | ঠিকাদারকে পরিশোধ | - | ৫,০০,০০০ | রাসত্মা নির্মাণ |
| ২০.৩.১২ | ঠ-৪৩২ | ব্যাংক থেকে উত্তোলন | ৩০,০০০ |
|
| ২০.৩.১২ | ঐ-১৮ | ব্যাংক থেকে উত্তোলন |
| ৩০,০০০ | কন্ট্রা |
|
|
| মোট | ৬০,০০০ | ১৭,৮০,০০০ |
|
|
| মোট | ০০ | ১৪,৩০ ০০০ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| সমাপনী জের | ৬০,০০০ | ৩,৫০,০০০ |
|
|
|
| সর্বমোট | ৬০,০০০ | ১৭,৮০,০০০ |
|
|
| সর্বমোট | ৬০,০০০ | ১৭,৮০,০০০ |
|
চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর
সচিবের স্বাক্ষর
ছক: ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রনয়ণে প্রয়োজনীয় ছক
ওয়ার্ড অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিক বাসত্মবায়নযোগ্য স্কিমের তালিকা তৈরির নমুনা ছক
| ওয়ার্ড নম্বর | অগ্রাধিকারভিত্তিক নির্বাচিত স্কিমের নাম | ||||
| প্রথম বছর | দ্বিতীয় বছর | তৃতীয় বছর | চতুর্থ বছর | পঞ্চম বছর | |
| ১ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ২ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৩ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৪ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৫ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৬ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৭ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৮ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ৯ | ১. ২. ৩. |
|
|
|
|
| ১০
| ১. ২. |
|
|
|
|
ইউপি ফরম-৮ (নতুন)
বাৎসরিক আর্থিক বিবরণী
............................ ইউনিয়ন পরিষদ (LGD ID # ...............)............................ থানা/উপজেলা, ........................ জেলা
অর্থ বৎসর .........................
| বিবরণ | টীকা | অর্থ বছর | বিগত অর্থ বছর |
| |||
| নিজস্ব তহবিল | উন্নয়ন তহবিল | মোট |
| ||||
|
|
|
|
|
|
|
| |
| প্রাপ্তি |
|
|
|
|
|
| |
| বৎসরের প্রারম্ভিক জেরঃ |
|
|
|
|
|
| |
| ব্যাংক |
| - | - | - | - |
| |
| নগদ |
| - | - | - | - |
| |
| কর ও রেট | ৩ | - |
| - | - |
| |
| ইজারা | ৪ | - |
| - | - |
| |
| যানবাহন (মটরযান ব্যতীত) |
| - |
| - | - |
| |
| নিবন্ধন কর |
| - |
| - | - |
| |
| লাইসেন্স ও পারমিট ফি |
| - |
| - | - |
| |
| সম্পত্তির ভাড়া ও লাভজনিত ফি |
| - |
| - | - |
| |
| সরকারী অনুদান - ভূমি হসত্মামত্মরকর (১%) | ৫ |
| - | - | - |
| |
| সরকারী অনুদান - সংস্থাপন | ৬ |
| - | - | - |
| |
| সরকারী অনুদান - উন্নয়ন | ৭ |
| - | - | - |
| |
| স্থানীয় সরকার - জেলা পরিষদ অনুদান | ৮ |
| - | - | - |
| |
| স্থানীয় সরকার - উপজেলা পরিষদ অনুদান | ৯ |
| - | - | - |
| |
| অন্যান্য প্রাপ্তি | ১০ | - | - | - | - |
| |
| সর্বমোট |
| - | - | - |
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| ব্যয় |
|
|
|
|
|
| |
| সাধারণ সংস্থাপন | ১১ | - | - | - | - |
| |
| উন্নয়ন পূর্ত কাজ |
|
|
|
|
|
| |
| কৃষি | ১২ | - | - | - | - |
| |
| স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন | ১৩ | - | - | - | - |
| |
| রাসত্মা, যোগাযোগ, ইমারত | ১৪ | - | - | - | - |
| |
| শিক্ষা | ১৫ | - | - | - | - |
| |
| সেচ ও বাঁধ | ১৬ | - | - | - | - |
| |
| মোট |
| - | - | - | - |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| বিবিধ |
|
|
|
|
|
| |
| অডিট |
| - | - | - | - |
| |
| অন্যান্য | ১৭ | - | - | - | - |
| |
| অগ্রীম | ১৮ | - | - | - | - |
| |
| মোট |
| - | - | - | - |
| |
| সমাপণী জের ছাড়া মোট খরচ |
| - | - | - | - |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| সমাপনী জেরঃ |
|
|
|
|
|
| |
| ব্যাংক | ১৯ | - | - | - | - |
| |
| নগদ |
| - | - | - | - |
| |
| সর্বমোট টাকা |
| - | - | - | - |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| সেক্রেটারী |
| মহিলা সদস্য | চেয়ারম্যান |
| |||
|
| |||||||
|
|
| ||||||
|
|
| ||||||
১৭. বিবিধ - অন্যান্য ব্যয়
বিবরণ - -
- -
- -
- -
- -
১৮. বিবিধ - অগ্রীম
বিবরণ - -
- -
- -
- -
- -
১৯. সমাপনী জের
ক) ব্যাংক-
এলজিএসপি একাউন্ট - -
অন্যান্য একাউন্ট - -
- -
খ) নগদ-
এলজিএসপি - -
অন্যান্য - -
- -
- -
উপরোক্ত ব্যাংক একাউনটগুলি ব্যাংক বিবরণীর সহিত বৎসরামেত্ম মিল/reconcile (যাহা প্রযোজ্য) করা হইয়াছে।
উলেস্নখ্য যে, এলজিএসপি-২ এর পরবর্তী অর্থ বৎসরে বরাদ্দ,ব্যয় ও সমাপ্ত তারিখে সমাপনী জের নিম্নরূপঃ
১) বরাদ্দ-
২) ব্যয়-
৩) সমাপনী জের: মোট-
ক) ব্যাংক-
খ) নগদ-
২০. উন্নয়ন তহবিলের প্রাপ্তি-ব্যয় বিশ্লেষণ
| বিবরণ | সরকারী | স্থানীয় সরকার | মোট | |||
| ভূমি হসত্মামত্মরকর (১%) | সংস্থাপন | উন্নয়ন | জেলা পরিষদ | উপজেলা পরিষদ | ||
| প্রাপ্তি |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
|
| - | - | - | - | - | - |
| ব্যয় |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
| মোট টাকা | - | - | - | - | - | - |
২১. বাজেট ও প্রকৃত
| নিজস্ব তহবিলঃ প্রাপ্তি |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
| উন্নয়ন তহবিলঃ প্রাপ্তি |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
|
|
|
|
|
|
|
|
| মোট টাকা | - | - | - | - | - | - |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| নিজস্ব তহবিলঃ ব্যয় |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
| উন্নয়ন তহবিলঃ ব্যয় |
|
|
|
|
|
|
| ................................. | - | - | - | - | - | - |
|
|
|
|
|
|
|
|
| মোট টাকা | - | - | - | - | - | - |
|
|
|
|
|
|
|
|
................................. ইউনিয়ন পরিষদ (LGD ID # .....................)............................. থানা/উপজেলা, .......................... জেলা
| ক্রমিক নং | সম্পদের নাম ও অবস্থান | নির্মাণ বা ক্রয়ের তারিখ | মূল্য | তহবিলের উৎস | সর্বশেষ রক্ষণাবেক্ষণের তারিখ | ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ | রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয়িত অর্থের উৎস | পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের তারিখ | মমত্মব্য |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
টীকাঃ
১) স্থায়ী সম্পদ বুঝায় আসবাবপত্র, দালান ইত্যাদি যাহার মূল্য ১০০ টাকার অধিক এবং যাহার আয়ুষ্কাল ২ বৎসরের অধিক।
২) অবকাঠামোর আয়ুষ্কাল ২ বৎসরের অধিক না হইলে অন্তর্ভুক্ত হইবে না।
| দÿতা মূল্যায়নের ÿÿত্রসমূহ | উপ-ÿÿত্রসমূহ | সূচক | সবের্বাচ্চ স্কোর (মোট =৪০) | |
| ১২ | |||
| প্রাপ্ত অর্থের সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রনয়ন ও প্রকল্প নির্বাচন/গ্রহণ-এ ঊৎসাহিতকরণ | ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অনুদানের যথাযথ ব্যবহার | ১.১ | ইউনিয়ন পরিষদ তার উন্নয়ন তহবিল কম সংখ্যক খাতে কিন্তু অপেÿাকৃত বড় প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য বরাদ্দ প্রদান করবে | ৫ |
| বাজেট বরাদ্দে বহুমূখিতা | ১.২ | প্রতি আর্থিক বছর কমপÿÿ তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সেক্টরের প্রকল্প গ্রহণ | ৪ | |
| ইউনিয়ন পর্যায়ে সিদ্ধামত্ম গ্রহনের পরিধি সম্পস্রা্রণ করা | ১.৩ | স্ট্যান্ডিং কমিটিসমূহ ইউপি পর্যায়ে প্রস্ত্ততি ও পরামর্শমূলক কমিটি হিসেবে কাজ করবে | ৩ | |
| ১৬ | |||
| বাজেট প্রণয়ন ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে উৎসাহিতকরণ | সময়মত আর্থিক বিবরণী প্রস্ত্ততকরণ | ২.১ | অর্থ বছরের শেষ হওয়ার দু’ মাসের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক এমআইএস পদ্ধতির মাধ্যমে (MIS System) বার্ষিক আর্থিক বিবরণী প্রস্ত্তত করা | ৫ |
| পরিকল্পনা অনুযায়ী বাজেট বাসত্মবায়ন | ২.২ | বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের অব্যয়িত অর্থের পরিমান ১০% এর কম | ৩ | |
| আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ ও আর্থিক (Fiduciary) ঝুকি কমানো | শর্তহীন অডিট রিপোর্ট | ২.৩ | পূর্ববর্তী অর্থ বছরে কোন অডিট আপত্তি নেই | ৫ |
| অডিট আপত্তির জবাব প্রদান | ২.৪ | পূর্ববর্তী অর্থ বছরের অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে | ৩ | |
| ৮ | |||
| টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ ও জবাবদিহিতার ÿÿত্র সম্প্রসারণ | ট্যাক্সের রেকর্ড রÿণাবেÿণ | ৩.১ | হোল্ডিং ট্যাক্স আরোপযোগ্য সকল সম্পদের তথ্য ভান্ডার ইউপিতে সংরÿণ | ৩ |
| নিজস্ব উৎস হতে রাজস্ব বৃদ্ধি | ৩.২ | পূর্ববর্তী অর্থ বছরের চেয়ে বার্ষিক হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের শতকরা হার বৃদ্ধি | ৫ | |
| ৪ | |||
| জবাবদিহিতা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ | জনগণের সাথে তথ্য বিনিময় জোরদারকরণ | ৪.১ | নেটিশ বোর্ড ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে ইউপি কর্তৃক বার্ষিক বাজেট ও বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এবং স্কিম বোর্ড এর মাধ্যমে স্কিমের বিসত্মারিত বিবরণ, স্কিমের ব্যয় ইত্যাদি জনগণকে জানানো ও তাদের কাছে উন্মুক্তকরণ | ৪ |
| সড়ক ও যোগাযোগ | |
| গ্রামীন রাসত্মা নির্মাণ, পূনঃনির্মাণ ও মেরামত, গ্রামীন রাসত্মার ফুট ব্রীজ, কালভার্ট, ফুটপাথ নির্মাণ, রাসত্মার গাইড ওয়াল ইত্যাদি। | |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| বর্ষাকালে রাসত্মায় জলাবদ্ধতা, মাটির ক্ষয়, পানির স্রোতে রাসত্মা ভেঙ্গে যাওয়া,রাসত্মার ধার ধসে পরা। |
|
| রাসত্মা নির্মানে বৃক্ষনিধনের সম্ভাবনা | বৃক্ষনিধন না হওয়া নিশ্চিত করা, যদি সহনীয় মাত্রাও বৃক্ষ কর্তন করা হয় সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বৃক্ষের চাড়া অন্যত্র রোপন নিশ্চিত করতে হবে। |
| রাসত্মা নির্মাণের ক্ষেত্রে চাষযোগ্য উর্বর মাটি ব্যবহারের প্রবণতা | চাষযোগ্য জমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার না করা। ব্যবহার হলে জৈবসার ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমেজমির উরবর্তা ফিরিয়ে আনা। |
| নিরাপদ পানি সরবরাহ | |
| অগভীর ও গভীর নলকুপ স্থাপন, পানির উৎস সংস্কার, পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট পস্নান্ট, পিএসএফ ইত্যাদি। | |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| বন্যার সময়ে নলকুপের পস্নাটফর্ম নিমজ্জিত হওয়ার মাধ্যমে দূষণ সৃষ্টির সম্ভাবনা। |
|
| পয়ঃনিষ্কাশনের স্থল, আবর্জনা ও জলাবদ্ধ পানি দূষণের মাধ্যমে গৃহস্থালীর ব্যবহারের পানির জীবানু সংক্রমনের সম্ভাবনা। |
|
| খাবার ও গৃহস্থালীর ব্যবহারের পানিতে আর্সেনিকের প্রবনতা। | নলকুপের পাইপ স্থাপনের সময়ে আর্সেনিক পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। |
| পানির উৎস হ্রাস হওয়া: যন্ত্র চালিত পাম্পের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্থর নিচে নেমে যাওয়া ইত্যাদি। | যন্ত্র চালিত পাম্পের অতিরিক্ত ব্যবহার ও যন্ত্র চালিত পাম্পের সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা। |
| স্বাস্থ্য সেবা | |
| স্বাস্থ্য কেন্দ্র (প্রসব কেন্দ্র, রোগীর অপেক্ষা করার ঘর, ডিসপেনসারী,প্যাথলজী সেন্টার ইত্যাদি।) | |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| চিকিৎসাকাজে ব্যবহারকৃত ওষুধ ও অনান্য উপকরণের বর্জ্য থেকে সৃষ্ট রোগ। | বর্জ্যসমূহ রাখার স্থান নির্ধারণ করা এবং বর্জ্যসমূহ সম্পর্ণরূপে বিনিষ্ট করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। |
| পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা | |
| |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| পানি দূষণের সম্ভাবনাঃ বন্যা ও বর্ষা মৌসুমের অতি বৃষ্টির কারণে ভূঃউপরস্থ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের কাঠামো/ড্রেনের লিকেজের কারণে ভূঃগর্ভস্থ পানির দূষনের সম্ভাবনা। |
|
| ময়লা আবর্জনা হতে উৎপাদিত পোকামাকড় বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব। |
|
| কৃষি ও বাজার উন্নয়ন | |
| |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| টিকাদান কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র হতে রোগ সংক্রমন ও পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা। | নিয়মিত গবাদী প্রানীর টিকাদান কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র পরিঙার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা |
| বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ডাষ্টবিন ও কসাই খানা রোগ সংক্রমন ও পরিবেশ দূষনের সম্ভাবনা। | নিয়মিত ভাবে ডাস্টবিন ও কসাই খানা পরিঙার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা এবং বর্জ্যসমূহ বিনষ্টের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো নির্মাণ। |
| কৃষি সেচে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা। | ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষেণের মাধ্যমে সেচ কাজ পরিচালনা করা। |
| নির্মাণকৃত অবকাঠামোসমূহ বন্যার পানি ও বৃষ্টির পানির মাধ্যমে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা। | অবকাঠামোসমূহ নির্মানের ক্ষেত্রে বন্যার সর্বোচ্চসত্মর নিশ্চিত করা (১০ বছরের সর্বোচ্চ বন্যা সত্মর) এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা |
| মৌসুমী কৃষি বাঁধ নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা। | বাধঁ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ও কারিগরি সম্ভাব্যতা যথাযথভাবে নিরূপন করা। |
| শিক্ষা | |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কক্ষ ও অফিস কক্ষ নির্মাণ ইত্যাদি।। | |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| নির্মাণকালীন সময়ের পরিবেশগত প্রভাব।(স্বাস্থ্য ঝুঁকি) |
|
| গৃহীতব্য স্কিম বন্যার পানির মাধ্যমে নিমজ্জিত হওয়ার এবং সাইক্লোনে অথবা নদী ভাঙ্গনে ক্ষতির সম্ভাবনা। |
|
| জ্বালানী কাঠের ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা। | কাঠের বিকল্প উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করা। |
| জ্বালানী সম্পদ | |
| |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| অস্থিতিশীল গোচারণ। | বায়োগ্যাস প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত পশুসম্পদ গোচারণ ক্ষেত্র নিশ্চিত করতে হবে। |
| বৈদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা। | নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যথাঃ সৌর বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস। |
| প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা | |
| |
| সম্ভাব্য পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব | নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপের নমুনা |
| গবাদী পশুর মল যত্রতত্র পরে থাকা। | যথাযথ সংরক্ষনের ব্যবস্থা। |
| রাসায়নিক কিটনাশক ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা। | রাসায়নিক কিটনাশকের বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত |
| পরিবেশ বান্ধব নয় এমন বৃক্ষের চারা রোপনের সম্ভাবনা। | পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষের চারা রোপন। |