০১. |
স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রে আগত নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-যুব-শিশু সকলকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। |
০২. |
ডায়রিয়া রোগীদের জন্য ওআরএস সরবরাহ করা হয়। |
০৩. |
হাসপাতালে আগত প্রসূতি রোগীদের এন্টিনেটাল চেকআপসহ প্রয়োজনীয় উপদেশ দেয়া হয় এবং আয়রনট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়। |
০৪. |
জাতীয় যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমেরআওতায় যক্ষ্মা রোগীদের কফ্ পরীক্ষার জন্য কফ সংগ্রহ করা হয়এবং যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ রোগীদের বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করা করা হয়। |
০৫. |
শিশু ও মহিলাদের ইপিআই কার্যক্রমেরআওতায় প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়। |
০৬. |
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে আগত রোগীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়া হয়। |
০৭. |
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে আগত কিশোর-কিশোরী ও সক্ষম দম্পতিদের মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাকার্যক্রমপরিচালনা করা হয়। |
০৮. |
প্রয়োজনে রোগীকে উপজেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। |
০৯. |
আগত রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজনগণ স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও উপদেশের জন্য সংশ্লিষ্টচিকিৎসকগণের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারেন। |
১০. |
উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নোটিশ বোর্ড সবার দৃষ্টি গোচর হয় এমন জায়গায় স্থাপিত আছে।নোটিশ বোর্ডে প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ আছে। |
১১. |
সরবরাহ সাপেক্ষে ঔষধসমূহ সেবাকেন্দ্র হতে বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে কোনকোন ঔষধ কেন্দ্রের বাহির হতে সেবা গ্রহিতাকেক্রয় করতে হতে পারে। |
১২. |
বোর্ডে মজুদ ঔষধের তালিকা, প্রদানকৃত সেবাসমূহের তালিকা, সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকের তালিকাটানানো আছে। |
আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে আছে এমন কিশোর-কিশোরীরাই সেই ক্লাবের সদস্য হবে, যে ক্লাবটির নাম স্বর্ণ-কিশোরী ক্লাব। স্বর্ণকিশোরী ক্লাবের কার্যক্রমের সন্ধান পাওয়া গেলো মতলব উত্তর উপজেলার চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। রোববার দুপুরে চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ক্লাবের সদস্যরা করেছে আলোচনা সভা ও বনভোজন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, স্কুল পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় ক'জন গণ্যমান্য ব্যক্তি।
মতলব উত্তর উপজেলার সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম জানান, শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সরকার অনুমোদিত একটি সংগঠনের মাধ্যমে স্বর্ণকিশোরী ক্লাবের এ কার্যক্রম শুরু করা হয় ২০১৪ সালে। তখন কার্যক্রমটা শুরু হয় বিভাগীয় পর্যায়ে। ২০১৫ সালে জেলা পর্যায়ে, ২০১৬ সালে উপজেলা, ২০১৭ সালে ইউনিয়ন, ২০১৮-১৯ সালে গ্রাম পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বর্ণ-কিশোরী প্রকল্প তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সকল কিশোরী স্বর্ণ-কিশোরী নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে এবং বয়ঃসন্ধিকালীন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিজে জানবে ও অন্যদের জানাবে। জনসংখ্যার দিক |
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস